আকিজ বিড়ি ফ্যাক্টরীতে কর্মচারীদের মারপিট ও কর্মকর্তা আহতের ঘটনায় থানায় অভিযোগ

0
50

বিশেষ প্রতিনিধি

ঝিকরগাছা উপজেলার নাভারণ পুরাতন বাজার আকিজ বিড়ি ফ্যাক্টরী লিমিটেড প্রশাসনিক ভবনে হামলা চালিয়ে কর্মকর্তাদের এলোপাতাড়ী মারপিটহ টাকা, মোবাইল লুটসহ ভাংচুর করে ব্যাপক ক্ষতির ঘটনায় কোতয়ালি মডেল থানায় বিড়ি ফ্যাক্টরীর ১৪ জন শ্রমিকের নামসহ অজ্ঞাতনামা ৩০/৪০ জনের নামে থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

মঙ্গলবার ১৫ ফেব্রুয়ারী রাত সাড়ে ১০ টায় অভিযোগ দায়ের করেন আকিজ বিড়ি ফ্যাক্টরীর সহকারী ব্যবস্থাপক ইনচার্জ ঝিনাইদহ জেলার সদর উপজেলার নারিকেল বাড়ীয়া গ্রামেরু মৃত ইমারত আলী মন্ডলের ছেলে আলমগীর হোসেন।

আসামীরা হচ্ছে, বিড়ি শ্রমিক শার্শা উপজেলার ইসলামপুর কাঠশিকরা গ্রামের তরিকুল ইসলামের ছেলে মামুন হোসেন, ঝিকরগাছা উপজেলার কুন্দিপুর মাঠপাড়া গ্রামের হারুনের ছেলে শাহ আলম, শার্শা উপজেলার ইসলামপুর গ্রামের আব্দুর রশীদের ছেলে গোলাম রসুল, একই গ্রামের মনু মিয়ার ছেলে শাহ আলম, কুন্দিপুর মাঠপাড়ার সবেদ আলীর ছেলে মিন্টু, একই এলাকার হবিবরের ছেলে ইব্রাহিম হোসেন, শিয়ালঘোনা গ্রামের বজলুর রহমানের ছেলে রবিউল ইসলাম, কুন্দিপুর মাঠপাড়া গ্রামের মশিয়ার রহমানের ছেলে ইব্রাহিম হোসেন ওরফে বাবু, জমসেদ আলীর ছেলে মন্টু, বাবলুর ছেলে সুলতান আহম্মেদ, ইসলামপুর গ্রামের হাশেম আলীর ছেলে রাসেল হোসেন, ইদ্রিস আলীর ছেলে মোমিন হোসেন, শমসের এর ছেলে সুমন ও ঝিকরগাছা উপজেলার বেড়ারুপানি গ্রামের আলী হোসেনের ছেলে সুমন হোসেনসহ অজ্ঞাতনামা ৩০/৪০জন।

বাদি তার অভিযোগে বলেন, উক্ত আসামীরা কোম্পানীতে দিন হাজিরার শ্রমিক হিসেবে কাজ করেন। তারা বিড়ির গুনগত মান নিন্মমানের তৈরী করায় কোম্পানীর সুনাম নষ্ট হওয়ায় কোম্পানীর মালিক গত ১৩ ফেব্রুয়ারী সকাল ১০ টায় আসামীদের বিড়ির গুনগত মান আরো করার জন্য বলে। কিন্ত আসামীরা যে ভাবে বিড়ি তৈরী করছে সেই ভাবে তৈরী করবে বলে জানায়। এমনকি তারা এর চেয়ে গুনগত মান ভাল করতে পারবেনা বলে জানায়।

এক পর্যায় ১৪ ফেব্রুয়ারী সকাল সাড়ে ১০ টায় বিড়ি ফ্যাক্টরীর প্রশাসনিক ভবনের সামনে এসে আসামীদের সাথে কর্মকর্তারা কথা বলার এক পর্যায় আসামীরা উত্তেজিত হয়ে মামুন হোসেন তার সহযোগী আসামীদের সহায়তায় কোম্পানীর আঞ্চলিক ব্যবস্থাপক শান্ত কুমার শাহাকে ধাক্কা মেরে ফেলে দেয়। মামুন হোসেনের সহযোগীরা এলোপাতাড়ীভাবে মারপিট শুরু করে।

মারপিটের সময় কোম্পানীর প্রধান চেকার শামিম হোসেন বিি চেকার তাজুল ইসলাম, উৎপাদন কর্মকর্তা কুতুব উদ্দিন, নির্মাণ সুপার ভাইজার জুয়েল রানা, বিল করনিক ফজলুর রহমানসহ কোম্পানীর অন্যান্য কর্মচারী গং ঠেকাতে আসলে উক্ত আসামীরা লাঠি সোটা নিয়ে বেধড়ক মারপিট শুরু করে। শামীম হোসেনের পকেটে থাকা ম্যানিব্যাগের মধ্যে থাকা নগদ ১৪ হাজার টাকা মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেয়। এ সময় আসামীরা উত্তেজিত হয়ে কোম্পানীতে ভাংচুরের হামলা চালিয়ে ১৫লাখ টাকা ক্ষতি সাধণ করেছে। আহতদের আদ্ব-দ্বীন হাসপাতাল সেখান থেকে যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালেভর্তি করা হয় এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত এলাকায় চরম উত্তেজনা চলছে।