জমে উঠেছে ঈদের কেনাকাটা॥ বসুন্দিয়ার বাজারগুলোতে মানুষের উপচে পড়া ভীড়

0
24

এস.এম মুসতাইন, বসুন্দিয়া
ঈদুল ফিতর উপলক্ষে বসুন্দিয়া এলাকার বাজার গুলোতে জমে উঠেছে বেচাকেনা। দেশে করোনা ভাইরাস চলছে লকডাউন স্বাস্থ্য বিধি মানছে না ক্রেতারা। ঈদের বাকি চার/পাঁচ দিন কেনাকাটার জন্য মানুষের উপচে পড়া ভীড়। এলাকার বাজার গুলো ঘুরে দেখা গেছে পুরুষের থেকে নারী ক্রেতাদের সমাগম বেশি।
অধিকাংশ গার্মেন্টস পোশাকের দোকানে মানুষের বিচরন লক্ষনীয়। কথা হয় কয়েকজন ক্রেতার সাথে, তারা বলেন আর তো বেশী দিন বাকি নেই ঈদের, ছেলে মেয়েদের ঈদের আবদার পুরন করতে কাপড় কিনতে আসছি।
স্বাস্থ্যবিধি মেনেই করোনার মহামারী পরিস্থিতিতে বেশী ঘুরাঘুরি না করে কাছের বাজার থেকেই কেনাকাটা করছি। বেশি মানুষের সমাগম দেখা গেছে শিল্পাঞ্চল বসুন্দিয়া মোড় বাজারে। এই বাজারে বেশকিছু বড় বড় খুচরা ও পাইকারি ছিট কাপড় সহ গার্মেন্টস পোশাকের দোকান রয়েছে।
তাছাড়া বসুন্দিয়া, সেখহাটি, ভিটাবল্যা, বাসুয়াড়ী, প্রেমবাগ ইউনিয়নের আশপাশে বড় ধরনের বাজার আর নেই। গ্রামের সাধারণ মানুষ বেশি দুরে যেতে চায় না। কারন যাতায়াত খরচ অনেক বেশি যারফলে স্থানীয় বাজার গুলোতে চাহিদা অনুযায়ী জিনিস পত্র না পেলেও মা বাবা স্ত্রী সন্তানের জন্য হাতের নাগালের কাছ থেকেই সেরে নিচ্ছেন ঈদের কেনাকাটা। চাকুরীজীবি, ধনী ব্যক্তিরা শহরমুখী, কেনাকাটা করতে যশোর, নওয়াপাড়া, খুলনা, বাঘারপাড়া, নড়াইলে চলে যাচ্ছন। গরীবের কপালে শহর না হলেও হাতের কাছের বাজার গুলো থেকে অল্প দামের কাপড়ই যথেষ্ট, তাতেই মহাখুশি।
কথা হয় কয়েকজন দোকান মালিকের সাথে বসুন্দিয়া মোড় বাজারের লতা ফ্যাশন এর মালিক বাবু, বসুন্দিয়া বাজারের মামা ভাগ্নে বস্ত্র বিতানের মিঠুন, আলাদীপুর বাজারের সরদার বস্ত্রালয় এর মালিক শহিদুল ইসলাম সরদার বলেন, দেশে চলছে লকডাউন করোনা ভাইরাস তারমধ্যেও ক্রেতারা কেনাকাটার জন্য স্বাস্থ্য বিধি মেনে দোকানে আসলেও সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখছে না।
এক সাথে ভীড় করছে তারপরও রমজান মাস উপলক্ষে সকালে মানুষের আগমন হলেও বিকালে তেমন সমাগম হচ্ছে না। এবছর তেমন ভাল বেচা-কেনা নেই তারপরও মুটামুটি লোকের সমাগম আছে, আমাদের তো হালছাড়লে হবে না। এখনও ঈদের তিন/ চারদিন বাকি তবে দুই দিন আগেই বেশি বেচাকেনা হব বলে আশাবাদী সকল দোকানদার ও ব্যবসায়ীদের এমনটা প্রত্যাশা।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here