চৌগাছায় টানা বর্ষণে ফসলের ব্যাপক ক্ষতি

0
56

শ্যামল দত্ত, চৌগাছা

যশোরের চৌগাছায় টানা বর্ষণে চাষীদের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ফুল কপি, সরিষা, মুসরী, গোল আলু, পেয়াঁজ, মরিচ, কলায়, বাধা কপিসহ সব ধরণের সবজি চাষীদের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এখনো যে সব চাষী ধান ঘওে তুলতে পারেননি তাদেও ছাড়াও যারা বোরোর বীজতলা তৈরী করেছিল তারাও পড়েছেন ব্যাপক ক্ষতির মুখে।

উপজেলা কৃষি কর্মকতা সমরেন বিশ্বাষ বরেন (৬ ডিসেম্বার পর্যন্ত তাদের হিসাব ১১.২৫ হেক্টর বরো বীজতলা, ১০ হেক্টর মুসরী, ২.৫০হেক্টর গম, ৫০ হেক্টর সরিষা, ৪০ হেক্টর বিভিন্ন সবজি.৪৭ হেক্টর গোলআলু, ১৫ হেক্টর পিঁয়াজ, ১২ হেক্টর মরিচ সম্পুর্ণভাবে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

তিনি আর বলেন, বলেন, ৩০ হেক্টর বোর বীজতলা পানিতে নিমজ্জিত রয়েছে। রাতে বৃষ্টিপাত হয় তবে সম্পুর্ণ বীজতলা নষ্ট হয়ে যাবে। বীজতলার পানি নিস্কাশন করলে ক্ষতির হতে কিছুটা সফল হতে পারে। বৃষ্টিপাতে গোলআলুর বেশি ক্ষতি হতে পারে।

পাতিবিলা ইউনিয়ন সাথপিুর গ্রামের আজিবর বলেন, দেড় বিঘা জমিতে পিঁয়াজ, ২বিঘা জমিতে গোল আলু লাগিয়েছিলাম শুধুমাত্র বীজ কিনতে খরচ হয়েছে ৮০ হাজার টাকা এছারা সার, শ্রমিক এবং জমির খরচ তো আছে।

পৌর সভার ডিভাইন সেন্টারের পিছনে মাঠে ফারুক হোসেন বলেন, আমার জমীর উপর দিয়ে এখন পানির ¯্রােত যাচেছ আমার সম্পুর্ন ফসল নষ্ট হয়েগিয়েছে। এক সাথে দেড়বিঘা ফসল নষ্ট হয়েছে।

স্বরুপদাহ ইউনিয়ন টেংগুরপুর গ্রামে শেখ তারেখ বরেন দেড়বিঘা জমিতে পিঁয়াজ বীজ কিনতে খরচ হয়েছিল ৬৫ হাজার টাকা টানা বৃষ্টিপাতে জমির ফসল সম্পুর্ণ নষ্ট গিয়েছে।

ইারায়নপুর ইউনিয়নে বাজেখানপুর গ্রামে কামাল হোসেন বলেন, এক বিঘা সরিষা ফুল এসেছিল টানা বৃষ্টিপাতে সব নষ্ট হয়েগিয়েছে।