Friday, July 23, 2021
Home বিশেষ খবর বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার ৫ দেশের সঙ্গে বৈঠকে বসছে চীন

বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার ৫ দেশের সঙ্গে বৈঠকে বসছে চীন

0
34

করোনাভাইরাস

   
করোনাভাইরাস টিকা- ছবি: সংগৃহীত

করোনাভাইরাস পরিস্থিতি মোকাবিলায় চীনের উদ্যোগে দক্ষিণ এশিয়ার পাঁচ দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠক বসছে মঙ্গলবার বিকেলে। বৈঠকে অংশ নিচ্ছে বাংলাদেশসহ পাকিস্তান, আফগানিস্তান, শ্রীলঙ্কা ও নেপাল। তবে ভারতসহ দক্ষিণ এশিয়ার বাকি তিন দেশ এ উদ্যোগে নেই।

বাংলাদেশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, চীন ওই বৈঠকে জরুরি চিকিৎসাসামগ্রীর মজুত গড়ে তোলাসহ তিনটি বিষয় নিয়ে আলোচনার প্রস্তাব দিয়েছে। তবে বাংলাদেশ জরুরি ভিত্তিতে টিকা পাওয়ার বিষয়ে জোর দেবে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র কর্মকর্তারা বলছেন, গতবছরের নভেম্বর থেকে কভিড-১৯ মোকাবিলায় দক্ষিণ এশিয়ার পাঁচ দেশকে নিয়ে সহযোগিতার কথা বলছে চীন। এরপর ১৫ এপ্রিল তারা সুনির্দিষ্টভাবে তিনটি প্রস্তাব দিয়ে সহযোগিতার কথা জানায়। চীনের এই তিন প্রস্তাবের মধ্যে রয়েছে, কভিড-১৯ মোকাবিলায় জরুরি ভিত্তিতে চিকিৎসাসামগ্রীর মজুত গড়ে তোলা, দারিদ্র্য বিমোচনে দক্ষিণ এশিয়ার সঙ্গে চীনের সহযোগিতা কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা এবং ই-কমার্সের মাধ্যমে গ্রামাঞ্চলে দারিদ্র্য বিমোচন।

পরে বাংলাদেশসহ পাঁচ দেশের সঙ্গে চীনের এই নতুন উদ্যোগ নিয়ে গত বৃহস্পতিবার পররাষ্ট্রসচিব পর্যায়ে বৈঠক হয়। সেখানে তিনটি ক্ষেত্রে সহযোগিতার বিষয়ে প্রাথমিক আলোচনাও হয়। তবে শেষপর্যন্ত পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের মঙ্গলবারের ভার্চ্যুয়াল বৈঠকে এ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হবে বলে সিদ্ধান্ত হয়।

এ বিষয়ে পররাষ্ট্রসচিব মাসুদ বিন মোমেন সোমবার দুপুরে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের বলেন, ‘চীনের তিনটি প্রস্তাব নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হবে ওই বৈঠকে। তবে বাংলাদেশের যেহেতু জরুরি ভিত্তিতে টিকার প্রয়োজন, তাই টিকা পাওয়ার ক্ষেত্রেই আমাদের বেশি জোর দেওয়া হবে।

চীনের কাছ থেকে উপহার হিসেবে টিকা পাচ্ছে বাংলাদেশ। এছাড়া বাণিজ্যিকভাবে এবং যৌথ উৎপাদনের মাধ্যমে টিকা পাওয়া নিয়েও আলোচনা চলছে। এ বিষয়ে পররাষ্ট্রসচিব বলেন, চীন পাঁচ লাখ টিকা বাংলাদেশকে উপহার হিসেবে দেবে।

তিনি আরও বলেন, এছাড়া চীনের কয়েকটি প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশে বাণিজ্যিকভাবে টিকা দেওয়ার আগ্রহ দেখিয়েছে। যদিও এখন পর্যন্ত চীনের টিকা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) অনুমোদন পায়নি। তাই চীনের টিকাবিষয়ক প্রয়োজনীয় তথ্য চাওয়া হয়েছে। প্রয়োজনীয় এসব কাগজপত্র পাওয়ার পর চীনের টিকার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here