যশোর ডিবি পুলিশের হাতে আন্তঃজেলা মোটরসাইকেল চোর চক্রের ১০ জন আটক, ১১টি মোটরসাইকেল জব্দ

0
15

মোকাদ্দেছুর রহমান রকি

যশোর জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশ আন্তঃজেলা মোটরসাইকেল চোর সিন্ডিকেটের ১০ সদস্যকে আটক করেছে। এ সময় চারটি জেলায় অভিযান চালিয়ে ১১ টি মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়েছে। উদ্ধার করা হয়েছে তিনটি মাষ্টার কী, মোটরসাইকেল বিক্রির কুরিয়ার সার্ভিসের রশিদ এবং মোটরসাইকেল বিক্রির ২ লাখ ২৫ হাজার টাকা। বৃহস্পতিবার জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে এক প্রেসব্রিফিং এ মোটরসাইকেলসহ চোরচক্রের ১০ সদস্য আটকের বিষয়ে বর্ণনা দেয়া হয়।

আটক ১০জন হলো, যশোর সদর উপজেলার বালিয়াডাঙ্গা মাঠপাড়ার মতি মোল্লার ছেলে নুর ইসলাম (৩০), সুলতানপুর গ্রামের আব্দুল হামিদের বাড়ির ভাড়াটিয়া গোলাম মোস্তফার ছেলে আল আমিন শেখ (২৮), উপশহর ৭ নম্বর সেক্টরের আব্দুর রহমানের বাড়ির ভাড়াটিয়া মৃত জকির হোসেেেনর ছেলে আক্তার হোসেন (৩৯), বেজপাড়া মাঠপাড়ার আকসেদ গাজীর ছেলে ফারুক গাজী (৩৬), নরেন্দ্রপুর গ্রামের মোহাম্মদ আলীর ছেলে কবির ওরফে নুর ইসলাম (৪০), মাগুরা সদর উপজেলার পার নান্দুয়ালী মোল্লাপাড়ার মৃত মুন্সি মাহমুদুল হকের ছেলে মজিবুল হক (৩৩), আসলাম মোল্লার ছেলে রশিদুল হক (৩২), এনামুল হকের ছেলে চঞ্চল (৩১), যশোরের কেশবপুর উপজেলার কাজীরবেড় গ্রামের আব্দুস সাত্তারের ছেলে সাধু (৩২) এবং রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি উপজেলার স্বর্পবেতেঙ্গা গ্রামের মৃত জোমারত মল্লিকের ছেলে সালাম মল্লিক (৩৬)।

প্রেস ব্রিফিং এ জানানো হয়েছে, যশোরের ঝিকরগাছা ও কেশবপুর এলাকার দুইটি মোটরসাইকেল চুরির মামলা তদন্ত করতে গিয়ে পুলিশ এই সিন্ডিকেটের সন্ধান পায়। গত বুধবার দুপুর থেকে বৃহস্পতিবার ভোর পর্যন্ত যশোর, মাগুরা ও রাজবাড়ির বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে ১০জনকে আটক করা হয়। এ সময় চোরাই ১১টি মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়েছে। তাদের কাছ থেকে মোটরসাইকেল চুরির কাজে ব্যবহৃত তিনটি মাষ্টার কী জব্দ করা হয়েছে।

প্রেসব্রিফিং এ অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাইফুল ইসলাম সাইফ (এডমিন ও অপরাধ) জানিয়েছেন, এই সিন্ডিকেটের সদস্যরা মোটরসাইকেল চুরি করে কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে বিভিন্ন জায়গায় সাপ্লাই করতো। যশোরের এস এ পরিবহন ও জননী কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে চোরাই মোটরসাইকেল পাচার করা হয়েছে বলে পুলিশের কাছে প্রমান আছে।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জানিয়েছেন, সাধারণত কুরিয়ার সার্ভিসে মোটরসাইকেল পাঠানোর সময় সংশ্লিষ্ট গাড়ির কাগজপত্র যাচাই করে নেয়া হয়। বুকিং হওয়া গাড়ির রেজিষ্ট্রেশনের ছায়াকপি কুরিয়ার সার্ভিস কর্তৃপক্ষ নিয়ে থাকে। কিন্তু কী ভাবে উদ্ধার হওয়া মোটরসাইকেল কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে পাচার হলো তা তদন্ত করে দেখা হবে। আটক ১০জনের বিরুদ্ধে কোতয়ালি থানায় একটি মামলা হয়েছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here