আশাশুনির মডেল মসজিদে ব্যবহৃত রড মরিচা ধরায় জনমনে বিরূপ প্রতিক্রিয়া

0
14

এম এম নুর আলম, আশাশুনি

আশাশুনি উপজেলায় নির্মীতব্য মডেল মসজিদে ব্যবহার করা লক্ষ লক্ষ টাকার রডে মরিচা ধরে কালো রং ধারণ করায় জনমনে বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে।

গত বৃহস্পতিবার সারাদেশে নির্মীত ৫০টি মডেল মসজিদের শুভ উদ্বোধন করেছেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ‘দেশের সকল জেলা ও উপজেলায় ৫৬০টি মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র স্থাপন’ প্রকল্পের আওতায় এক ঐতিহাসিক কর্মযজ্ঞ শুরু করেছেন।

‘দেশের সকল জেলা ও উপজেলায় প্রায় ৮ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে সম্পূর্ণ সরকারি অর্থায়নে ৫৬০টি মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র স্থাপন কাজ দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলছে। কিন্তু আশাশুনি উপজেলার নির্মানাধীন মসজিদ কমপ্লেক্সের কাজ ভীত পর্যন্ত উঠে থমকে আছে। বর্তমানে ভীতে লক্ষ লক্ষ টাকার রড বাঁধানোর কাজ করা হয়েছে।

দীর্ঘ ২/৩ মাস কাজ বন্দ করে শ্রমিকরা চলে গেছে। রৌদ্র, বৃষ্টি, লোণা আবহাওয়া ও নদীর লবণ পানি মিশ্রিত বালু উত্তোলন করে মসজিদের ভীতে ব্যবহার করায় লোণা পানির সংস্পর্শে পেয়ে বন্দ করে রাখা কাজের লক্ষ লক্ষ টাকার রড মরিচা ধরেছে। আগামীতে কাজের সময় মরিচা অপসারণ করে রড ব্যবহার করলে সেটি কতটুকু কার্যকর হবে চিন্তার বিষয়।

কয়েকজন অভিজ্ঞ ব্যক্তির সাথে কথা হলে তারা জানান, নতুন রড দিয়ে কাজ করাতে হবে। ফেলে রেখে মরিচা ধরান ও টেম্পার বিনষ্ট হওয়া রড দিয়ে কাজ করার কোন সুযোগ নেই। করলে এহেন বৃহৎ কাজের পরিণতি মোটেই ভাল হবে না। লক্ষ লক্ষ টাকার রড মরিচা ধরার পর সেগুলো বাদ দিয়ে পুনরায় নতুন রড দিয়ে কাজ করা হবে, এমনটি সহজে ভেবে নেওয়াটা কতটুকু যুক্তিযুক্ত হবে ভবিষ্যৎই বলে দেবে।

মুসলিম বিশ্বে ইসলামের প্রসার ও উৎকর্ষ সাধনে গৃহীত পদক্ষেপ হিসেবে নজিরবিহীন ও অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে সরকারের এহেন প্রকল্প। সেটি ভীতে নষ্ট, টেম্পার কমে যাওয়া ও মরিচা ধরা রডের ব্যবহারে কলঙ্কিত হোক এমনটা কেউ মেনে নিতে রাজি নয়।

এব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার নাজমুল হুসেইন খাঁনের সাথে কথা হলে তিনি বলেন, ফান্ড ক্রাইসিসের কারনে কাজ বন্ধ রয়েছে বলে ঠিকাদার জানিয়েছেন। নষ্ট রডের ব্যবহার হবেনা বলে তিনি অভিমত ব্যক্ত করেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here