জাতীয় দলে বড় ধরনের পরিবর্তনের ইঙ্গিত!

0
29

স্পোর্টস ডেস্ক

বড় আসরে ব্যর্থতা মানেই হইচই। উত্তেজক কথাবার্তা। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ বাহিনীর অনুজ্জ্বল পারফরমেন্স ও চরম ব্যর্থতার পর বাংলাদেশেও বইছে সমালোচনার ঝড়। ক্রিকেট দলের সাম্প্রতিক ব্যর্থতায় বর্তমান সভাপতি নাজমুল হাসান পাপনকে দায়ী ও ব্যর্থ বলে মন্তব্য করে টুইট করেছেন বিসিবি সাবেক সভাপতি সাবের হোসেন চৌধুরীও।

সেই বক্তব্য অনেক বড় প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করেছে। এ সব নিয়ে রাজ্যের কানাঘুষা। এর বাইরে তা ক্রিকেট অনুরাগী, ভক্ত ও সমর্থক সবার মাঝেই একটা কৌতূহল, আসলে কী ঘটতে যাচ্ছে?

দলে কোনো পরিবর্তন আসবে কি না? লিটন দাস, সৌম্য সরকার, নাইম শেখ, মুশফিকুর রহীম, আফিফ হোসেন ধ্রুব, নুরুল হাসান সোহান সে অর্থে নামের প্রতি সুবিচার করতে পারেননি।

সমালোচকদের ভাষায় ব্যর্থ হয়েছেন। লিটন দাস ও সৌম্যকে একদমই অপ্রস্তুত ও নার্ভাস মনে হয়েছে। দলের অন্যতম ব্যাটিং স্তম্ভ মুশফিকুর রহীমের কাছ থেকেও প্রত্যাশিত সার্ভিস মেলেনি। আর হার্ড হিটার হিসেবে দলে আসা সোহান-আফিফও দলকে কিছুই দিতে পারেননি।

বিশ্বকাপের বড় মঞ্চে ব্যর্থ ওই একঝাঁক ক্রিকেটারের মধ্য থেকে কেউ বাদ যাবেন কি না? দলের উন্নতি ঘটাতে ব্যর্থ কোচিং স্টাফেও কোনো রবদল ঘটবে কী? তা নিয়েও অনেক প্রশ্ন চারদিকে।

আজ রোববার সে প্রশ্নের জবাব দিয়েছেন খালেদ মাহমুদ সুজন। তিনি আকার-ইঙ্গিতে নয়, সরাসরিই বলে দিয়েছেন, ‘আসলে হুট করেই কোনো বড় ধরনের পরিবর্তনে যাওয়া যায় না। বিসিবি তা যাবেও না। সে পথে হাঁটার কোনো চিন্তা-ভাবনাও নেই। সেভাবে পাইপলাইন তৈরিও নয়।’

তবে দলে পরিবর্তনের সম্ভাবনার কথা তিনি অস্বীকারও করেননি। সে সম্ভাবনাও আছে পরিষ্কার। সুজনের ভাষায়, ‘ম্যাসিভ চেঞ্জ তো আর হঠাৎ করে হয় না। আমাদের তো পাইপলাইন এমন না যে, সব রেডি করা আপনি ইচ্ছে করলেও বড় ধরনের পরিবর্তন করতে পারেন।’

এটুকু বলার পর হঠাৎ করে বড় ধরনের রদবদলের আভাসও দিয়েছেন বাংলাদেশ টিম পরিচালক। বলেছেন, ‘ম্যাসিভ একটা চেঞ্জ আসতেও পারে। সেটি কোন ফরম্যাটে আসবে বা হবে, সেটি তো বলতে পারব না। হতেও পারে।’