স্বাধীন সার্বোভৌম ভুখন্ড বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করেছেন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান : মেয়র লিটন

0
61

বেনাপোল প্রতিনিধি

‘বঙ্গবন্ধুকে চেন ও জান’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে নিয়ে যশোর জেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক বেনাপোল পৌর মেয়র আশরাফুল আলম লিটন বলেছেন, অসাম্প্রদায়িক চেতনার বাংলাদেশকে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পরাধিন পাকিস্তানি হানাদারদের হাত থেকে মুক্ত করেছেন। বার বার অন্যায় অত্যাচার এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করে জেল খেটেছেন। তবুও তিনি সবকিছু সহ্য করে স্বাধীন সার্বোভৌম আলাদা ভুখন্ড বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করেছেন। তিনার অসমাপ্ত স্বপ্ন পুরুন এর জন্য কন্যা শেখ হাসিনা নিরলস কাজ করে যাচ্ছে । তিনি শিশুদের জন্য নানা কর্মসুচী নিয়ে কাজ করছেন। জাতির জনক এবং শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের ৪৬ তম শাহাদত বার্ষিকীতে ১৫ আগষ্টের সকল শহীদদের স্মরনে এবং বেনাপোল পথ শিশুদের নিয়ে জাতির জনকের চিত্রাংকন প্রতিযোগিতার পৃথক অনুষ্ঠানে বেনাপোল পৌরসভা ও বিয়ে বাড়ি কমিউনিটি সেন্টারে প্রধান অতিথি হিসাবে এসব কথা বলেন যশোর জেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক বেনাপোল পৌর মেয়র আশরাফুল আলম লিটন।

রোববার বেলা ১১ টার সময় বেনাপোল পৌর বিয়ে বাড়ি শিশু বন্ধু কাব আয়াজিত পথ শিশুদের চিত্রাংকন ও উপহার ও খাবার বিতরন অনুষ্ঠান এবং বেলা ১২ টার সময় বেনাপোল পৌর সভা আয়োজিত জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও বঙ্গমাতা শেখ ফজিলা তুন্নেছা মুজিব সহ ১৫ আগষ্টের সকল শহীদদের স্মরনে গভীর শোক ও দোয়া অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন মেয়র আশরাফুল আলম লিটন। পৃথক অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন যশোর জেলা আওয়ামীলীগের উপদেষ্টা মন্ডলীর সদস্য ও বেনাপোল পৌর আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত আহবায়ক আহসান উল্লাহ মাষ্টার ও শিশু বন্ধু কাবের সভাপতি আব্দুল্লাহ আল মামুন।

প্রধান অতিথি মেয়র আশরাফুল আলম লিটন বলেন, জাতির জনক ছাত্র জীবন থেকে লড়াই সংগ্রাম করে আসছে অসহায় দুঃখী মানুষের জন্য। তিনি কোলকাতা ইসলামিয়া কলেজ থেকে লেখা পড়া শেষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪র্র্থ শ্রেনীর কর্মচারীর প্রতি নির্যাতন নিপীড়নে বঙ্গবন্ধু তাদের পাশে দাঁড়ায়। এবং আন্দোলন সংগ্রাম করে। এতে তিনার ছাত্রত্ব বাতিল এবং জরিমানা করেন। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তিনাকে জরিমানা দিতে বলেন। কিন্তু তিনি কোন অন্যায় করেন নাই তাই জরিমানা না দেওয়ায় তার ছাত্রত্ব বাতিল করে। এবং তিনি প্রমম এই আন্দোলনে কারাবরন করেন। ১৯৫২ সালে তিনি জেল থেকে যখন দেখলেন পাকিস্তানীরা অন্যায় অবিচার করে বাংলা ভাষাকে পদদলীত করছে এবং উর্দুকে রাষ্ট্র ভাষা করার ষড়যন্ত্রের নীল নকশা আঁকছে তখন তিনি জেল থেকে অনশন শুরু করেন মাতৃভাষার দাবিতে। এবং জেল থেকে আন্দোলন সংগ্রামের জন্য তার সহযোগিদের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করেন।

তিনি ১৯৬৬ সালের ছয় দফা দিয়ে মুক্তি আন্দোলনকে পরিস্কার করে এবং ১৯৬৯ সালের গনঅভ্যুত্থানের নেতৃত্ব দিয়ে ১৯৭০ সালের নির্বাচনে জয়ী হলেন। এরপরও যখন পাকিস্তানীরা ষড়যন্ত্র করতে াকল তখন তিনি বলল আমি প্রধান মন্ত্রীত্ব চাই না আমি এদেশের মানুষের ন্যায্য অধিকার চাই। তিনি এদেশের মানুষের স্বাধিকার আদায়ের জন্য মুক্তির জন্য ৭ মার্চ যে ভাষন দিয়েছিলেন সেই ভাষনে বাঙালী জাতি উজ্জিবিত হয়ে ৯ মাস যুদ্ধ করে স্বাধীনতা অর্জন করেন। কিন্তু দুর্ভাগ্য আমাদের বাঙালীর এই অবিসংবাদিত নেতা শেখ মুজিবুর রহমানকে তারই হাতে গড়া বিপথগামী সেনা বাহিনী হত্যা করে কলঙ্ক লেপন করল।

বেনাপোল পৌর সভায় দোয়া অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পৌর প্যানেল মেয়র সাহাবুদ্দিন মন্টু, সচিব রফিকুল ইসলাম, প্রকৌশলী মোশারফ হোসেন, কাউন্সিলার আব্দুল জব্বার, কামরুন নাহার আন্না, জুলেখা খাতুন সহ পৌর সভার সকল কর্মচারী কর্মকর্তা বৃন্দ। এছাড়া বেনাপোল পৌর বিয়ে বাড়ি বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, বেনাপোল পৌর আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত আহবায়ক আহসান উল্লাহ মাষ্টার, শিশু বন্ধু কাবের উপদেষ্টা এমদাদুল হক বকুল, বেনাপোল পৌর ৯ ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক আশাদুজ্জামান আশা।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here