সত্যপাঠ ডেস্ক
গাজায় ইসরায়েলি হামলার ভয়াবহতা:
সোমবার রাতের হামলায় ৪০০ জনের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে নারী, শিশু ও বয়স্ক মানুষ রয়েছেন। এছাড়া, আহত হয়েছেন প্রায় ৬৬০ জন।
নিহতদের মধ্যে গাজার উপ-স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও হামাসের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা কর্মকর্তা মাহমুদ আবু ওয়াফাহও রয়েছেন।
হামলায় বহু ভবন ধসে পড়েছে, যার নিচে আরও অনেক মানুষ আটকা পড়ে আছেন।
গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় হাসপাতালগুলোতে রক্তদানের জন্য সাধারণ মানুষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে। কারণ, সেখানে রক্তের পাশাপাশি পেইনকিলার ও ব্যান্ডেজের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে।
ইসরায়েল গত ১৭ দিন ধরে গাজায় ত্রাণ ও সহায়তা প্রবেশ বন্ধ রেখেছে, যার ফলে সেখানকার মানুষের দুর্দশা আরও বেড়েছে।
ইসরায়েল দাবি করেছে, হামাস তাদের জিম্মিদের মুক্তি দিতে অস্বীকৃতি জানানোয় তারা এই হামলা চালিয়েছে। তবে হামাস জানিয়েছে, যুদ্ধবিরতির দ্বিতীয় ধাপে ইসরায়েল সম্মত হলে তারা জিম্মিদের মুক্তি দিতে প্রস্তুত ছিল।
গাজার সরকারি মিডিয়া অফিস এই হামলাকে গণহত্যা হিসেবে অভিহিত করেছে এবং ইসরায়েলের এই অপরাধের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে।
আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া:
জাতিসংঘ, মানবাধিকার সংস্থা এবং বিভিন্ন দেশ এই হামলার নিন্দা জানিয়েছে।
জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস যুদ্ধবিরতি মেনে চলার এবং গাজায় ত্রাণ সহায়তা প্রবেশের আহ্বান জানিয়েছেন।
তুরস্ক এই হামলাকে ‘গণহত্যা নীতির নতুন পর্যায়’ বলে অভিহিত করে এর তীব্র নিন্দা জানিয়েছে।
পরিস্থিতি অত্যন্ত উদ্বেগজনক এবং গাজার সাধারণ মানুষ এক ভয়াবহ মানবিক বিপর্যয়ের সম্মুখীন।