শালিখা খাদ্য গুদামে একই কাজের জন্য ৩জন হওয়ায় দাপ্তরিক কাজের নানা সমস্যা সৃষ্টি

0
34

রবিউল ইসলাম, আড়পাড়া (শালিখা)

শালিখা উপজেলা আড়পাড়া খাদ্য গুদামে একই কাজের জন্য তিন জন হওয়ায় দাপ্তরিক কাজের নানা রকম সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছে। নির্ধারিত চেয়ারটিতে একজন বসলে অন্য দুই জন অফিসের বাইরে বসতে হয়। এছাড়া নির্ধারিত কোয়াটারে একজন থাকলে অন্য দুই জনের কোয়াটার না থাকায় তারা মানবতার জীবনযাপন করছে।

জানা যায়, শালিখা আড়পাড়া খাদ্য গুদামে ৮/৯ বছর পূর্বে এ এসআই পদে খোকন কুমার দাসকে নিয়োগ দেওয়া হয় কিন্তু সে শারীরিক প্রতিবন্ধী হওয়ায় কেরানির কাজ অর্থ্যাৎ লেখালেখির কাজের সুবিধার্থে একই পদের আশালতা অফিসে প্রেশনে নিয়োগ দেওয়া হয়। খোকনকে উপজেলা খাদ্য অফিসে ডেপুটেশনে নিয়োগ দেওয়া হয়। আশালতা এএসআই পদে ৫ বছর কাজ করার পর প্রমোশন পেয়ে এসআই পদে ৪ বছর মোট ৯ বছর এই অফিসে দাপ্তরিক কাছ করছে এবং খোকনের নির্ধারিত কোয়াটারে সে তার আত্বীয় স্বজন নিয়ে বসবাস করছে।

সম্প্রতি দুই তিন মাস পূর্বে অফিসের কম্পিউটারসহ ডিজিটাল কাজের সুবিধার্থে উর্ধতন কর্তৃপক্ষ কম্পিউটারে পারদর্শী এএসআই ফারজানা রহমানকে ডেপুটিশনে নিয়োগ দিয়েছে। ফলে কম্পিউটারে অনবিজ্ঞ আশালতা এবং অভিজ্ঞ ফারজানার মধ্যে অফিসের দাপ্তরিক কাজ একটা মাত্র চেয়ারে বসে কাজ কর্ম নিয়ে নানা রকম সমস্য সৃষ্টি হচ্ছে। ফারজানা এসে কাজ করলে আশালতার বসার জায়গা থাকে। আশালতা এসে কাজ করলে ফারজানার বসার জায়গা থাকে না এবং খোকন অফিসের বেঞ্চে বসে থাকে।

এছাড়া এএসআই খোকনের নির্ধারিত কোয়াটারে এ এসআই ফারজানার বসবাসের কথা থাকলেও বর্তমান এসআই আশালতা আত্বীয় স্বজনকে নিয়ে বহাল তবিয়াতে বসবাস করছে। ফলে ছোট একটি সন্তান নিয়ে ফারজানার মাগুরা থেকে আড়পাড়া আসতে দারুন সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছে।

এছাড়া খোকনকে উপজেলা খাদ্য অফিসে না থেকে গোডাউন অফিসে বসে থাকতে দেখা যায়। এজন্য তিনজনই একই রুমে থেকে কাজ করে থাকলে গ্যাদারিং ছাড়া আর কিছু হচ্ছে না।

এ ব্যাপারে খাদ্য পরিদর্শক ও ভারপ্রাপ্ত খাদ্য কর্মকর্তা আড়পাড়া এলএসডির শফিকুল ইলমাল বলেন আমার অফিসের একই কাজের জন্য অর্থ্যাৎ কেরানী কাজের জন্য তিনজন থাকায় কাজকর্মের দারুন সমস্যা হচ্ছে। আশালতা কম্পিউটার না জানায় কাজ কর্মের ব্যাপক ধীর গতি হওয়ায় কর্তৃপক্ষ কম্পিউটার জানা ফারজানা আক্তারকে সম্প্রতি ডেপুটেশনে বদলি করেছে।

এছাড়া খোকনকে উপজেলা অফিসে দিলেও সে আমার অফিসে বসে থাকে ফলে একই কাজের জন্য তিন জন হওয়ায় নানা রকম সমস্যা হচ্ছে। খোকনের কোয়াটারে একই পদে ফারজানা থাকার নিয়ম থাকলেও আশালতা আত্বিয়স্বজন নিয়ে কোয়াটার বসবাস করছে। তিনি আরও বলেন সকাল বেলা আশালতা সহি করে বাসায় চলে যায়।

এ ব্যাপারে জেলা খাদ্য কর্মকর্তা হাফিজুর রহমান বলেন বিষয়টা জানি অতিসত্বর আশালতাকে তার নির্ধারিত অফিসে অর্থ্যা উপজেলা খাদ্য অফিসে পোস্টিং করার ব্যবস্থা করা হবে। এবং গোডাউনের নিরাপত্তার স্বার্থে তার আত্বিয়-স্বজন নিয়ে অন্যত্র থাকার জন্য পদক্ষেপ নেওয়া হবে।