নির্বাচনে পরাজিত হয়ে ইউনিয়ন পরিষদের আসবাবপত্র নিজ বাড়িতে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ

0
53

বেনাপোল প্রতিনিধি

নির্বাচনে পরাজিত হয়ে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী চেয়ারম্যান হাসান ফিরোজ টিংকু ইউনিয়ন পরিষদ থেকে নানা ধরনের আসবাব পত্র নিয়ে গেছে। ২০১৬ সালের নির্বাচিত চেয়ারম্যান হাসান ফিরোজ টিংকু তৃতীয় ধাপের নির্বাচনে ওই ইউনিয়ন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী আলতাফ হোসেনের নিকট গত ২৮ নভেম্বর পরাজিত হয়। আর গত ৩ ডিসেম্বর সে ওই পরিষদ থেকে চেয়ার, টেবিল, টিভি, এসি, পর্দা, সোফা, র‌্যাক, জতির জনক বঙ্গবন্ধুর ছব্ িসহ বিভিন্ন প্রকার আসবাপত্র নিয়ে গেছে নিজ বাড়িতে। এমনটি অভিযোগ করেছেন সদ্য চেয়ারম্যান নির্বাচিত কায়বার আলতাফ হোসেন।

অভিযোগে আলতাফ হোসেন বলেন, টিংকু নির্বাচনে পরাজয় বরন করে হিতাহিত জ্ঞান হারিয়ে ফেলেছে। সে একটি পরিষদের আসবাব পত্র নিয়ে নিজ বাড়িতে নিয়ে গেছে এটা কোন সভ্য লোকের কাজ নয়। ইউনিয়ন পরিষদ থেকে সে জাতির জনকের ছবি সহ ১০ টি চেয়ার, ১ টি টেবিল, দুইটা সোফা, একটি এসি, একটি টিভি ও তার ট্রলি, জানালা দরজার পর্দা, কার্পেট, জুতার র‌্যাক ইত্যাদি আসবাব পত্র নিয়ে গেছে। টিংকু পরিষদ থেকে এসব নিয়ে যাওয়ার পূর্বে শার্শা থানার ওসি তাকে ফোন করে বলেছে পরিষদ থেকে টিংকু তার জিনিস পত্র নিয়ে যাওয়ার সময় যেন কোন ঝামেলা না হয়।

সাবেক চেয়ারম্যান হাসান ফিরোজ টিংকুর কাছে বিষয়টি জানতে চাইলে তিনি সত্যতা স্বীকার করে বলেন, আমি ইউনিয়ন পরিষদ থেকে যে সব জিনিসপত্র নিয়ে এসেছি তার একটিও ওই পরিষদের নয়। আমার নিজস্ব অর্থায়নে এসব আসবাপত্র ক্রয় করা। আমার জিনিস যদি না হতো তাহলে ইউনিয়নের সচিবই আমাকে বাধা দিত এসব নেওয়া যাবে না। তিনি ্আরো বলেন, করোনার সময় আমার নিজস্ব অর্থায়নে ওই পরিষদে অনেক চাউল ডাউল ছিল তাও আমার লোক আনার সময় আলতাফ হোসেনের লোক বাঁধা দিয়েছে। এগুলো সরকারি টাকায় ক্রয় নয় আমার নিজস্ব টাকায় ক্রয় করা।

কায়বা ইউনিয়ন পরিষদ সচিব আবু জাফর বলেন, চেয়ারম্যান টিংকু যে সব মালামাল ইউনিয়ন পরিষদ থেকে নিয়ে গেছে এগুলো তার নিজস্ব অর্থায়নে ক্রয় করা। যার জন্য আমরা নেওয়ার সময় বাধা দিতে পারি না।

বিষয়টি জানার জন্য শার্শা থানা ওসি বদরুল আলমকে ফোন করলে তিনি ফোন রিসিভ করেন নাই।