শৈলকুপা পৌরসভার ৬টি ইটভাটা বৈধ না অবৈধ ?

0
37

আব্দুল জব্বার, শৈলকুপা

ঝিনাইদহের শৈলকুপা পৌরসভার ৬টি ইটভাটা বৈধ না অবৈধ এই প্রশ্ন এখন সাধারণ মানুষের মুখে মুখে। প্রশাসনের নাকের ডগায় পৌরসভার মধ্যে কিভাবে এই ভাটাগুলো অবাধে চলছে তার কোন উত্তর খুজে পাচ্ছে না শৈলকুপা পৌরবাসি। এই সমস্থ অবৈধ ভাটার তালিকায় শৈলকুপা পৌরসভার কাজীপাড়ায় আশা ইট ভাটা সহ আরো ৫টি ইট ভাটা রয়েছে।

পৌরবাসির প্রশ্ন, যদি এই ভাটাগুলো বৈধ হয় তাহলে নিয়মনীতি মেনে চলুক আর যদি অবৈধ হয় তাহলে কিভাবে সবার চোখ ফাঁকি দিয়ে এই ইট ভাটাগুলো চলছে সেদিকে প্রশাসনের দৃষ্টি দেওয়া দরকার।

তবে পরিবেশ অধিদপ্তরের কর্তা ব্যক্তিদের সাথে আলাপ করে জানা যায়, পৌরসভার মধ্যে কোন ইটভাটা পরিচালনা করার সুযোগ নেই। ইতিপূর্বে পরিবেশ অধিদপ্তর কর্তৃক পৌরসভার মধ্যে অভিযান পরিচালনা করলেও তা ছিল প্রশ্নবিদ্ধ। কারণ পৌরসভার মধ্যে যতবার অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে একটি বারও অবৈধ আশা ইট ভাটার কাছেও কেউ যাইনি । এ নিয়ে অন্য ৫টি ভাটার মালিকদের মধ্যে ছিল চাপা ক্ষোভ।

অথচ গত বছরেও পৌর এলাকার ৬টি ভাটার মধ্যে ৫ টি ভাটা গুড়িয়ে দিলেও পৌর এলাকার অবৈধ আশা ইট ভাটায় কেন অভিযান পরিচালনা হয়নি তা নিয়ে ছিল সচেতন মহলে নানা প্রশ্ন।

শৈলকুপার সাধারণ মানুষ চাই সবার জন্য সমান আইন। পৌর এলাকাতে এখনো রয়েছে ৫টি অবৈধ ইটভাটা, যার বৈধতা নেই। মানা হয়নি সরকারী নীতিমালা। সরকারী নিয়ম নীতির তোয়াক্কা না করে হাজার হাজার মন কাঠ দিয়ে ইট পুড়িয়ে চলেছে। একেবারেই জনাকীর্ণ আবাসিক এলাকায় এই ইট ভাটাটির অবস্থান থাকলেও এর বিরুেেদ্ধ এ পর্যন্ত কোন আইনী পদক্ষেপ নেয়া হয়নি। যেগুলো অবিলম্বে গুড়িয়ে দেয়ার দাবি জানিয়েছে পরিবেশ সচেতন মানুষেরা।

এ বিষয়ে পৌর মেয়র কাজী আশরাফুল আজম বলেন,পৌরসভার মধ্যে এভাবে ইট ভাটা চালানোর আইনগত ভিত্তি নেই।

এ বিষয়ে যশোর পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক হারুন অর রশিদ বলেন, পৌরসভার মধ্যে এভাবে ভাটা পরিচালনা করার কোন বৈধ্যতা নেই। আমরা অবৈধ ভাটাগুলোর বিরুদ্ধে অচিরেই আইনগত ব্যবস্থা নিব।

শৈলকুপা পৌর বাসির দীর্ঘদিনের দাবী এই অবৈধ ভাটাগুলোর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হোক।