ঝিনাইদহে ৪০ দিনের কর্মসূচীর দুর্নীতি দিয়ে শুরু হল নব নির্বাচিত চেয়ারম্যানের প্রকল্প

0
80

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি

ঝিনাইদহ জেলার সদর উপজেলার ৪ নং কুমড়াবাড়ীয়া ইউনিয়নের নব নির্বাচিত চেয়ারম্যানের দুর্নীতির প্রকল্প শুরু হয়েছে ৪০ দিনের কর্মসূচীর প্রকল্পের মাধ্যমে বলে অভিযোগ উঠেছে। সরকার ঘোষিত গ্রামীণ রাস্তা ঘাট উন্নয়ন ও কাজের বিনিময়ে কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষে ৪০ দিনের কর্মসূচী প্রকল্প। এই প্রকল্পে ঝিনাইদহ সদর উপজেলার কুমড়াবাড়ীয়া ইউনিয়নে ২ টি প্রকল্পে ১১৪ জন শ্রমিক কাজ করার কথা। দুইটি প্রকল্পের একটি হল নগর বাতান ঘোষ পাড়া শ্মশান ঘাটে মাটি দিয়ে রাস্তা তৈরি ও অপরটি কুমড়াবাড়িয়া বটতলা ব্রিজের দক্ষিণ পাশে রাস্তা তৈরি। এই প্রকল্পে প্রতিদিন শ্রমিক প্রতি ৪০০ টাকা করে ১১৪ জন শ্রমিক ৪০ দিন কাজ করবে। তারা সকাল ১০ টা থেকে বিকাল ২ টা পযুন্ত কাজ করবে। এই কাজ ইউনিয়ন পরিষদ বাস্তনায়ন করবে আর কাজের তদারকি করবে উপজেলা প্রকল্প কর্মকর্তা। সপ্তাহে ৫ দিন কাজ করে ৮ সপ্তাহে কাজ শেষ করার কথা।

স্থানীয়দের অভিযোগের প্রেক্ষিতে ১৬ই ফেব্রুয়ারি রোজ বুধবার সাড়ে ১২ টা দিকে নগরবাতান ঘোষপাড়া শ্মশান ঘাটে গিয়ে দেখা যায় যে ২৯ জন নারী পুরুষ শ্রমিক মাটি দিয়ে রাস্তা তৈরি করছে। তাদের সাথে কথা বলে জানা যায় যে তারা কয়েক দিন যাবত ২৯ জন শ্রমিক এই কাজ করছে। এই কাজের পিআইসি আনোয়ার খানিক আগে বাড়ি চলে গেছে। এখান থেকে বেলা ১টা দিকে কুমড়াবাড়িয়া বটতলা ব্রিজের দক্ষিণ পাশে গেলে সেখানেও ২৯ জন শ্রমিক রাস্তা তৈরির কাজ করছে। হিসাব করে দেখা গেছে যে এই প্রকল্পে মোট ব্যায় ১৮২৪০০০ টাকা। ৫৮ জন শ্রমিক দিয়ে কাজ করালে ৫৬ জনের হাজিরা বাবদ ৮ লক্ষ ৯৬ হাজার টাকার দুর্নীতি হবে।

এই প্রসঙ্গে কুমড়াবাড়িয়া ইউপি চেয়ারম্যান সিরাজুল ইসলাম সিরাজ বলেন যে এই প্রকল্পে ১১৪ জন শ্রমিক কাজ করার কথা। তবে কেন শ্রমিক কম তা আমি পিআইসির নিকট থেকে জেনে বলতে পারব। শ্রমিক দের সকল টাকা তাদের নিজ নামে মোবাইলে যাবে যার কারনে শ্রমিকের কম কাজ করিয়ে লাভের কোন সুযোগ নেই।

এই প্রকল্পের ট্যাগ অফিসার জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের সহকারী প্রকৌশলীর সাথে মোবাইলে কথা বললে সে বলে যে আমি আগে ফুরসন্দী ইউনিয়নের দায়িত্বে ছিলাম গতকাল জানতে পারলাম আমাকে কুমড়াবাড়িয়া ইউনিয়নের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। আমি এখন প্রকল্প দেখতে যায় নি। আজ আমার চেয়ারম্যানের সাথে কথা হয়েছে আগামি কাল আমি প্রকল্প দেখতে যাব।

ঝিনাইদহ সদর উপজেলা প্রকল্প কর্মকর্তা নিউটন বাইনের সাথে মোবাইলে কথা বললে সে বলে যে ঐ ইউনিয়নে কতজন কাজ করছে তা আমি অফিসের তালিকা না দেখে বলতে পারব না।