পৃথক সোনা চোরাচালান মামলায় তিন আসামির স্বীকারোক্তি

0
12

যশোরের চৌগাছা ও বেনাপোলের পৃথক দু’টি সোনা পাচার মামলায় তিন আসামি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। জবানবন্দি গ্রহণ শেষে আদালত তাদেরকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
আদালত সূত্র জানায়, গত ২০ মে ৪৯/ই কোম্পানি বিজিবির সদস্যরা চৌগাছার বড়কাবিলপুর শ্মশানঘাটের পাশের কাঁচা রাস্তার ওপর থেকে কৃষক বেশে থাকা শাহআলম নামের এক ব্যক্তিকে আটক করে। শাহআলম বড় কাবিলপুর গ্রামের আব্দুর রহিমের ছেলে। আটক শাহ আলমের দেহ তল্লাশি করে কোমরে টেপ দিয়ে বাধা ১শ’২৪ পিচ সোনারবার উদ্ধার করা হয়। যার ওজন ১৪ কেজি সাড়ে ৪শ’ গ্রাম। মূল্য ১০ কোটি ১১ লাখ ৫০ হাজার। এ ঘটনায় বিজিবির নায়েক আবু রায়হান বাদী হয়ে মামলা করেন। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পরিদর্শক ইয়াসিন আলম চৌধুরী আটক শাহআলমকে আদালতে সোপর্দ করে সাতদিনের রিমান্ড আবেদন করেন। বৃহস্পতিবার শুনানি শেষে বিচারক একদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। রিমান্ড শেষে জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সালমান আহমেদ শুভর আদালতে বৃহস্পতিবার স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।
এদিকে, গত বুধবার ভারতে পাচারের সময় বেনাপোল চেকপোস্টে দু’যুবকের কাছ থেকে ৩শ’ ৫০ গ্রাম ওজনের তিনটি সোনারবার উদ্ধার করেছে কাস্টমস শুল্ক গোয়েন্দা ও এনএসআই। বুধবার সকালে বেনাপোল নোম্যান্সল্যান্ড থেকে তাদের আটক করা হয়। আটককৃতরা হলেন, শরীয়তপুর জেলার পালং থানার নুরুজ্জামান খানের ছেলে ফাহাদ উজ জামান খান ও কাশেম খানের ছেলে নান্টু খান। বৃহস্পতিবার তাদের আদালতে সোপর্দ করা হলে তারা ঘটনার সাথে জড়িত থাকার বিষয়টি স্বীকার করেন। সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মঞ্জুরুল ইসলাম জবানবন্দি গ্রহণ শেষে তাদেরকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।