২১ ঘণ্টা পর নিভল রূপগঞ্জের কারখানায় আগুন

0
33

সত্যপাঠ ডেস্ক

বৃহস্পতিবার বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের কর্ণগোপ এলাকায় হাশেম ফুডস অ্যান্ড বেভারেজ কারখানায় আগুন লাগে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের ১১টি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নেভানোর কাজ শুরু করে। পরে আসে আরও সাতটি ইউনিট। দীর্ঘ ২১ ঘণ্টা পর শুক্রবার বেলা আড়াইটায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।

শুক্রবার দেড়টার দিকে ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা কারখানার ভেতর থেকে একের পর এক ৪৯ জনের মরদেহ বের করে আনেন। এখনও উদ্ধার কাজ চলছে।

বেলা আড়াইটায় ফায়ার সার্ভিসের একজন কর্মকর্তা বলেন, এখনও বহু শ্রমিক নিখোঁজ রয়েছে। ভবনের পঞ্চম ও ষষ্ঠ তলায় এখনও আগুন জ্বলছে। আগুন নেভানোর পর ওইসব ফোরে উদ্ধার অভিযান শুরু করা হবে। ওই দুই ফোরে আরও অনেক মরদেহ থাকতে পারে বলে জানান তিনি।

কারখানায় আগুন লাগার সময় ভবনের চতুর্থ তলার ফোর তালাবদ্ধ থাকায় শ্রমিকরা কেউ বের হতে পারেনি। তালা ছিল কলাপসিবল গেটেও। এ কারণে প্রাণহানির সংখ্যা বেড়েছে বলে জানিয়েছেন ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা। তারা জানান, ফোর তালাবদ্ধ না থাকলে এতো প্রাণহানি হতো না।

বেঁচে যাওয়া শ্রমিকরা বলছেন, কারখানায় আগুন লাগার পরও কর্তৃপক্ষ কলাপসিবল গেটের তালা না খোলায় শ্রমিকরা বের হতে পারেননি। ছাদের গেটের তালাও লাগানো ছিল।

ফায়ার সার্ভিস সূত্র জানায়, মরদেহগুলো এমনভাবে পুড়ে গেছে যে ডিএনএ (ডিঅক্সিরাইবোনিউকিক অ্যাসিড) পরীক্ষা ছাড়া পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব নয়। ডিএনএ পরীক্ষার জন্য তিনটি অ্যাম্বুলেন্স ও দুটি ফায়ার সার্ভিসের গাড়িতে একে একে মরদেহগুলো ঢামেক মর্গে আনা হয়েছে। সর্বশেষ অ্যাম্বুলেন্সটি ঢামেকে পৌঁছে শুক্রবার সোয়া ৩টার দিকে। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের (ঢামেক) মর্গ থেকে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here