৩০০ বছরের সাক্ষী শালিখার দুটি তেঁতুল গাছ

0
59

লক্ষ্মণ চন্দ্র মন্ডল, শালিখা

মাগুরার শালিখা উপজেলার গঙ্গারামপুর গ্রামে ফটকী নদীর কুলে কালের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে তিন শত বছরের দুটি তেঁতুল গাছ। এ গাছ দুটির সঙ্গে ৩০০ বছরের ইতিহাস ও ঐতিহ্য জড়িত হয়ে কালের সাক্ষী হয়েই দাঁড়িয়ে আছে এরা।

গাছ দুটি ঘিরে রয়েছে নানা রহস্য নানা ঘটনা। এ গাছের ডাল পালা যেমন চারদিকে ছড়িয়ে পড়েছে, তেমনি এর গল্প কাহিনীও বছরের পর বছর ধরে ডাল পালা গজিয়েছে। গাছ দেখতে আসে আশপাশের জেলার অনেক দর্শনার্থী। গাছের বিভিন্ন বিষয় পর্যবেক্ষন করেন অনেক ইতিহাস অনুসন্ধানী। এসব বিবেচনায় এলাকাবাসীর দাবী উঠেছে গাছ দুটিকে প্রাচীন ঐতিহ্যের সাক্ষী হিসেবে টিকিয়ে রাখার জন্য।

মুসলিমরা গাছদুটিকে উপকারী বৃক্ষ হিসেবে সমিহ করে। অন্যদিকে হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা নিয়মিত পুজা করে চলেছে। অনেক কান্ত পথিক তেতুঁল গাছের শীতল ছায়াই বিশ্রাম নিয়ে থাকেন। ডাল পাতায় পরিপুর্ন গাছ দুটি যেন পথিকের অভয়াশ্রম। এই বিস্তৃত গাছের দৃষ্টিনন্দন প্রাকৃতিক সৌন্দয্য, পাখীর কলকাকলি মুখরিত শীতল পরিবেশ বিমুগ্ধ চিত্তকে বিস্ময় ও আনন্দে অভিভুত করে। ইকবাল হোসেন নামের এক ব্যক্তি বলেন বাপ দাদার আমল থেকেই দেখে আসছি এই তেতুঁল গাছ। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে আমাদের দাবী, যেন গাছ দুটিকে রক্ষনাবেক্ষনের ব্যাবস্থা করা হয়।

বিশিষ্ট সমাজসেবক ও বাংলাদেশ ব্যাংকের জয়েন্ট সেক্রেটারী কাজী সাহেদ বলেন, এই গাছ ৩০০ বছরের প্রাচীন এবং নদীর তীরে হওয়াই এর শিকড় আগলা হয়ে যাচ্ছে। যখন তখন উপড়ে যেতে পারে। প্রাচীন বৃক্ষ হিসেবে এটি মাগুরা বা সারাদেশের জন্য মুল্যবান সম্পদ। ঐতিহ্যবাহী এ তেতুঁল গাছ দুটি সংরক্ষন করা হলে পর্যটকদের আনাগোনা বাড়বে বলে আমি মনে করি।

শালিখা উপজেলা নির্বাহী অফিসার গোলাম মোহাম্মদ বাতেন বলেন আমরা আজই পানি উন্নয়ন বোর্ডের লোকজন নিয়ে যাচ্ছি। গাছ দুটিকে রক্ষনাবেক্ষন করা হবে। জেলা প্রশাসক মহোদয় এ বিষয়ে খুবই আগ্রহী। খুব অল্প সময়ের মধ্যে ঐখানকার খেয়াঘাট সহ একটি দর্শনীয় স্থান আমরা করে দেবো।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here