যশোরে সভাপতি পক্ষে সাফাই গেয়ে সংবাদ সম্মেলন

0
13

সত্যপাঠ ডেস্ক

যশোর জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি শহিদুল ইসলাম মিলনের পক্ষে সাফাই গেয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছেন নাতনি পরিচয়ধারী তহমিনা খাতুন। তহমিনা পাঁচবাড়িয়া গ্রামের আবুল হোসেনের মেয়ে। সোমবার বেলা ১২ টায় প্রেসক্লাব যশোরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, গত ২১ এপ্রিল রাতে শহরের ষষ্ঠিতলাপাড়ায় তার স্বামী ইয়াসির আরাফাতের বাড়ি ভাংচুরের ঘটনা নিয়ে তার নানা শহিদুল ইসলাম মিলনের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। যা বিব্রতকর। সংবাদ সম্মেলনের লিখিত বক্তব্যে তহমিনা উল্লেখ করেছেন, তার স্বামী যৌতুকের দাবিতে তার উপর অত্যাচার চালাতেন। পরে বিষয়টি নানাকে জানান। এরপর নানা ইয়াসিনের সাথে কথা বলে।

এরমধ্যে গত ২১ এপ্রিল তিনি সন্ধার পর বাজারে যান। বাজার থেকে ফিরে আসার পর ইয়াসিন তাকে বাড়ি ঢুকতে দেয়না। ইয়াসিন জানায় সে তহমিনাকে তালকা দিয়েছে । এরপর তহমিনা তার পরিবার ও নানাকে এ বিষয়টি জানান।

তহমিনা আরও জানায়, ‘আমার নানা এক পর্যায় স্বামীর বাড়ির গেটের সামনে আসে। এসে তার পরিচয় দিলেও তারা দরজা খোলেনি। একটা সময় আমার সাথে থাকা আমার বাবা, বোন, আশপাশের লোক ও নানার সাথে থাকা দলীয় লোক দরজা খোলার চেষ্টা করে। একটু ধাক্কা দিতেই দরজা খুলে যায় এবং সবাই ভেতরে প্রবেশ করে।’ একটি স্বার্থান্বেষী মহল রাজনৈতিক ফায়দা নেওয়ার জন্য বিভিন্ন অপপ্রচার চালাচ্ছে বলে উল্লেখ করেন তহমিনা । একই সাথে এ বিষয়ে তার নানা শহিদুল ইসলামকে জড়িয়ে বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় ষড়যন্ত্রমুলক সংবাদ পরিবেশন করা হয়েছে বলে দাবি করে তিনি তার প্রতিবাদ জানান। এসময় তার বোনসহ জেলা ছাত্রলীগের বেশকয়েকজন নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

এদিকে, তহমিনার স্বামী ইয়াসির আরাফাতের পরিবারের দাবি, তহমিনা অবাধ্য আচরণ করতেন। তাকে উচ্ছৃঙ্খল আচরণ থেকে ফেরাতে না পেরে ইয়াসিন ডিভোর্স দেন। এই খবর জানতে পেরে গত ২১ এপ্রিল রাতে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শহিদুল ইসলাম মিলনের নেতৃত্বে ইয়াসির আরাফাতের বাড়িতে হামলা ভাংচুর চালানো হয়। এরপর তহিমনাকে বাদী করে মামলা দেওয়া হয় ইয়াসির আরাফাত ও তার পিতা রবিউল ইসলামের বিরুদ্ধে। ওইদিন রাতেই পুলিশ ইয়াসির আরাফাতকে আটক করে।

অপরদিকে, বাড়িতে হামলা ভাংচুরের ঘটনায় থানায় অভিযোগ দিলেও তা মামলা হিসেবে রেকর্ড করেনি কর্তৃপক্ষ। কোনো ব্যবস্থা নেয়নি পুলিশ।