শৈলকুপায় টিসিবি’র পণ্যের দেখাই মিলছে না

0
21

আব্দুল জব্বার, শৈলকুপা

ঝিনাইদহের শৈলকূপায় টিসিবি’র পণ্যের চাহিদার তুলনায় সরবরাহ একেবারেই কম। জনবহুল উপজেলা হওয়া স্বত্তেও এখানে টিসিবির পন্য নি¤œ ও মধ্যম আয়ের মানুষের হাতের নাগালে মিলছে না। মাঝে মধ্যে দেখা মিললেও প্রয়োজনের তুলনায় মালের বরাদ্দ একেবারেই কম।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন ট্রের্ডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি)’র ভ্রাম্যমান ট্রাকসেল কার্যক্রমের অংশ হিসেবে টিসিবি’র অনুমোদিত ডিলার মেসার্স ভাই ভাই এন্টারপ্রাইজ এর মাধ্যমে মাঝে মধ্যে চিনি, মশুর ডাল, ছোলা, সয়াবিন তেল বিক্রয় করা হয়। নিত্য প্রয়োজনীয় মালের দাম বেড়ে যাওয়ায় সাধারণ মানুষ ঝুকছে টিসিবির পণ্যের দিকে কিন্তু ঠিকমত পণ্য পাচ্ছে না সাধারণ মানুষ।

মাঝে মধ্যে দেখা মিললেও দীর্ঘ লাইনের সবাই পণ্য পায় না। নিম্ন ও মধ্য আয়ের মানুষেরা এর ক্রেতা। চিনি ৫৫ টাকা, মশুর ডাল ৫৫ টাকা, ছোলা ৫৫ টাকা ও সয়াবিন তেল ১০৫ টাকা, পিয়াজ ৫৫ টাকা দরে বিক্রি করা হয়।

শেখপাড়া গ্রামের রেজাউল ইসলাম বলেন, পরিবার নিয়ে খুবই কষ্টে দিন যায়। দিন দিন নিত্য প্রয়োজনীয় মালের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় সংসার চালাতে হিমশিম খাচ্ছি।অনেক দিন পর পর টিসিবির পন্য যা পায় তা প্রয়োজনের তুলনায় একেবারেই কম।

টিসিবি ডিলার আতিয়ার রহমান বলেন, জনবহুল এ উপজেলার মানুষের ব্যাপক চাহিদা থাকা স্বত্তেও চাহিদার তুলনায় ঠিকমত মাল দিতে পারছি না। মাঝে মধ্যে কিছু মাল পেলেও তা সংগে সংগে বিক্রয় হয়ে যায়। লাইনে দাড়ানো সবাইকে মাল দিতে পারি না। সরবরাহ কম থাকায় ঠিকমত টিসিবির পন্য সবাই পায় না।

ক্রেতাদের দাবী, উপজেলাতে টিসিবির পন্যের বরাদ্দ বৃদ্ধি করে সাধারণ মানুষের দৌড় গড়ায় পৌছানোর আহ্বান জানিয়েছে।

এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার কানিজ ফাতেমা লিজা বলেন, বিষয়টি আমার নজরে আছে, ডিসি স্যারের সাথেও কথা হয়েছে। ডিলারের সংখ্যা অচিরেই বৃদ্ধি পাবে। আশা করি বরাদ্দ বৃদ্ধি পাবে। চাহিদারতো শেষ নেই তারপরেও যতদুর সম্ভব চাহিদা পূরণের চেষ্টা করবো।