টিকা রেজিষ্ট্রেশন করেও মেসেজ না পেয়ে ছুটছে স্বাস্থ্য বিভাগ দপ্তরগুলোতে

0
50

মোকাদ্দেছুর রহমান রকি

সংক্রমন করোনা ভাইরাস প্রতিরোধ মূলক টিকা দিতে যশোরের সব শ্রেনীর মানুষ এখন উদগ্রীব। অথচ টিকা দেওয়ার জন্য রেজিষ্ট্রেশন করে মেসেজ না পেয়ে হাজার হাজার মানুষ জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়, সদর উপজেলা থানা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা কার্যালয়ে ঘুরপাক খাচ্ছে।

টিকার জন্য রেজিষ্ট্রেশন করে দুই সপ্তা থেকে তিন সপ্তার অধিক সময় অতিক্রান্ত হলেও টিকা দেওয়ার নির্দেশনা মেসেজ না পাওয়ায় টিকা গ্রহন করতে পারছেনা রেজিষ্ট্রেশন করা বিভিন্ন পেশার নারী পুরুষ।

জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ে মেসেজ এর জন্য গেলে সেখান থেকে বলা হচ্ছে সদর উপজেলা পরিষদে সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার কার্যালয় যেতে সেখানে গেলে বলা হচ্ছে ঢাকা স্বাস্থ্য মন্ত্রনালয়ে আইসিটি কার্যালয় থেকে মেসেজ দিচ্ছে। মেসেজ পাওয়ার জন্য একদম সহজ উপায় জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ে ও যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে থাকলেও তা সম্প্রতি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

খোঁজ খবর নিয়ে জানাগেছে, যেখানে সরকার দেশের জনগনকে করোনা ভাইরাসের সংক্রমন হাত থেকে রক্ষা করতে বিদেশ থেকে মূল্য দিয়ে টিকার ভ্যাকসিন নিয়ে এসেছে। সেখানে যশোরের মানুষ করোনা ভাইরাস প্রতিরোধ টিকা গ্রহনের জন্য বিভিন্ন কম্পিউটারের দোকানের মাধ্যমে সরকারের স্বাস্থ্য সুরক্ষা অপশনের মাধ্যমে কিছু অর্থ দিয়ে রেজিষ্ট্রেশন করছে। রেজিষ্ট্রেশন করার পর করোনা ভাইরাসের প্রথম ডোজ টিকা দেওয়ার নিদের্শনা হিসেবে মেসেজ পাওয়ার জন্য এক সপ্তা থেকে দুই সপ্তা অতিক্রান্ত হয়ে তিন অনেকের তিন সপ্তা পার হয়ে প্রায় মাস খানেক নিয়েছে।

তাদের অনেকের মেসেজ না আসায় টিকা ডোজ দেওয়ার ইচ্ছে থাকলেও দিতে পারছেনা। মেসেজ না পেয়ে সপ্তা খানেক পূর্বে যশোরের বিভিন্ন পেশার মানুষ যশোর সিভিল সার্জন কার্যালয়ে ও যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে একটি কক্ষে জেলা সিভিল সার্জনের অধীনে কম্পিউটার দিয়ে মেসেজ পাওয়ার জন্য জাতীয় পরিচয়পত্রের নাম্বার দিয়ে মেসেজ পাওয়ার নিশ্চয়তা করা হচ্ছিল।

সপ্তা খানেক যাবত যশোর সিভিল সার্জন কার্যালয় ও যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের মাধ্যমে মেসেজ এর জন্য চালু রাখা ব্যবস্থা বন্ধ করে দেওয়া হয় অজ্ঞাত কারনে। যার কারনে যশোরে হাজার হাজার নারী পুরুষ করোনা ভাইরাসে ভ্যাকসিন টিকা দেওয়ার মেসেজ না পেয়ে হতাশার মধ্যে দিনাতিপাত করছে।

সূত্রগুলো বলেছে, সিভিল সার্জন কার্যালয় থেকে মেসেজ এর জন্য বলা হচ্ছিল সদর উপজেলা পরিষদের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ে যান । সেখানে গিয়েও মেসেজ পাওয়ার নিশ্চয়তা না পেয়ে হায় হুতাশ করছে হাজার হাজার নারী পুরুষ।

এ ব্যাপারে মঙ্গলবার ৩ আগষ্ট যশোর সদর উপজেলা স্বাস্থ্য পরিবার ও পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাক্তার মীর আবু মাউদের মুঠো ফোনে এ প্রতিবেদন ফোন করে জানতে চান রেজিষ্ট্রেশন করে মেসেজ না পেয়ে একজন ব্যক্তি কিভাবে করোনা ভ্যাকসিন টিকা দিবে। আপনার দপ্তরে জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয় দপ্তর থেকে নারী পুরুষদের পাঠানো হচ্ছে।

তিনি উত্তরে বলেন, তার দপ্তর থেকে মেসেজ এর জন্য কোন ব্যবস্থা করা হয়না। মেসেজ দেন স্বাস্থ্য মন্ত্রনালয়ের আইসিটি বিভাগ। সেখান থেকে মেসেজ পাঠালে টিকা দেওয়া যাবে। তাহলে কি যশোরের মানুষ মেসেজ না পেয়ে সংক্রমন করোনা ভাইরাস প্রতিরোধ ১ম ডোজ টিকা পাবে কি এমন প্রশ্ন দেখা দিয়েছে যশোরের সর্ব মহলে। এ ব্যাপারে খুলনা বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকসহ স্বাস্থ্য মন্ত্রীর আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন যশোরের বিভিন্ন পেশার মানুষ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here