চৌগাছায় কমেছে করোনা শনাক্তের হার

0
20

শ্যামল দত্ত, চৌগাছা

যশোরের চৌগাছায় একদিকে কমেছে করোনা শনাক্তের হার। জুলাই মাসে চৌগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ২২ দিনে করোনা পরীক্ষার নমুনা নেয়া হয়েছে ৯৩১ জনের। যার মধ্যে শনাক্ত হয়েছে ৩৬০ জনের। মাসের ২, ৫, ৯, ১৬, ২০, ২১, ২২, ২৩ ও ৩০ তারিখে সাপ্তাহিক ও ঈদের ছুটিতে নমুনা নেয়া হয়নি। এ মাসে উপজেলায় করোনা ভাইরাসে মারা গেছেন ৪ জন। এছাড়া উপসর্গে মৃত্যু হয়েছে আরও ১৫ জনের।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা যায়, জুলাই মাসে নেয়া ৯৩১ জনের মধ্যে করোনা শানাক্ত হয় ৩৬০ জনের। গড় শনাক্তের হার ৩৮.৬৬ ছিল শতাংশ। এরমধ্যে ১৩৬ জনের শনাক্ত হয় হাসপাতালে র‌্যাপিড পরীক্ষায়। অন্য ২২৪ জনের শানাক্ত হয়েছে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ^বিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) জিনোম সেন্টারে আরটিপিসিআর ল্যাবে।

জুলাই মাসের প্রথম ৭দিনে (১, ৩, ৪, ৬, ৭, ৮ ও ১০ জুলাই) উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মোট ২৯৫ জন করোনা নেয়া হয়। এতে শনাক্ত হয় ১১৮জনের। যার ৪০ জনের শনাক্ত হয় র‌্যাপিড পরীক্ষায়। অন্য ১১৪ জনের যবিপ্রবি’র আরটিপিসিআর ল্যাবে। প্রথম ৭দিনে উপজেলায় শনাক্তের হার ছিল ৫২.২০ শতাংশ। জুলাইয়ের শেষ ৭ দিনে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নমুনা নেয়া হয় ২৮৬ জনের। এতে করোনা শনাক্ত হয় ৯২ জনের। এরমধ্যে র‌্যাপিড পরীক্ষায় শনাক্ত হয় ৪৭ জনের। অন্য ৪৫ জনের শনাক্ত হয় যবিপ্রবি’র আরটিপিসিআর ল্যাবে। জুলাইয়ের শেষ ৭ দিনে (২৪, ২৫, ২৬, ২৭, ২৮, ২৯ ও ৩১ জুলাই) শনাক্তের হার নেমে দাড়িয়েছে ৩২.১৬ এ।

এছাড়া আগস্টের প্রথম তিন দিনে নমুনা নেয়া হয়েছে ১১৪ জনের। এরমধ্যে ১ জুলাইয়ের ৩৮ নমুনায় র‌্যাপিড পরীক্ষায় ৪ জন এবং যবিপ্রবি জিনোম সেন্টারে ৫ জনের করোনা শনাক্ত হয়। ২ জুলাইয়ের ৩৩ নমুনায় র‌্যাপিড টেস্টে ৫জন এবং জিনোম সেন্টারে ২ জন, ৩ জুলাইয়ের ৪৩ নমুনায় র‌্যাপিড টেস্টে ৩ ও জিনোম সেন্টারে ৭ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। ৪ জুলাইয়ের ২৭ নমুনায় র‌্যাপিড টেস্টে ৫ জন এবং ৫ জুলাইয়ের ২০ নমুনায় ৩ জনের র‌্যাপিড টেস্টে করোনা শনাক্ত হয়েছে। ৩৭টি নমুনা যবিপ্রবি জিনোম সেন্টারে পরীক্ষার অপেক্ষায় আছে।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. লুৎফুন্নাহার লাকি বলেন, জুলাই মাসের শেষ দিক থেকে শনাক্তের হার কিছুটা কমেছে। তিনি বলেন, শুক্রবার ছাড়া প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে বেলা ১১টা পর্যন্ত নমুনা রেজিষ্ট্রেশন করে বেলা ১২টা থেকে নমুনা নেয়া হয়। নমুনা নিয়ে হাসপাতালে র‌্যাপিড পরীক্ষায় যাদের শনাক্ত হয় তাদের তখনই কোয়ারেন্টিনে থাকার নির্দেশনা দেয়া হয়। অন্য নমুনাগুলো যবিপ্রবি’র জিনোম সেন্টারে পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here