বেনাপোলে ১২ হাজার পরিবারে মধ্যে খাদ্য বিতরণ

0
34

বেনাপোল প্রতিনিধি

করোনাকালীন সময়ে মানুষের পাশে সেবার কাজে নিয়োজিত রয়েছেন বেনাপোল পৌর মেয়র আশরাফুল আলম লিটন। এসময়ে অসুস্থ রোগীর স্বজনদের মাঝে খাবার বিতরণ, মুমুর্ষ রোগীকে অক্সিজেন সরবরাহ, মাস্ক বিতরণ এমনকি বিনা মুল্যে এ্যাম্বুলেন্স ভাড়া করেও সেবা দিচ্ছেন তিনি। ইতিমধ্যে পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে বেনাপোল পৌর সভায় তিনি ১২ হাজার পরিবারকে খাবার সরবরাহ করেছেন।

এর মধ্যে সরকারের দেওয়া ত্রান বিতরণ করেছেন ৮ হাজার পরিবারকে ও নিজের তহবিল থেকে বিতরন করেছেন ৪ হাজার পরিবারকে। ঈদের পর তিনি নিজ অর্থায়নে আরো খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করবেন বলে জানা গেছে।

এর আগে গত বছর ২০২০ সালের ১৫ এপ্রিল করোনা শনাক্ত হওয়ার পর থেকেই বেনাপোল পৌর মেয়র আাশারাফুল আলম লিটন মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন। ওই সময় থেকে তিনি এই জনপদের কর্মহীন ঘরবন্দী মানুষকে কয়েক দফায় খাদ্য সরবরাহ করেছেন। তার সাথে তার পরিবারের সহোদররাও খ্যাদ্য ও চিকিৎসা সহয়তা দিয়েছেন বেনাপোল পৌর এলাকার মানুষকে। পৌর সভার প্রত্যান্ত এলাকায় পৌছে দিয়েছে খাদ্য সামগ্রী। এছাড়া আমফান ঝড়েও ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারকে দিয়েছেন খাদ্য, চিকিৎসা ও নগদ অর্থ। করোনা প্রতিরোধের জন্য চলমান রয়েছে মাস্ক ও হ্যান্ড স্যানিটাইজার বিতারন।

এরই ধারাবাহিকতায় গত বছর থেকে চলছে মুমুর্ষ রোগীদের অক্সিজেন সহায়তা । এছাড়া ভারত ফেরত যাত্রীদের সরকারের ঘোষনা অনুযায়ী ১৪ দিন কোয়ারেন্টাইনে থাকা হোটেলে হোটেলে করছে মাঝে মধ্যে খাদ্য বিতরন। পৌর সভার এলাকায় মানুষকে সচেতন করছে মাইকিং করে কখনো আবার মাস্ক, হ্যান্ডস্যানিটাইজার বিতারন, জীবানু নাশক ঔষুধ দিয়ে শহরকে স্প্রে করা। রাস্তাঘাটে ইজিবাইক মোটর সাইকেল, বাইসাকেল সহ সকল যানবাহনে ছিটানো হচ্ছে জীবানু নাশক ঔষুধ।

বেনাপোল পৌরসভার দিঘিরপাড় গ্রামের তৈয়বুর রহমান বলেন, আর্তমানবতার সেবায় নিয়োজিত রয়েছেন বেনাপোল পৌর মেয়র লিটন। এই করোনাকালীন সময়ে তিনি তার স্বেচ্ছাসেবকদের দিয়ে এবং নিজে জীবনের ঝুকি নিয়ে করোনা আক্রান্ত মানুষকে সাহয্যে করছে। তিনি বেনাপোলে করোনা আক্রান্ত রোগীদের বাড়ি বাড়ি যেয়ে ফল, ফুল ও চিঠি দিয়ে উৎসাহ যুগিয়েছেন। এছাড়া করোনার শুরু থেকে বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে ফ্রি হোম ডেলিভারী, সবজি ও খাদ্য সামগ্রী দিয়েছেন মেয়র লিটনের অনুপ্রেরণায় যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতা কর্মীরা।

এ বিষয় মেয়র লিটন বলেন, আমাদের এই জনপদের মানুষ ভাল থাকলে আমি ভাল থাকব। আমার নাগরীকরা ভালো না থাকলে আমারও ভালো থাকার কথা না। তাই সরকারের দেওয়া, প্রধান মন্ত্রীর ব্যক্তিগত তহবিল থেকে দেওয়া ত্রানের পাশাপাশি আমি আমার সামর্থ অনুযায়ী মানুষের পাশে আছি। যতদিন এই মহামারি থাকবে ততদিন আমি আমার পৌর নাগরীকদের ছেড়ে কোথাও যাব না। কারন এই সময় আমি সহ এই জনপদের সকল বিত্তবানদের মানব কল্যানে নাগরিকদের পাশে এগিয়ে আসা উচিৎ। আজ সৃষ্টির শ্রেষ্ট জীব এই মানব জাতী খুব অসহায়। এরা আজ অদৃশ্য মহামারির জন্য ঘর থেকে বের হতে পারছে না। তাই আমরা যারা যে যত টুকু পারি যদি তাদের পাশে গিয়ে দাঁড়াই তবে কেউ না খেয়ে মরবে না।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here