যশোর পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর মোস্তফাসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা

0
115

বিশেষ প্রতিনিধি

জাল জালিয়াতির আশ্রয় নিয়ে দুটি মিথ্যা মামলা দায়েরের অভিযোগে যশোর পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর গোলাম মোস্তফাসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে মঙ্গলবার আদালতে মামলা হয়েছে। শহরের সিটি কলেজপাড়ার রুহুল আমিনের ছেলে ব্যবসায়ী সাইদুর রহমান রানা মামলাটি করেছেন। জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মো. সাইফুদ্দীন হোসাইন অভিযোগ আমলে নিয়ে তদন্তপূর্বক প্রতিবেদন দাখিলের জন্য পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে আদেশ দিয়েছেন।

সাবেক পৌর কাউন্সিলর গোলাম মোস্তফা বাদে অপর আসামিরা হলেন, মোছা. ফাতেমাতুজ জোহরা, তার মা মোছা. হাফিজা বেগম এবং ভাই সোনা মিয়া ও মহাসিন আলী। তবে মামলায় আসামি মোছা. ফাতেমাতুজ জোহরা এবং মা ও ভাইদের ঠিকানা উল্লেখ করা হয়নি।

ব্যবসায়ী সাইদুর রহমান রানা মামলায় উল্লেখ করেছেন, অন্যায়ভাবে মোটা অংকের টাকা আদায়ের জন্য আসামিরা একজোট হয়ে ষড়যন্ত্রমূলক বিয়ের কোনো প্রমাণপত্র ছাড়াই ফাতেমাতুজ জোহরাকে স্ত্রী সাজিয়ে সাইদুর রহমান রানার বিরুদ্ধে আদালতে যৌতুক নিরোধ আইনে একটি মিথ্যা মামলা করেন। যার সিআর নং-৩৮/২১। এই মিথ্যা মামলা দায়ের পর আসামিরা তার কাছে ৩ লাখ টাকা দাবি করেন।

তাকে বলা হয়, ৩ লাখ টাকা দিলে তার বিরুদ্ধে দায়ের করা যৌতুক নিরোধ আইনের মামলাটি প্রত্যাহার করে নিবেন তারা। কিন্তু তিনি তাদের প্রস্তাবে রাজি না হলে তারা তাকে গালিগালাজ করেন এবং তার বিরুদ্ধে আরও মিথ্যা মামলা দিয়ে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার হুমকি দেয়া হয়। সেই সাথে তারা হুমকি দিয়ে একথা বলেন যে, তার কাছ থেকে ৩ লাখ টাকা আদায় করে ছাড়বেন।

এ ঘটনার পর গত ১০ জুন সাইদুর রহমান রানা সদর সহকারী জজ ও পারিবারিক আদালত হতে একটি মামলার সমন হাতে পান, যার নং-৪১/২১। পরে মামলার নকল তুলে জানতে পারেন, ফাতেমাতুজ জোহরা এবং তার সাথে অভি রহমান নামে একটি শিশুকে বাদী বানিয়ে দেনমোহর, ভরনপোষণ ও খোরপোষ দাবি করে সাইদুর রহমান রানার বিরুদ্ধে আদালতে মামলাটি (নং-৪১/২১) করেছেন। এই মামলায় বিয়ের প্রমাণ হিসেবে জাল প্রত্যায়নপত্র দাখিল করা হয়েছে। কিন্তু স্ত্রী দাবি করলেও ফাতেমাতুজ জোহরার সাথে তার আদৌ বিয়ে হয়নি এবং অভি রহমান তার ঔরসজাত সন্তান নয়।

মূলত সাইদুর রহমান রানার কাছ থেকে ৩ লাখ টাকা চাঁদা আদায়ের জন্য আসামিরা জাল জালিয়াতির আশ্রয় নিয়ে তার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের করেছেন। এ কারণে তিনি সুবিচার পেতে আসামিদের বিরুদ্ধে আদালতে এই মামলা করেছেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here