মামলায় অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার জন্য মন্দিরা বোসের বিরুদ্ধে অভিযোগ

0
37

কামারখালী প্রতিনিধি

ইউনিয়ন পর্যায়ে সালিশ ও মামলা-মোকর্দমা পরিচালনা করার জন্য গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার সারাদেশের ন্যায় ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলার কামারখালী ইউনিয়নে গত ২০০৬ইং সনের শেষ থেকে মাদারীপুর লিগ্যাল এইড চালু করা হয়েছিল। তখন বেতনভূক্ত কোট সহকারী ছিল মন্দিরা বোস। দীর্ঘ ৯ বছর চলার পর কামারখালী ইউনিয়নে গত ২০১৪ ইং সনের শেষ বন্ধ হয়ে যায়। তারই ধারাবাহিকতা ধরে রাখারজন্য সাবেক চেয়ারম্যান লুৎফর রহমান চালু রেখেছিলেন। সাবেক কামারখালী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জাহিদুর রহমান বিশ্বাস (বাবু) চালু রেখেছেন।

জানা যায়, সেই কোর্ট সহকারী মন্দিরা বোসের কোন বেতন নাই। ইউনিয়ন পরিষদও কোন বেতন দেয় না। তারই আলোকে বাদীর মামলা লেখে কোর্ট সহকারী মন্দিরা বোসের বিরুদ্ধে ইউনিয়ন বাসীর পক্ষ থেকে অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার অভিযোগ শোনা যায়। সংবাদ পেয়ে ইউনিয়ন পরিষদে গিয়ে সত্যতা পাওয়া যায়।

দেখা যায়, তিনি মামলা লেখে বাদীর নিকট থেকে সর্বনিম্ন ৮০০/-থেকে ১৬০০/-টাকা পর্যন্ত নেয় এর পরেও চাহিদা থেকে যায়। আর অভিযোগের রায় লেখতে ২০০০/টাকা নেয়। আবার যারা গরীব মানুষ কম টাকা দেয় তাদের অভিযোগ করে দেরিতে নোটিশ পাঠায় এ অভিযোগ পাওয়া যায়। আবার কেহ কোন বিষয়ে পরামর্শ করতে এলে তাদের তার দপ্তরে অভিযোগ করার ফন্দি আটে। তখন লোভে গরীব মানুষ অভিযোগ করে তার পর ভোগান্তিতে পরে।

এ ছাড়া তার নামে মামলা ও সালিশ করার সময় বিভিন্ন বিষয়ে দোষী করে আরও টাকা নেওয়ার অভিযোগ আছে। যাহা বিগত চেয়ারম্যান জাহিদুর রহমান বিশ্বাস এর নিকট জানালে তিনি কোন ব্যবস্থা নেয় নাই।

এ বিষয়ে কোট সহকারী মন্দিরা বোসের নিকট ফোনে কথা বললে তিনি বলেন, মামলা করতে কয়টা লাগে চেয়ারম্যানের নিকট জিজ্ঞাসা করতে বলেন।

এ ব্যপারে সাবেক চেয়ারম্যানের নিকট জানতে চাইলে তিনি বলেন, ওর কোন বেতন ছিল না তবে মামলা করতে ১০০/২০০টাকা লাগে আর দূরে হলে নোটিশ পাঠাতে গ্রাম পুলিশের ১০০/২০০টাকা লাগে। তাই অভিযোগকারীদের সাথে আলাপ করে জানা যায় তাদের অভিযোগ এই অতিরিক্ত টাকা নেওয়া থেকে পরিত্রান পাওয়ার জন্যবর্তমান এই নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান রাকিব হোসেন চৌধুরী ইরান এর আমলে যেন এ রকম না হয়। আর পরিশেষে তাকে বাদ দিয়ে ইউনিয়ন সচিব যাতে এই সালিশ মামালা মোর্কদমা পরিচালনা করে তার জন্য উপজেলা প্রশাসনের নিকট অসহায় এবং ভোক্তভোগী পরিবার জোর দাবী জানান।