অবশেষে ওএসডি হলেন যশোর শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান ও সচিব

0
4

সত্যপাঠ ডেস্ক

যশোর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের ৭ কোটি টাকা আত্মসাতের ঘটনায় চেয়ারম্যান অধ্যাপক মোল্লা আমীর হোসেন ও সচিব অধ্যাপক এএমএইচ আলী আর রেজাকে ওএসসডি করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। চেক জালিয়াতির মাধ্যমে এ অর্থ আত্মসাতের ঘটনা ফাঁস হওয়ার দেড় মাস পর তাদের ওএসডি করা হলো। এর আগে তারা এ ঘটনায় দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলার আসামি হন।

সোমবার মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব ড. শ্রীকান্ত কুমার চন্দ স্বাক্ষরিত এক আদেশে ওই দুজনকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক অধিদপ্তরে সংযুক্তির আদেশ দেয়া হয়েছে।

অন্য আদেশে যশোর সরকারি মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ ড. মো. আহসান হাবীবকে যশোর শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান করা হয়েছে। আর সচিব হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে রাজশাহী এএইচএম কামরুজ্জামান সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ মো. আবদুল খালেক সরকারকে।

এদিকে দুর্নীতি মামলার তদন্ত কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন সংস্থার যশোর কার্যালয়ের উপপরিচালক নাজমুচ্ছায়াদাত।

চেক জালিয়াতির ঘটনার এক মাস সাতদিন পর রিপোর্ট জমা দিয়েছে তদন্ত কমিটি। রিপোর্টে বলা হয়েছে শিক্ষা বোর্ডের ৭ কোটি টাকা জালিয়াতি করে হাতিয়ে নিয়েছে চক্রটি। এর সঙ্গে জড়িত শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান, সচিব ও জালিয়াতি চক্রের প্রধান ভেনাস প্রিন্টিং অ্যান্ড প্যাকেজিংয়ের মালিক রাজারহাট এলাকার বাসিন্দা আবদুল মজিদ আলীর ছেলে শরিফুল ইসলাম বাবু ও শেখহাটী জামরুলতলা এলাকার শাহীলাল স্টোরের মালিক মৃত সিদ্দিক আলী বিশ্বাসের ছেলে আশরাফুল আলম।

গত ৭ অক্টোবর যশোর শিক্ষা বোর্ডে প্রথম জালিয়াতির ঘটনা ধরা পড়ে। এরপর একে একে বেরিয়ে আসে বোর্ড থেকে ৩৬টি চেকের মাধ্যমে হাতিয়ে নেয়া হয়েছে ৭ কোটি টাকা। ১৮ অক্টোবর দুদকের সমন্বিত যশোর কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মাহফুজ ইকবাল এ বিষয়ে পাঁচজনকে অভিযুক্ত করে মামলা করেন।