৫০ শিক্ষার্থী নিয়ে খোলা যাবে বেসরকারি মেডিকেল কলেজ

0
35

সত্যপাঠ ডেস্ক
দেশে ৫০ জন শিক্ষার্থী নিয়ে বেসরকারি মেডিকেল কলেজ ও ডেন্টাল কলেজ চালু রাখা যাবে। শিক্ষার্থীদের ফি নির্ধারণ করে দেবে সরকার। এসব বিধান রেখে বেসরকারি মেডিকেল কলেজ ও ডেন্টাল কলেজ আইন, ২০২১-এর খসড়ার চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।
সোমবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার ভার্চুয়াল বৈঠকে এটি অনুমোদন দেওয়া হয়। এ ছাড়াও বৈঠকে বাংলাদেশ গ্যাস, তেল ও খনিজসম্পদ করপোরেশন আইন-২০২১, চলতি বছরের প্রথম ত্রৈমাসিকে সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের প্রতিবেদন অনুমোদন হয়। বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, বেসরকারি মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠার জন্য মেট্রোপলিটন এলাকায় ২ একর এবং ডেন্টালের জন্য ১ একর জমি থাকতে হবে। অন্যান্য এলাকায় মেডিকেলের জন্য ৪ একর এবং ডেন্টালের জন্য ২ একর জমি লাগবে। যে কোনো তফশিলি ব্যাংকে মেডিকেল কলেজের জন্য তিন কোটি টাকা জমা রাখতে হবে। ডেন্টাল কলেজের জন্য রাখতে হবে দুই কোটি।
তিনি আরও বলেন, মেডিকেল কলেজের একাডেমিক কার্যক্রমের জন্য কমপক্ষে এক লাখ বর্গফুট স্পেস থাকতে হবে। হাসপাতাল চালাতে হলে আরও এক লাখ বর্গফুটের স্থাপনা থাকতে হবে। আর ডেন্টাল হাসপাতালের জন্য ৫০ হাজার বর্গফুট থাকতে হবে। প্রত্যেক মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজকে কোনো সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত হয়ে কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে। মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজ উভয়ের ক্ষেত্রে প্রতি ১০ জন শিক্ষার্থীর জন্য একজন শিক্ষক নিয়োগ বাধ্যতামূলক।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, মেডিকেল বর্জ্য বিজ্ঞানসম্মতভাবে অপসারণ করতে হবে। কেউ আইন ভঙ্গ করলে দুই বছরের কারাদণ্ড অথবা ১০ লাখ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ড হবে।
আইনেই চলবে পেট্রোবাংলা: বাংলাদেশ তেল, গ্যাস ও খনিজসম্পদ অধ্যাদেশ ১৯৮৫ রহিত এবং তা যুগোপযোগী করে আইনে পরিণত হচ্ছে। বাংলাদেশ গ্যাস, তেল ও খনিজসম্পদ করপোরেশন আইন-২০২১ নামে এই আইনের খসড়ার নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। ফলে অধ্যাদেশের পরিবর্তে আইনের অধীনেই চলবে পেট্রোবাংলা। করপোরেশনকে বর্তমানের মতো সংক্ষেপে ‘পেট্রোবাংলা’ নামেই ডাকা হবে। মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, রাষ্ট্রীয় সংস্থাটির অনুমোদিত মূলধন হবে পাঁচ হাজার কোটি টাকা এবং পরিশোধিত মূলধন ২০০ কোটি টাকা, যা প্রয়োজন অনুযায়ী সরকারই সরবরাহ করবে।
মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের হার কমেছে: চলতি বছরের প্রথম ত্রৈমাসিকে (জানুয়ারি থেকে মার্চ) মন্ত্রিসভায় নেওয়া সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের হার গত বছরের চেয়ে ১৬ দশমিক ০১ শতাংশ কমেছে। গত বছর একই সময়ে সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের হার ছিল ৬৪ দশমিক ৭৯ শতাংশ। এবার সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন হয়েছে ৪৮ দশমিক ৭৮ শতাংশ। মন্ত্রিসভা বৈঠকে নেওয়া সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের বিষয়ে ২০২১ সালের প্রথম ত্রৈমাসিক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে। মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম এ তথ্য জানান।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, গত ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ মার্চ পর্যন্ত পাঁচটি মন্ত্রিসভার বৈঠক হয়। এতে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় ৪১টি। সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করা হয় ২০টি। ২১টি সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নাধীন রয়েছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here