করোনা, মে দিবস ও অখন্ড বিশ্বের বার্তা

0
53

আনু মুহাম্মদ
বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের মানুষ করোনা রোগ বা কভিড-১৯-এর বিস্তারে আজ এক মহাবিপর্যয়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। করোনা শুরু হওয়ার পর এ বছর দ্বিতীয় মে দিবস পার করছি আমরা, যখন বিশ্বের মানুষ একদিকে অস্তিত্বের সংকটে, অন্যদিকে সংখ্যাগরিষ্ঠ শ্রমজীবী মানুষ বাড়তি- জীবন ও জীবিকা দুয়েরই- সংকটে। বৈশ্বিক পুঁজির সম্প্রসারণ, কেন্দ্রীভবন এবং আগ্রাসন এখন আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে অনেক বেশি। একদিকে এ ব্যবস্থা অন্তর্নিহিত সংকটে জর্জরিত, অন্যদিকে তা উচ্চ মুনাফাযোগ্য নতুন নতুন বিনিয়োগ ক্ষেত্রের সন্ধানে মরিয়া। যুদ্ধ, মাদক থেকে প্রাণ-প্রকৃতি সর্বত্রই তার থাবা। এখন তা মানুষের শরীর, মন, চিকিৎসা, খাদ্যাভ্যাস সবকিছুকে নিজের চাহিদামতো সাজাতে ব্যগ্র। প্রযুক্তিগত বিকাশকে কাজে লাগিয়ে মানুষকে তা অসহায় গিনিপিগে পরিণত করার নানা পথ সন্ধান করছে। করোনাকালেও তার অন্যথা ঘটেনি।
করোনা আগ্রাসনে এ মুহূর্তে নিকট প্রতিবেশী ভারতের পরিস্থিতি সবচেয়ে সঙ্গিন। আসলে করোনাপূর্ব রাজনৈতিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থা, তার অগ্রাধিকারের ধরন থেকেই সংকটকালে পরিস্থিতি সামাল দেয়ার ধরন তৈরি হয়েছে। করোনার আগেই বহু দেশে নব্য উদারনৈতিক পুঁজিবাদের শক্তি বৃদ্ধিতে সামাজিক নিরাপত্তা সংকুচিত হয়েছে, সর্বজন স্বাস্থ্য ব্যবস্থা থেকে বাজেট কমানো হয়েছে। এ বাস্তবতায় যখন করোনা এসেছে, তখন তা কোটি কোটি নিরন্ন-নিপীড়িত মানুষের জন্য এক ভয়াবহ বিপদ হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। সবার জন্য বিপদ নয়, কারো কারো জন্য সুযোগও। বিশ্বের বহু অঞ্চলে করোনাকালে ধনী কতিপয় গোষ্ঠী আরো ধনী হয়েছে, দরিদ্র মানুষের সংখ্যা বেড়েছে। আর এই অর্থনৈতিক ব্যবস্থার সহযোগী হিসেবে যেমন বেড়েছে ধর্ম উন্মাদনা, তেমনি বেড়েছে অন্য জাতি-বর্ণ-ধর্মবিদ্বেষ। পাশের আরেক দেশ মিয়ানমারে করোনাকালে সামরিক বাহিনী ক্ষমতা দখলের পর প্রতিদিন প্রতিবাদী মানুষদের খুন করছে। আসলে আমাদের অভিজ্ঞতা বলে, বিশ্বের ‘ধনী’ দেশগুলো অন্য দেশ/অঞ্চল দখল করে আর ‘গরিব’ দেশগুলোর প্রতিরক্ষা কাঠামো ব্যবহূত হয় নিজ দেশের মানুষের বিরুদ্ধে। অতএব, দুর্বল দেশগুলোর মানুষদের দুই প্রবল পরাক্রান্ত শক্তির থাবার নিচে থাকতে হয়।
ভারতের মতো সম্পদশালী দেশে মানুষ যে অক্সিজেনের অভাবে, চিকিৎসার অভাবে মারা যাচ্ছে- এ পরিস্থিতি হঠাৎ করে তৈরি হয়নি। গত কয়েক দশকে উন্নয়নের নামে সর্বজন স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থা সেখানে ক্রমে শক্তিশালী হওয়ার বদলে ব্যবসায়ীদের হাতে চলে গেছে। সেখানে মানুষ বাঁচানোর অক্সিজেন নেই, কিন্তু মানুষ মারার অস্ত্র আছে। ক্ষমতাসীনরা জনগণের টাকা দিয়ে সর্বজনের হাসপাতাল সম্প্রসারণ না করে সেই টাকা বড় ব্যবসায়ীদের ভর্তুকি দিয়েছে, প্রাণঘাতী যুদ্ধে, যুদ্ধাস্ত্র ক্রয়ে ব্যয় করেছে। ভারত এখন তাই বিশ্বের বড় ধনীদের দেশ, বৃহত্তম অস্ত্র আমদানিকারক, আর সেই অস্ত্র ব্যবহার হচ্ছে ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলের মানুষের ওপরই।
আমরাও এ দেশে একই রকম বিপদে আছি। আমাদের দেশেও ধনীর হাতে সম্পদ বেড়েছে, পাশে দারিদ্র্যও বেড়েছে। করোনাকালে আমাদের দেশেও সর্বজন স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থা শক্তিশালী করার বদলে নিপীড়নের আয়োজন বিস্তৃত করা হয়েছে। শ্রমজীবী মানুষের জন্য সহায়তা ব্যবস্থার বদলে তাদের বিপদ বাড়ানোর ব্যবস্থা হয়েছে। চিকিৎসা ঝুঁকি তো আছেই, তার সঙ্গে যোগ হয়েছে কাজ, আশ্রয় ও আয়ের চরম অনিশ্চয়তা। লকডাউনে সবকিছু বন্ধ থাকলেও খোলা রাখা হলো পোশাক কারখানা। আমরা সরকার ও মালিকদের থেকে শুনলাম, তারা স্বাস্থ্যবিধি মেনে শ্রমিকদের পরিবহনের ব্যবস্থা নিশ্চিত করবেন। কিন্তু বহু কারখানা তার কিছুই করেনি। সরকারও এ নিয়ে মাথা ঘামায়নি। ফলে শ্রমিকদের পরিবহন ব্যয় কয়েক গুণ বেড়েছে, বেড়েছে ভোগান্তি ও ঝুঁকি। এখন সেই মালিকরা নিয়মিত বেতন-বোনাস দেয়ার জন্য কম সুদে সরকারের কাছ থেকে ঋণ সুবিধা চায়। এর আগেও তারা প্রণোদনা পেয়েছে, কিন্তু তার বদলে ছাঁটাই আর শ্রমিক নিপীড়ন চলেছে, মজুরি বকেয়া থেকেছে। করোনার মধ্যে শ্রমিকদের বকেয়া মজুরির দাবিতে মিছিল-মিটিং করতে হয়েছে। করোনা আক্রমণের এক বছরে পোশাক শিল্পেই ছাঁটাই হয়েছেন তিন লক্ষাধিক শ্রমিক। অন্যান্য শিল্পে পরিস্থিতি আরো নাজুক। এছাড়া পাট ও চিনিকল একের পর এক বন্ধ করে প্রায় লাখো পরিবারকে রাস্তায় ছুড়ে ফেলা হয়েছে। মজুরি বকেয়া থাকছে বহু প্রতিষ্ঠানে। এর দাবি করলে পুলিশি আক্রমণের ঘটনাও অনেক।
প্রকৃতপক্ষে দেশে নিয়মিত বেতন ও মজুরি পেয়ে কাজ করেন এ রকম মানুষ সংখ্যায় খুবই কম, যথাযথ মজুরি-বেতন পাওয়া মানুষের সংখ্যা আরো কম। দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষই স্বনিয়োজিত; অনিশ্চিত, অনিয়মিত পেশাই প্রধান জনগোষ্ঠীর বেঁচে থাকার অবলম্বন। কৃষি, শিল্প আর পরিষেবা খাতে প্রায় ছয় কোটি শ্রমজীবী মানুষের মধ্যে পাঁচ কোটিরও বেশিসংখ্যক মানুষ অনানুষ্ঠানিক খাতে কাজ করেন। তাদের বেঁচে থাকা নির্ভর করে প্রতিদিনের হাড়ভাঙা কাজের ওপর। নভেল করোনাভাইরাসের আক্রমণে এই কোটি কোটি মানুষ এখন বেকার ও দিশেহারা। করোনা ছাড়াই তাদের জীবন ক্ষুধা ও অনিশ্চয়তায় বিপন্ন। এদের বিপুল অধিকাংশের এমন কোনো সঞ্চয়ও নেই, যা তাদের অনিশ্চিত সময় পার হতে সাহায্য করবে, বরং এ সময়ে তারা আরো ঋণগ্রস্ত হয়েছেন, দারিদ্র্যসীমার নিচে মানুষের সংখ্যা বেড়ে গেছে। সরকারের বিভিন্ন প্যাকেজ দেখে মনে হয়, এই সংখ্যাগরিষ্ঠ শ্রমজীবী মানুষের কোনো অস্তিত্বই নেই! করোনা বিপর্যয় মোকাবেলায় বিভিন্ন দেশ জনস্বার্থে বিভিন্ন পরিমাণে অর্থ বরাদ্দ করেছে। যেসব দেশ জিডিপির অনুপাতে সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের জন্য সবচেয়ে কম খরচ করেছে, বাংলাদেশ তার মধ্যে অন্যতম। অন্যদিকে করোনাকালে ‘ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, ২০১৮’ প্রয়োগ করে শিক্ষক, শিল্পী, লেখক, শিক্ষার্থীসহ এমন মানুষদের ধরপাকড়ে সরকার বেশি ব্যতিব্যস্ত ছিল, যারা স্বাস্থ্য ব্যবস্থা অনিয়ম, বৈষম্য, নিপীড়ন নিয়ে কথা বলছিলেন।
এবারের মে দিবস পার হচ্ছে তথাকথিত লকডাউনের মধ্যে। এ সময়ে ব্যক্তিগত গাড়ি দিয়ে ঢাকাসহ বিভিন্ন শহরে জট লেগে গেলেও পুলিশের প্রধান আক্রমণের লক্ষ্যবস্তু ছিলেন রিকশা-ভ্যানচালকরা। বহু রিকশা-ভ্যান আটক করা হয়েছে, বহু রিকশা-ভ্যান উল্টে রাখা হয়েছে, বহু রিকশা-ভ্যানচালকের কাছ থেকে ঘুষ আদায় করা হয়েছে। সেজন্য এ দাবি খুব যুক্তিসংগত যে ‘আগে আমাদের যে টাকা সরকারের কাছে আছে, সেখান থেকে আমাদের খাবারের ব্যবস্থা করেন, তারপর চলেন সবাই মিলে লকডাউন করি। আগে শ্রমিকদের যাতায়াতের ব্যবস্থা করেন, বকেয়া মজুরি দেন, তারপর কারখানা খোলেন। আগে গাড়ি উল্টান, তারপর রিকশা উল্টাতে আসেন, রিকশার গদি টানাটানি করেন। লকডাউন সফল করতে হলে সবার ঘরে খাবার পৌঁছাতে হবে। ’
বাংলাদেশে শ্রমিকদের অবস্থা স্পষ্ট করেছে সর্বশেষ বাঁশখালীর ঘটনা। বকেয়া মজুরি পরিশোধ আর বাড়তি কর্মঘণ্টা কমানোর দাবিতে শ্রমিকরা যখন সরব হতে থাকেন, তখন সন্ত্রাসী ও পুলিশ তাদের ওপর গুলি চালায়। নিহত শ্রমিকের সংখ্যা এখন পর্যন্ত সাত। জখম শ্রমিকের সংখ্যা অনেক বেশি। কোম্পানি নিয়োজিত পুলিশ ও সন্ত্রাসীদের দ্বারা আক্রান্ত, নিহত, জখম শ্রমিক ও গ্রামবাসীই এখন উল্টো মামলা ও হুমকির শিকার। ‘অন্ধকার থেকে আলোর মিছিলে প্রিয় বাংলাদেশ’Íএ বিজ্ঞাপনী প্রচার দিয়ে এই কয়লাবিদ্যুৎ প্রকল্পের যাত্রা শুরু হয়েছিল ২০১৬ সালে। বাংলাদেশের এস আলম গ্রুপ চীনা প্রতিষ্ঠান সেপকো ও এইচটিজির সঙ্গে যৌথভাবে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে। প্রথম থেকেই এ প্রকল্পে পাওয়া যায় জোরজবরদস্তির নানা চিত্র। এর কারণে এ প্রকল্প এলাকার গরিব মানুষ আর প্রকল্পের শ্রমিকদের ওপর জুলুমের অনেক ঘটনা ঘটেছে, পুলিশ-সন্ত্রাসীদের গুলিতে মানুষ খুনজখম করা তার অংশ। ২০১৬ সালেও এখানে নিরস্ত্র গরিব মানুষগুলোকে খুন করা হয়েছে। তাদের অপরাধ ছিল তারা এ প্রাণবিনাশী প্রকল্প নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। এগুলোর কোনো বিচার হয়নি।
বিশ্বজুড়ে পুঁজির আগ্রাসনে স্থায়ী স্থিতিশীল কর্মসংস্থান ক্রমেই দুর্লভ হয়ে উঠছে। নব্য উদারতাবাদী মডেলে বিস্তৃত হচ্ছে চুক্তিভিত্তিক, খ-, অস্থায়ী, ঠিকাদারভিত্তিক কাজ। ‘আউটসোর্স’ এখন একটি প্রধান ধরনে পরিণত হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে শ্রমিকের সংগঠিত হওয়া, নিশ্চিত কাজ, নিয়মিত কাঠামোবদ্ধ মজুরি সবকিছু থেকেই শ্রমিক বঞ্চিত হন। এতে পুঁজিপতির খরচ কমে, মুনাফা বাড়ে, মধ্যস্বত্বভোগী ভাগ বসায়, কিন্তু শ্রমিক তো বটেই, ব্যাপকসংখ্যক শ্রমজীবী পেশাজীবী মানুষের জীবন ছিন্নভিন্ন হয়ে যায়। বাঁশখালীর শ্রমিকরাও এ রকম পরিস্থিতির শিকার।
করোনাকালে সমাজে বিদ্যমান নানামুখী বৈষম্য তাই আরো জোরদার হয়েছে। করোনাপূর্ব রাজনৈতিক অর্থনৈতিক বিধি ব্যবস্থার কারণে এবং করোনাকালে গৃহীত বিধি ব্যবস্থায় বৈষম্যপীড়িত মানুষ আরো পীড়নের শিকার হচ্ছে।
আন্তর্জাতিক মে দিবসের মূল যে দাবি- ৮ ঘণ্টা কাজ করে বাঁচার মতো মজুরি, তা থেকে বাংলাদেশের বিভিন্ন খাতের শ্রমিক মেহনতি মানুষ অনেক দূরে। বেশির ভাগ শিল্প-কারখানায় ন্যূনতম বাঁচার মতো মজুরি, ৮ ঘণ্টা শ্রমদিবস, নিয়োগপত্র, সাপ্তাহিক ছুটি, কাজ ও কর্মপরিবেশের নিরাপত্তা- এর সবগুলো বা অধিকাংশই অনুপস্থিত। শ্রমিকশ্রেণীর বর্তমান গঠনের কারণে সব খাতের শ্রমিকদের মধ্যে অস্থায়ী, দিনভিত্তিক, খন্ডকালীন, ইনফরমাল শ্রমিকের সংখ্যাই এখন বেশি। করোনাকালেও তাই তারাই সবচেয়ে বিপর্যস্ত।
আমরা খেয়াল করলে দেখব বিশ্বে করোনাভাইরাস হঠাৎ করে আসেনি, এর ক্ষেত্র তৈরি হয়েছে মুনাফা উন্মাদনাভিত্তিক বিশ্বব্যবস্থার আগ্রাসী তত্পরতায়। যে পুঁজিবাদী বিশ্বব্যবস্থা আর মুনাফা উন্মাদনা অস্থির করে রেখেছে বিশ্বকে, তারই একটা বড় ধাক্কা এই অতিমারী। বিশ্বে এ পর্যন্ত ৩১ লাখের বেশি মানুষ এ ভাইরাসে প্রাণ হারিয়েছে।
আমরা খেয়াল করলে দেখব বিশ্বের সাগর-মহাসাগর-বায়ুম-ল-নদী-পাহাড়-বাস্তুসংস্থান সব মুনাফার তা-বে এখন ক্ষতবিক্ষত। কিছু লোকের অতিভোগ, লোভ আর হিংস্রতায় বিশ্ব কাতর। যুদ্ধ আর যুদ্ধাস্ত্র খাতে ব্যয় স্বাস্থ্য ব্যবস্থা ও গবেষণার চেয়ে অনেক বেশি। সামরিকীকরণ আর প্লাস্টিকের জৌলুস মানুষকে ঢেকে দিচ্ছে। শ্বাস নেয়ার বাতাস আর পানের পানিও ঢেকে যাচ্ছে মারণাস্ত্র আর বিষে। এতে অকালমৃত্যু হচ্ছে আরো বহুগুণ বেশি মানুষের।
মুনাফার পেছনে উন্মাদ হয়ে দুনিয়া যেভাবে ছুটছিল, তা যে টেকসই কোনো ব্যবস্থা নয়, তা এই করোনা অতিমারী দেখিয়েছে। বিশ্ব যে অখন্ড, সেটাই চোখে আঙুল দিয়ে দেখাচ্ছে এ বিপদ ভাইরাস। এ বিপর্যয় যেসব পরিবর্তনের তাগিদ দিচ্ছে সেগুলোর মধ্যে আছে: (১) স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থা মুনাফার বিষয় নয়, তা অবশ্যই রাষ্ট্রের দায়িত্ব; (২) নাগরিকদের কাজ ও খাদ্যের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সামাজিক অর্থবহ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়ে তোলা অপরিহার্য; (৩) প্রাণ-প্রকৃতি মানববিনাশী প্রকল্প বন্ধ করে সেই অর্থ সব নাগরিকের জন্য স্বাস্থ্যসেবা ও পূর্ণ রেশনিং ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠায় ব্যয় করতে হবে এবং (৪) শ্রমিকসহ সব নাগরিকের স্বাধীনভাবে সংগঠন করা ও মতপ্রকাশের অধিকার প্রতিষ্ঠা করার মতো গণতান্ত্রিক বিধি ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।
করোনা অভিজ্ঞতায় আর মে দিবসের প্রেরণায় এসব দাবিতে বৈশ্বিক সংহতি গড়ে উঠুক।
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতির অধ্যাপক
ত্রৈমাসিক জার্নাল ‘সর্বজনকথা’র সম্পাদক

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here