শার্শার কায়বা ইউপি নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থকদের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ

0
72

বেনাপোল প্রতিনিধি

শার্শার কায়বা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন নিয়ে যে কোন সময় সহিংস ঘটনা ঘটার আশঙ্কা রয়েছে। ওই ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান হাসান ফিরোজ টিংকুর সমর্থকরা স্বতন্ত্র প্রার্থী আলতাফ হোসেনের সমর্থকদের উপর হুমকি ধামকি এবং মারধর দিয়ে এলাকা ছাড়া করার হুমকি দিয়েছে বলে অভিযোগ করেছে স্বতন্ত্র প্রার্থী আলতাফ হোসেন।

আসন্ন শার্শা উপজেলার ১০ টি ইউনিয়নের আগামি ২৮ নভেম্বর নির্বাচন। এই নির্বাচন উপলক্ষে শার্শা উপজেলায় একাধিক ইউনিয়নে ইতিমধ্যে সহিংস ঘটনা ঘটেছে। আবারও নতুন করে সহিংস ঘটনার আশঙ্কা করছে কায়বা ইউনিয়নের সতন্ত্র প্রার্থী আলতাফ হোসেন। তিনি বলেন, এই ইউনিয়নের নৌকা প্রতীকের বর্তমান চেয়ারম্যান হাসান ফিরোজ টিংকু একজন বিতর্কিত চেয়ারম্যান। সে ২০১৬ সালে নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে ইউনিয়নে তাকে যারা ভোট দেয়নি তাদের উপর অন্যায়, অত্যাচার, জুলূম নির্যাতন করেছে তার ক্যাডার বাহিনী দিয়ে। সে ওই সময় একাধিক স্কূল মাদ্রাসায় নিয়োগ বানিজ্য করে কোটি টাকা হাতিয়ে নিযেছে। যা সেই সময় ফলাও করে পত্র পত্রিকায় প্রকাশ হয়েছে। টিংকু চেয়ারম্যান শার্শা উপজেলার কায়বা বাইকোলা ওসমানীয়া দাখিল মাদ্রাসার সভাপতি হিসাবে ঘুষ দুর্নীতির মাধ্যেমে তিন জন শিক্ষক এর নিকট থেকে টাকা নিয়েছেন। এছড়াও তার বিরুদ্ধে মহিষা পীর আব্দুস সোবহান আলিম মাদ্রাসার ৩ জন শিক্ষক ও ১ জন কম্পিউটার অপারেটর ১ জন নিরাপত্তা কর্মী নিয়োগ নিয়ে ২৮ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।

আলতাফ হোসেন আরো জানায় টিংকুর সন্ত্রাসী বাহিনী আমার অনুগত ভোটারদের ভয়ভীতি দেখাচ্ছে। তারা ১২ তারিখে সারা ইউনিয়নে বোমা বিস্ফোরন ঘটিয়ে এলাকায় ভীতি সৃষ্টি করবে যাতে আমার অনুগত ভোটাররা ভোট কেন্দ্রে যেতে না পারে এরকম হুমকি দিচ্ছে এলাকায়। এ ছাড়াও আমি বাদাম তলায় একটি কাবে উঠা বসা করি সেখানে যেয়েও হুমকি দিয়েছে যাতে আমি ওই কাবে না বসি। আমি সন্ত্রাসী কার্যকলাপে বিশ্বাসী নই। আমি চাই জনগনের ভোট নিয়ে নির্বাচনে জয়ী হতে। কোন প্রকার অন্যায়কে আমি প্রশ্রয় দিতে রাজী নই।

কায়বার দাতখালী গ্রামের আবুল হোসেন বলেন, বিগত ৫টি বছর টিংকু চেয়ারম্যান থাকা কালে এই ইউনিয়নের কোন উন্নয়ন হয়নি। উন্নয়ন হয়েছে শুধু টিংকুর। সে করোনা কালীন মহামারিতেও ঠিক মত জনগনের পাশে দাঁড়ায়নি। তার কাছে রুদ্রপুর হাড়িখালী গ্রামের আকবার আলী ত্রান চাওয়ায় টিংকু তাকে বকাবাকি করেএবং হুমকি দেয় । সেই হুমকিতে সে ভয় পেয়ে ওই সময় ষ্ট্রোক করে মারা যায়।

এ বিষয় জানার জন্য কায়বা ইউনিয়ন চেয়ারম্যান হাসান ফিরোজ টিংকুর কাছে কয়েকবার ফোন দিলেও তিনি ফোন রিসিভ করেন নাই।