জোরপূর্বক ঘেরের বেড়ীবাধ কাটায় বাধা দেওয়ায় মারধর ও শ্লীলতাহানির অভিযোগ

0
37

আশাশুনি প্রতিনিধি

আশাশুনির খাজরায় জোর পূর্বক ঘেরের বেড়ীবাধ কাটায় বাধা দেওয়ায় মারধর ও শ্লীলতাহানির অভিযোগ পাওয়াগেছে। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার খাজর ইউনিয়নের দেয়াবর্ষিয়া গ্রামে। এঘটনায় আহত ভোলানাথ গাইন ও তার স্ত্রী কনিকা গাইন সহ কয়েকজন আহত হয়ে আশাশুনি হাসপাতালে ভর্তি ও প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছে।

থানায় লিখিত অভিযোগ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, বিগত রাতে প্রবল বর্ষনে এলাকার মৎস্যঘের তলিয়ে গেলে সকালে ভোলানাথ গাইন এর স্ত্রী কনিকা গাইন তার মৎস্য ঘেরে যেয়ে দেখে ওই এলকার মৃত ধীরেন্দ্রনাথ মন্ডলের পুত্র মন্ডল তার ঘেরের আইল কেটে তছনছ করে দিচ্ছে। এতে বাধা প্রদান করলে তাকে অশ্লিলিন ভাষায় গালিগালাজ ও গলা ধাক্কা দিয়ে বের করে দেয়।

কানিকা রাণী বিষয়টি তার স্বামীকে ভোলানাথকে জানালে তারা উভয় আবার ঘের রক্ষার জন্য দ্রুত ছুটে এসে ঘের বেড়ীবাধ কাটতে বাধা প্রদান করলে বিমল মন্ডলের নেতৃত্বে অরুন মন্ডল, স্বপন মন্ডল, সমিত মন্ডল, সুভাষ মন্ডল অসহ ১৫/২০জন এসে তার উপর হামলা করে ও ঘেরের গলদা চিংড়ী মাছ জাল দিয়ে ধরে লুট করে দিয়ে যায়।

ভোলানাথ জানান, প্রতিপক্ষরা ইতি পূর্বে আমার ঘেরের মটর চুরি করেছে আজ আমার আামাকে হত্যার জন্য ঘেরে পানিতে চুবাইতে থাকে। এসময় আমার প্রতিবেশীরা আমাকে ঠেকাইতে আসলে তারা তাদেরকেও লোহার রড দিয়ে পিটিয়ে আহত করেছে।

এছাড়াও আসামীরা কনিকা রাণীকে বেআব্রু ও শ্লীলতাহানি করে তার গলায় থাকা আট আনা ওজনের চেইন ছিনিয়ে নিয়ে যায়। প্রত্যক্ষদর্শি ছবি রাণী গাইন, মধু গাইন, কনিকা ও কালিমতি গাইন জানান। দীর্ঘদিন ধরে ভোলানাথ গাইন উক্ত ঘেরটি করে তার সংসার জীবিকা নির্বাহ করে আসছে। কিন্তু বিমল গংদের কুনজর পড়েছে ভোলানাথ গাইনের উপর। তার ঘের দিয়ে জল সরানোর পাইপ থাকলেও তারা জোর পুর্বক গায়ের পড়ে তার ঘেরের আইলকেটে নদীর সাথে একার করেদিয়ে তার অন্ততপক্ষে দেড়লক্ষ টাকার ক্ষতিসাধন করেছে।

স্থানীয় সুশিল গাইন জানান, তাদের হাতে লোহার রড, বাশের লাঠি, কোদাল, কুড়াল ইত্যাদি দিয়ে ভোলানাথ ও তার স্ত্রীকে অহেতুক মারধরকরতে থাকে এসেময় আমরা ঠেকাইতে গেলে তারা আমাদেরকেও মারধর করে।

আশাশুনি থানার ডিউটি অফিসার জাহিদুজ্জামান জানান, ভোলানাথ মন্ডল বাদী হয়ে একটি এজাহার থানায় দায়ের করেছে। তবে উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষ তদন্তপুর্বক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here