বসুন্দিয়ায় মাদরাসার ছাদে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে এক ছাত্র মারাত্মক আহত

0
25

বসুন্দিয়া প্রতিনিধি

যশোর সদর উপজেলার বসুন্দিয়া পুরাতন জামে মসজিদ মারকাজুত তাফফিজ মাদরাসা এতিমখানা ও লিল্লাহ বডিংয়ের হেফজ বিভাগের এক ছাত্র বিদ্যুৎস্পৃষ্টে মারাত্মক আহত হয়েছে বলে জানা গেছে।

জানা গেছে, ১৮ সেপ্টেম্বর শনিবার দুপুরে ওই প্রতিষ্ঠানের ছাত্র জুয়েল রানা (১৭) মাদরাসার ৩য় তলার ছাঁদের উপর বিছানা পাটি ধৌত করে রোদে শুকাতে দেয়। এসময় ছাদের দক্ষিণ পাশে দেওয়াল ঘেঁষে পল্লী বিদ্যুৎ এর হাইভল্টের ১১ হাজার কেভিলাইন থাকাই দেওয়ালে হাত দেওয়ার সাথে সাথে হাত টেনে নিয়ে যায়।

তাতে বিদ্যুৎ এ ছাত্রের বাম হাত মারাত্মকভাবে ঝলসে যায় এবং দায়িত্বরত শিক্ষক হাফেজ আবু হাসানকে খবর দেয় অন্যান্য শিক্ষার্থীরা। তিনি ঘটনা স্থলে এসে জুয়েলকে উদ্ধার করে প্রতিষ্ঠানের সাধারণ সম্পাদক মাসুদ মোল্যাকে খবর দিয়ে দ্রুত আলাদীপুর বাজারের চিকিৎসক ফজলুর রহমানের চেম্বারে এনে প্রাথমিক চিকিৎসা দেন। তাতে জুয়েলের অবনতি দেখা দেয় তারপরও কতৃপক্ষ তার বাড়িতে খবর না দিয়ে চুপ করে থাকেন।

পরদিন ১৭ সেপ্টেম্বর রোববার সকালে জুয়েলের পিতা বাঘারপাড়া উপজেলার জামদিয়া ইউনিয়নের নিত্যানন্দপুর গ্রামের আকবর শেখ গোপন সংবাদের মাধ্যমে জানতে পেরে মাদরাসা থেকে তার ছেলেকে নিয়ে এসে দ্রুত উন্নত চিকিৎসার জন্য যশোর সদর জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান।

জুয়েলের পিতা আকবর শেখ বলেন, মাদরাসার হুজুররা তো একটু খবর দিতে পারতো। এতো বড় দুর্ঘটনা ঘটেছে তারপরও জানানোর প্রয়োজন হয়নি কেন এমন অভিযোগ তার।

এব্যাপারে মাদরাসার শিক্ষক হাফেজ আবু হাসানের সাথে কথা বললে তিনি জানান, জুয়েল নিষেধ করে ছিল তার বাড়িতে খবর না দিতে। তাছাড়া আমরা তাকে চিকিৎসা দিয়েছি।

বিষয়টি নিয়ে প্রতিষ্ঠানের সাধারণ সম্পাদক মাসুদ মোল্যা সাংবাদিকদের বলেন, ছাত্রের পরিবারকে খবর না দেওয়া- বিষয়টি অবশ্যই দুঃখজনক।

কয়েকজন ছাত্রের সাথে আলাপকালে তারা জানায় এর আগেও তিনজন বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়েছিল।

বিষয়টি নিয়ে প্রতিষ্ঠানের সভাপতি শহিদুল ইসলামের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলেও যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।