প্রতিটি বাড়ি পেতে যাচ্ছে সুপেয় পানি

0
68

মিজানুর রহমান, মণিরামপুর

অচিরেই মণিরামপুর পৌরসভার প্রতিটি বাড়ি পেতে যাচ্ছে সুপয়ে পানি ও স্যানিটেশন সুবধিা। প্রায় ১১ কোটি টাকা ব্যয়ে পানি সরবরাহের পাইপ লাইন সংযোগ ও প্রয়োজনীয় আনুসাঙ্গকি সকল কাজের টেন্ডার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। বাংলাদশেরে সরকার (জিওবি) ও আইডিবি (ইসলামী উন্নয়ন ব্যাংক) যৌথভাবে এ কাজের অর্থায়ন করছে। কাজের বাস্তবায়ন করবে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী অধিদপ্তর ও মণিরামপুর পৌরসভা।

ইতোমধ্যে ভূ-র্গভস্থ থেেক পানি উত্তোলনের কাজও এগিয়ে গেছে। এলাকার তাহেরপুর এবং পৌর ভবনরে অভ্যন্তরে নির্ধারিত দুইটি স্থান থেেক ভূ-র্গভস্থরের উত্তোলিত পানি সরবরাহ করা হবে। শনবিার আনুষ্ঠানকিভাবে পানি সরবরাহরে কাজের উদ্বোধন হবে বলে নিশ্চিত করছেনে উপজলো আওয়ামী লীগরে সভাপতি পৌর ময়ের কাজী মাহমুদুল হাসান।

পৌর মেয়র কাজী মাহমুদুল হাসান জানান, পৌরসভার প্রতিটি বাড়িতে পানি সরবরাহের জন্য নিরলসভাবে চেষ্টা করা হচ্ছে। এরফলে প্রতিটি বাড়িতে জীবানুমুক্ত সুপেয় পানি ও সুস্বাস্থ্য নিশ্চিতকরণে এ প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে।

জনস্বাস্থ্য অধদিপ্তররে প্রকৌশলী জয়দবে দত্ত জানান, তেইশ পৌরসভা পানি সরবরাহ ও স্যানিটেশন প্রকল্পের আওতায় ১০ কোটি ৮১ লাখ ৯৬ হাজার ৭৯৫ টাকা ব্যয়ে স্থাপিত হবে এ পানি সরবরাহের কাজ। দরপত্র আহবানরে প্রক্রিয়া সম্পন্নের পর মেসার্স শামীম এন্ড সুমন জেভি নামের যৌথ ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান গত ২ মে এ কাজের কার্যাদেশ পায়। ইতোমধ্যে পৌর ভবন সংলগ্ন এবং তাহরেপুর গ্রামস্থ দুইটি স্থানে ভূ-র্গভস্থ পানি উত্তোলনরে সকল প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। কার্যাদেশের ৩০০ দিনের মধ্যে প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন হওয়ার কথা রয়েছে। প্রায় ৩৪ কিলোমিটার পাইপ লাইন সংযোগের মাধ্যমে এ প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে।

মোন্তাজ বিশ্বাস, মোজাম্মেল হোসনে মেল, মিজানুর রহমান, আঞ্জুমানোয়ারা বেগমসহ একাধিক পৌরবাসী উস্বসিত কন্ঠে বলনে, ‘এক সময় প্রতিটি গৃহস্থ বাড়িতে গোছল, খাবার পানির জন্য পুকুর কিংবা গভীর কুয়া ছিল। কিন্তু জনবসতী বেশী হওয়ায়ঢ এখন আর আগের মতো সেই পুকুর নেই। যে কারনে এটি বাস্তবায়ন হলে আমাদের মত পৌর নাগরকিদরে আর নলকূপরের পিছনে দৌড়াতে হবে না। বাড়িতে আর পানি নিয়ে দুশ্চিন্তিার অবসান হবে।
পৌর সভার প্রকৌশলীর শেখ স্যাইয়েদুল হক জানান, বছর দুয়েক আগে এ প্রকল্প গ্রহনের আগে আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞ টীম সম্ভাব্যতা যাচাইয়ে কাজ করেছে। এরমধ্যে একাধিক দেশীয় ও আন্তর্জাতিক টীম কাজ করেছেন।

সংশ্লিষ্ট পৌরসভা সূত্রে জানা গেছে, পৌর সভার প্রায় ৬ হাজার ৬শ’ হোল্ডিং চার্জ প্রদানকারি বাড়ি রয়েছে। পৌরসভার ৮ নং ওয়ার্ড (কামালপুর-মোহনপুরের আংশিক) এবং ৯ নং ওয়ার্ড (বিজয়রামপুর) পরবর্তি ধাপে সুপেয় পানি ও স্যানিটেশন সুবিধা পাবে।

এক প্রশ্নের জবাবে এই বরাদ্দে পাওয়া পানি ও স্যানিটেশন সুবিধা বাদ পড়া ওয়ার্ডে দেওয়ার জন্য চেষ্টা করা হচ্ছে। তিনি ওই ওয়ার্ড দুইটি এ সুবিধা আওতায় আনার ব্যাপারে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here