কৃষি কর্মকর্তা তোয়াক্কা করছেন না তথ্য অধিকার আইন

0
59

বাঘারপাড়া প্রতিনিধি

যশোরের বাঘারপাড়ায় তথ্য অধিকার আইন তোয়াক্কা করছেন না উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রুহুল আমিন। উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরে তথ্য চাইলেই হয়রানি হতে হচ্ছে। জনগনের তথ্য অধিকার নিশ্চিত করতে সরকার তথ্য অধিকার আইন করেছেন। আর সে আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে তথ্য গোপন করে অনিয়ম করে চলেছেন এই কর্মকর্তা। তথ্য অধিকার আইনের ফরমে আবেদন করলে তিনি তা গ্রহন করছেন না। পাশাপাশি আবেদনকারিকে হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে। পড়তে হচ্ছে নানা বিড়ম্বনায়।

এ ছাড়া ডাকযোগে আবেদন করলে পোষ্টম্যানকে ভুল বুঝিয়ে আবেদনের চিঠি ফেরত দিচ্ছেন। এমনকি তথ্য গ্রহনকারীকে অপদস্থ বা হয়রানি করারও অভিযোগ পাওয়া গেছে। যার কারনে কৃষকদের জন্য বরাদ্দ সরকারের বিভিন্ন অংশ নয়-ছয় হওয়ার আশংকা করছেন অনেকে। দৈনিক নওয়াপাড়ার সাংবাদদাতা বলেন, কৃষি অফিসের তথ্য কর্মকর্তা কৃষি কর্মকর্তা রুহুল আমিন। তাঁর কাছে কোন কিছু জানতে গেলেই তিনি ক্ষেপে যান।

তাই বাধ্য হয়ে গত ২৩-০৫-২০২১ তারিখে রেজিস্ট্রি করে ডাকযোগে চিঠি প্রেরণ করি। পরদিন ২৩-০৫-২০২১ তারিখে ডাকবিভাগের পোষ্টম্যান আসাদুজ্জামান উপজেলা কৃষি অফিসে চিঠি নিয়ে গেলে কৃষি কর্মকর্তা আবেদনের চিঠি গ্রহন করতে আপত্তি জানান। প্রাপক চিঠি গ্রহন না করায় বিলি করা গেলো না’ এমন কথা লিখে চিঠি প্রেরককে ফেরত দেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, বৃহত্তর কুষ্টিয়া ও যশোর অঞ্চল কৃষি উন্নয়ন প্রকল্পের ০৩ দিন ব্যাপী নিরাপদ উপায়ে সবজি ও ফল চাষ এবং সংগ্রহোত্তর ব্যবস্থাপনা বিষয়ে কতজন কৃষক/কৃষাণী প্রশিক্ষণ নিয়েছেন। তাদের নাম ঠিকানাসহ মাষ্টাররোলের ফটোকপি। এ প্রশিক্ষণে মোট বরাদ্দের পরিমাণ, খাতওয়ারী ব্যায়ের বিল ভাউচারের ফটোকপি চেয়ে কৃষি অফিসে আবেদন করি।

এছাড়া বিগত ১৬-০৩-২১ তারিখে চলতি মৌসুমে ‘কৃষি প্রনোদনা/ভর্তুকির আওতায় পাট ও গম চাষিদের নামের তালিকা, ঠিকানা, মোবাইল নম্বর ও তাদের জমির পরিমান এবং উল্লেখিত কৃষকেরা কোন ধরনের উপকরণ পেয়েছেন ও তার পরিমান। কিন্তু এখনো সেই তথ্য দেননি। এখন পরবর্তি ধাপ ‘গ-ফরম’ এ আবেদন করবো।

রুহুল আমীন গত বছরের ১৩ আগষ্ট বাঘারপাড়া কৃষি কর্মকর্তা হিসেবে যোগদান করেন। যোগদানের পর থেকেই গণমাধ্যমকর্মীদের তথ্য না দেওয়া, হয়রাণী করা তার নিত্য ঘটনা। তার দপ্তরের তথ্য চাইতেই চোখ চড়ক গাছ হয়ে যায়। সম্প্রতি যশোর থেকে প্রকাশিত প্রতিদিনের কথার প্রতিবেদক কৃষি কর্মকর্তার কাছে তথ্য চাইতে গেলে বার বার কথার প্রসঙ্গ পরিবর্তন করে তথ্য দিবেন না ¯্রফে জানিয়ে দেন।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে কৃষি কর্মকর্তা চিঠির কথা অস্বীকার করে বলেন, আমি এ ব্যাপারে জানিনা। পরে অফিসে আসেন কথা বলবানে।

যশোর কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক বাদল চন্দ্র বিশ্বাস বলেন, ব্যাপারটা আমি আপনার মাধ্যমে জানতে পারলাম। বিষয়টি আমি জেনে ব্যবস্থা নিবো।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here