বাজেটে বড় দাবি, সংজ্ঞায় পরিবর্তন

0
5

সত্যপাঠ ডেস্ক
দেশের মোটরসাইকেল খাতের দুই সমিতি যৌথভাবে এবার জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) কাছে বাজেট প্রস্তাব জমা দিয়েছে। এতে মোটরসাইকেলের যন্ত্রাংশ দেশে নিজেরা তৈরির বদলে সংযোগ বা সহযোগী শিল্পকে দিয়ে তৈরি করানোর জন্য সংজ্ঞায় পরিবর্তন আনাকে এক নম্বরে রাখা হয়েছে। এর বাইরে আরও ছয়টি দাবি করেছে সংগঠন দুটি।
মোটরসাইকেল খাতের দুই সংগঠনের নাম বাংলাদেশ মোটরসাইকেল অ্যাসেম্বেলার্স অ্যান্ড ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিএমএএমএ) ও মোটরসাইকেল ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (এমএমইএবি)। জানা গেছে, গত ১৫ মার্চ এনবিআরে দুই সংগঠনের নেতাদের সঙ্গে বাজেট আলোচনা হয়। সেখানে দুই সংগঠনকে একীভূত করে একটি সংগঠন গঠন করা এবং যৌথ বাজেট প্রস্তাব দেওয়ার বিষয়ে আলোচনা হয়।
এরপর সংগঠন দুটি একীভূত হওয়ার আলোচনা শুরু করে। এ বিষয়ে বাজেট প্রস্তাবের চিঠিতে বলা হয়েছে, দুই সংগঠনের সদস্যরা একক সংগঠন করার বিষয়ে সম্মত হয়েছেন। নতুন সংগঠনের নাম রাখা হয়েছে, ‘বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব মোটরসাইকেল ইন্ডাস্ট্রিজ (বিএএমআই)’। নতুন সংগঠন গড়ার বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
বাজেট প্রস্তাবে উৎপাদনকারীর সংজ্ঞায় (শ্রেণি-১) স্থানীয়ভাবে সংযোগ শিল্প বা ব্যাকওয়ার্ড লিংকেজের মাধ্যমে যন্ত্রাংশ সংগ্রহ করে মোটরসাইকেল তৈরির সুযোগ রাখার কথা বলা হয়। বর্তমান নিয়ম অনুযায়ী, সব যন্ত্রাংশ নিজে তৈরি করে অথবা চেসিস ও এক বা একাধিক যন্ত্রাংশ নিজে তৈরি করে এবং বাকিটা স্থানীয়ভাবে সংগ্রহ বা আমদানি করে মোটরসাইকেল তৈরি করলে উৎপাদনকারী (শ্রেণি-১) স্বীকৃতি পাওয়া যাবে।
উদ্যোক্তারা মূল্য সংযোজন কর (মূসক/ভ্যাট) অব্যাহতি সুবিধাও চেয়েছেন। তারা জানিয়েছেন, ২০২০-২১ অর্থবছরের বাজেটে উৎপাদনকারীদের ভ্যাট অব্যাহতি সুবিধা তুলে নেওয়া হয়েছে। বর্তমান দুর্যোগ পরিস্থিতি বিবেচনায় এ সুবিধা ২০২৪ সাল পর্যন্ত বহাল রাখার দাবি জানিয়েছেন।
উদ্যোক্তারা বলছেন, যন্ত্রাংশ নিজে তৈরির চিন্তাটা ভুল। বড় শিল্পের প্রচুর সহযোগী শিল্প থাকে। তারা যন্ত্রাংশ তৈরি করে সরবরাহ করে। সংজ্ঞায় শুধু স্থানীয়ভাবে সংগ্রহ করে মূল্য সংযোজনের বিষয়টি থাকা উচিত। এতে দেশে সংযোগ শিল্প গড়ে উঠবে।
বাজেটে দ্বিতীয় প্রস্তাব হলো, উৎপাদনকারীর শ্রেণিভেদে বিভিন্ন যন্ত্রাংশের ওপর নিয়ন্ত্রণমূলক শুল্ক ও সম্পূরক শুল্ক ছাড়। কী কী যন্ত্রাংশে শুল্ক ছাড় চাওয়া হয়েছে, তা তুলে ধরা হয়েছে বাজেট প্রস্তাবে।
উদ্যোক্তারা মূল্য সংযোজন কর (মূসক/ভ্যাট) অব্যাহতি সুবিধাও চেয়েছেন। তারা জানিয়েছেন, ২০২০-২১ অর্থবছরের বাজেটে উৎপাদনকারীদের ভ্যাট অব্যাহতি সুবিধা তুলে নেওয়া হয়েছে। বর্তমান দুর্যোগ পরিস্থিতি বিবেচনায় এ সুবিধা ২০২৪ সাল পর্যন্ত বহাল রাখার দাবি জানিয়েছেন।
বাজেট প্রস্তাবে সংযোগ শিল্প বা ভেন্ডরদের জন্য রেয়াতি শুল্ক হারে যন্ত্রাংশ আমদানির সুযোগ দেওয়া, যন্ত্রাংশ রং করা থাকলেও তা সিকেডি (বিযুক্ত) হিসেবে গণ্য করা এবং মোটরসাইকেলের নিবন্ধনের ওপর সম্পূরক শুল্ক মওকুফের অনুরোধ করা হয়।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here