বাঁশখালীর অপ্রয়োজনীয় কয়লা প্রকল্পে রক্তের দাগ

0
67

রুহিন হোসেন প্রিন্স

স্থানীয় মানুষের জীবন নেওয়া রক্তের দাগ দিয়ে শুরু হয়ে বাঁশখালীর গন্ডামারায় কয়লা বিদ্যুৎ প্রকল্পে রক্তের দাগ লেগেই চলেছে। চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে এস আলম গ্রুপের নির্মাণাধীন কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ প্রকল্পে আন্দোলনরত শ্রমিকদের ওপর গুলি চালিয়ে সাত জন শ্রমিক হত্যা ও অর্ধশত আহত হওয়ায় খবর আমরা কি ভুলতে বসেছি? ১৭ এপ্রিল ২০২১, বকেয়া মজুরি ও রোজায় কাজের সময় কমানোর দাবিতে আন্দোলনরত শ্রমিকদের ওপর গুলিবর্ষণে এই হত্যাকান্ড হয়।

বাঁশখালী বিদ্যুৎ প্রকল্পে এবারই প্রথম রক্ত ঝরলো এমন নয়। ২০১৬ সালের ৪ এপ্রিল জমি অধিগ্রহণের সময়েও আইনশৃঙ্খলারক্ষাকারী বাহিনীর গুলিতে ৪ জন নিহত এবং বহুসংখ্যক আহত হন। ২০১৭ সালের ফেব্রুয়ারিতেও এই প্রকল্পে ১ জন নিহত হন। এসব হত্যাকা-ের গ্রহণযোগ্য তদন্ত ও বিচার আজ পর্যন্ত হয়নি।

এবারে শ্রমিকদের বকেয়া বেতন পরিশোধ, কাজের সময় কমানো এবং ইফতার ও সাহরির সময় ছুটির দাবিই ছিল প্রধান। শ্রমিকরা মার্চ মাসের বকেয়া বেতন চেয়েছিলেন ঈদের আগে বাড়িতে টাকা পাঠানোর জন্য। প্রতি মাসের ৫ তারিখের মধ্যে বেতন পরিশোধের দাবি করেছিলেন। অতি সাধারণ ন্যায্য দাবি। কর্তৃপক্ষ এই সামান্য দাবি আলোচনা করে মীমাংসা করতে পারলো না? আর আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে গুলি করে প্রাণ ঝরাতে হলো?
এর পরের ঘটনা আরও নির্মম। শ্রমিকদের অনেকে গ্রামে চলে গেছেন। শ্রমিকদের বিরুদ্ধে দু’টি মামলা হয়েছে। সাড়ে তিন হাজার অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিকে আসামী করা হয়েছে। তদন্ত কমিটিও হয়েছে। কিন্তু ঘটনার পরপর মালিক পক্ষের তত্ত্বাবধানে প্রশাসনের কর্তারা হাজির হয়ে যেসব কথা বলেছেন তার মূল কথা হলো: ‘শ্রমিকদের আচরণে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী গুলি চালাতে বাধ্য হয়েছে।’ আবার বলা হচ্ছে ‘শ্রমিকরা নিজেরাই গোলাগুলি করেছে’। এসব পুরানা মুখস্ত কথা। এর ফলে অজ্ঞাতনামার তালিকায় থাকা প্রকল্পে কাজ করা প্রায় ৬ হাজার শ্রমিক গ্রেপ্তার আতংকে দিন কাটাচ্ছেন।

দুই.
এই প্রকল্পের শুরুতে স্থানীয় জনসাধারণ, দেশের সচেতন ব্যাক্তি, সংগঠন এই কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের বিরোধিতা করে আসছিল। এর প্রধান কারণ, দেশে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের প্রয়োজন নেই। এই প্রকল্প দেশের জন্য ক্ষতিকর। স্থানীয় মানুষের জমি-জলা ধ্বংস করে এই প্রকল্প ঐ মানুষের উপকার করবে না। দেশের অর্থনীতি, প্রকৃতি-পরিবেশের উপর বিরূপ প্রভাব পড়বে। আর নিয়ম মেনে পরিবেশ অধিদপ্তরের প্রকৃত ছাড়পত্র নিয়ে এধরনের প্রকল্প হওয়া কঠিন। বলা হয়েছিল, এই প্রকল্প করলে জনগণের টাকায় সরকারের প্রশ্রয়ে লালিত এস আলম কোম্পানি, কমিশনভোগী ও স্থানীয় সিন্ডিকেটের দুর্বৃত্তদের পকেটভারী করা হবে।
সরকার একগুয়েমী করে এই প্রকল্পের কাজ অগ্রসর করে চলেছে। ২০১৩ সালে প্রকল্প স্থাপনের জন্য বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়নবোর্ড ‘জেভিসি’কে উদ্দেশ্যমূলক চিঠি দেয়। পরে চুক্তি অনুসারে ‘জেভিসি’র অধীনস্থ এসএম পাওয়ার-১ লিমিটেড ও এস এমপাওয়ার-২ লিমিটেড নামে দু’টি পৃথক বিদ্যুৎ সংস্থার আলাদাভাবে বিদ্যুৎ কেন্দ্র বাস্তবায়ন করার কথা। এই প্রকল্পে এসইপিসিও৩ ইলেকট্রিক পাওয়ার কনট্রাকশন কর্পোরেশন এবং এইচটিজি ডেভলপমেন্ট গ্রুপ নামের দুটি চীনা সংস্থার যথাক্রমে ২০ শতাংশ ও ১০ শতাংশ এবং এস আলম গ্রুপের ৭০ শতাংশ অংশীদারিত্ব রয়েছে। এছাড়া চাইনিজ এসইপিসিও৩ ইলেকট্রিক পাওয়ার কনস্ট্রাকশন কর্পোরেশন এই প্রকল্পের প্রকৌশল, সংগ্রহ ও নির্মাণ এবং ঠিকাদারের দায়িত্ব পালন করছে।

শুরু থেকে কোনো নিয়ম নীতির তোয়াক্কা না করে, স্থানীয় মানুষের মতামত না নিয়ে, প্রয়োজনীয় সমীক্ষা ছাড়াই, পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র না নিয়েই প্রকল্পের কাজ শুরু করা হয়। প্রয়োজনের তুলনায় অনেক বেশি জমি অধিগ্রহণের নামে দখল করা হয়। এ জন্য সরকারের কাছ থেকে নানা সুবিধাও নেওয়া হয়। অধ্যাদশ জারি করে এস আলম গ্রুপের প্রতিষ্ঠান এস এস পাওয়ার-১ লিমিটেডকে স্টাম্প ডিউটি (কর) বাবদ ৩ হাজার ১৭০ কোটি ৮৭ লাখ ৪৫ হাজার ৮০১ টাকা মওকুফ করা হয়। বাঁশখালীর এই বিদ্যুৎ প্রকল্পের নির্মাণে জন্য ল্যান্ডলিজ অ্যাগ্রিমেন্ট এবং ফাইনান্সিং ডকুমেন্টসের অন্তর্ভুক্ত দলিলসমূহের রেজিস্ট্রেশনের উপর আরোপিত স্টাম্প ডিউটি কর থেকে এই টাকা মওকুফ করা হয়। বর্তমান অর্থবছরে বাজেটের প্রণোদনা থেকেও এই গ্রুপকে ৮৫১ কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে। এই টাকা পরিশোধের জন্য ৩৮ কোটি টাকা সুদ ভর্তুকিও দেওয়া হয়েছে। এসআলম গ্রুপের অন্যান্য তথ্যও বিস্ময়কর। এস আলম গ্রুপের সাথে সরকারের একাত্মতাকে অনেকে ‘দানবীয় উত্থান’ হিসেবে আখ্যায়িত করে থাকেন। অন্যান্য অনেক ব্যবসার মত বিদ্যুৎ খাতেও এদের আগ্রাসী কর্মকা- দেশের অর্থনীতিকে বিপর্যস্ত করে তুলছে।

এই প্রকল্প স্থানীয় মানুষের আতংকে পরিণত হয়েছে। সরকারি বাহিনী শ্রমিকদের ন্যায্য দাবি আন্দোলন দমনে হত্যার পথ বেছে নিয়ে দেশি-বিদেশি ব্যবসায়ীর স্বার্থ-রক্ষা করে চলেছে।

তিন.
এই বিদ্যুৎকেন্দ্র কি জরুরি ছিল?

সরকার এক সময় দেশে বিদ্যুৎ সংকট দেখিয়ে অপরিকল্পিতভাবে উচ্চমূল্যে বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের উদ্যোগ নেয়। এজন্য দায়মুক্তি আইনও পাশ করা হয় । সারাবিশ্বে এখন ক্ষতিকর হিসেবে চিহ্নিত কয়লাভিত্তিক প্রকল্প পরিত্যাগ করলেও সরকার কম খরচের কথা বলে কয়লাভিত্তিক প্রকল্প বেছে নেয়। বেছে নেয় উচ্চমূল্যের রেন্টাল, কুইক রেন্টাল প্রকল্প।

দেশপ্রেমিক বিশেষজ্ঞ, দেশের সচেতন মানুষ, বাম প্রগতিশীল রাজনৈতিক সংগঠন যুক্তি দিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদনের বিকল্প পথনির্দেশ করে এসব প্রকল্পের বিরোধিতা করলেও তা শোনা হয়নি। বরং দেশের স্বার্থের এসব কথাকে ‘উন্নয়ন বিরোধী’ কথা হিসেবে প্রচার করা হয়েছে।

সম্প্রতি দেখা যায়, দেশে বিদ্যুৎ এর চাহিদার কথা বলে যে পরিমাণ বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের কথা, তার থেকে অনেক বেশি বিদ্যুৎকেন্দ্র উচ্চমূল্যে স্থাপন করা হয়েছে। কখনও কখনও এসব বিদ্যুৎকেন্দ্রের মধ্যে ৫৭ শতাংশ বিদ্যুৎকেন্দ্র উৎপাদনে না যেয়ে বসে থাকছে বা বসিয়ে রাখা হচ্ছে। পল্লী বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড এখনও প্রয়োজন অনুযায়ী বিদ্যুৎ দিতে পারছে না। লোডশেডিং আছে। তারপরও এসব কেন্দ্র বসিয়ে রাখা হচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে বলা হয়, সরকার খরচ কমাতে পর্যাপ্ত বিদ্যুৎ উৎপাদন করছে না।

এখন গরমের সময় দেশে বিদ্যুতের চাহিদা বেশি। শীতকালে এই চাহিদা কমে যায়। সরকারি তথ্যই বলছে ক্যাপটিভ ও নবায়নযোগ্য মিলিয়ে এখন বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা ২৫ হাজার ১৭১ মেগাওয়াট। আর সাধারণভাবে উৎপাদন হচ্ছে সবমিলিয়ে ১২ থেকে ১৩ হাজার মেগাওয়াট। কখনো আরও কম।

উচ্চমূল্যে স্থাপিত অনেক বিদ্যুৎকেন্দ্র বসিয়ে রাখা হয়েছে। মাঝে মধ্যে এদের উৎপাদনে নিয়ে উৎপাদিত বিদ্যুৎ কেনা হচ্ছে প্রায় হাজার টাকায় প্রতি ইউনিট। বসিয়ে রাখলেও এইসব বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ভাড়া দিতে হয়। এ বাবদ গত অর্থ বছরে অহেতুক খরচ করা হয়েছে ৯ হাজার কোটি টাকা। আর গত এক দশকে ভর্তুকির নামে অহেতুক খরচ করা হয়েছে হয়েছে ৯৬ হাজার কোটি টাকা। দেশের মানুষের ট্যাক্স ও ঋণের টাকায় এসব ভর্তুকি জনগণের কাঁধেই চাপছে। অথচ জনমত উপেক্ষা করেই এইসব অপ্রয়োজনীয় বিদ্যুৎকেন্দ্র করা হয়েছে। এমনকি জ্বালানি ক্ষেত্রে ‘দায়মুক্তি আইন করে’ বাদবিচার না করেই উচ্চমূল্যে এসব বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপন ও অন্যান্য বিদ্যুৎকেন্দ্রের চুক্তি করা হয়েছে। যা দেশের অর্থনীতিতে বোঝা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

চার.
এবার দেখা যাক, কয়লা বিদ্যুৎ প্রকল্পের কি খবর। সরকার ২০৩০ সালে ৪০ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুতের যে পরিকল্পনা করেছে, তাতে ৩৫ শতাংশ কয়লাভিত্তিক প্রকল্পের কথা বিবেচনা করা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে সরকারের অন্যতম যুক্তি ছিল কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদন খরচ কম হবে। সম্প্রতি খবর হলো: কয়লা বিদ্যুৎ প্রকল্পের উৎপাদন খরচ বেড়েই চলছে। অন্যদিকে সৌর বিদ্যুৎ প্রকল্পের খরচ কমছে। এসব কথা আমরা প্রথম থেকে বলে আসলেও সরকার তার নানা স্বার্থে এসব কথা বিবেচনায় নেয়নি। মানুষের আন্দোলনকে উপেক্ষা করেছে।
দেশের সচেতন মানুষ, দেশপ্রেমিক বিশেষজ্ঞ মত, আন্তর্জাতিক মতামত উপেক্ষা করে সরকার ২৯টি কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের পরিকল্পনা নিয়ে এগুচ্ছিল। যা এখন সরকারেরই গলার কাটা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই অবস্থায় ৫টি বাদ দিয়ে অন্যসব প্রকল্প স্থগিত বা বাতিলের কথা সরকার ভাবছে বলে শোনা যায়। এই ৫টির মধ্যে পয়রা বিদ্যুৎকেন্দ্রের ৬০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে আসছে। অন্যগুলোর বিষয়ে সুনির্দিষ্ট তথ্য দেওয়া যায় না। কখন উৎপাদনে আসবে তাও নির্দিষ্ট করে জানা যায়নি।

বাঁশখালী কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ প্রকল্প ঐ ৫ টির মধ্যে অন্যতম। পুরো প্রকল্প চালু হলে এখান থেকে ১২২৪ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদিত হওয়ার কথা। দেশের বিদ্যুৎ চাহিদা, বসে থাকা বিদ্যুৎ কেন্দ্রসমূহকে হিসেবে নিলে এই বিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রয়োজনীয়তা দেখা যায় না। বরং এই বিদ্যুৎকেন্দ্র চলমান রাখার মধ্য দিয়ে শ্রমিকের জীবন শুধু বিপন্ন না, ভবিষ্যতে ঐ জনপদ বিপন্ন হবে। দেশের মানুষের কাঁধে আরেক শক্ত বোঝা ঝুলবে।

তাই, বিদ্যুতের প্রয়োজনীয়তা বিবেচনা করলেও বলা যায় এই ক্ষতিকর বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রয়োজন নেই। আমরা বাঁশখালীতে কয়লাবিদ্যুৎ প্রকল্প বাতিল করে বিদ্যুৎ উৎপাদনে বিকল্প পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানাই। একই সাথে রামপাল বিদ্যুৎ প্রকল্পসহ কয়লাভিত্তিক প্রকল্পগুলো বাতিল করে নবায়নযোগ্য জ্বালানি নির্ভর প্রকল্প গ্রহণের আহ্বান জানাই।

গত ১৭ এপ্রিলের হত্যাকা-ের ঘটনা উদঘাটনের জন্য বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিটি গঠন, এই ঘটনা ও পূর্বের হত্যাকা-ের ঘটনার সাথে জড়িতদের চিহ্নিত করা ও বিচারের আওতায় আনতে হবে। নিহতদের ৩ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ মোটেই গ্রহণযোগ্য নয় । আজীবন আয়ের সমান ক্ষতিপূরণ (এক্ষেত্রে ন্যূনতম ৫০ লাখ টাকা করে) প্রতি পরিবারকে ক্ষতিপূরণ, ঐ পরিবারের সদস্যকে চাকুরির ব্যবস্থা করতে হবে। আহতদের সব দায়িত্ব প্রকল্পকে নিতে হবে। এদের চাকরির নিশ্চয়তা দিতে হবে। মিথ্যা হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহার করতে হবে। শ্রমিকদের ন্যায় সংগত ১০ দফা মানতে হবে। বাস্তবায়ন করতে হবে।

পাঁচ.
দীর্ঘদিন ধরে আমরা দেশের, দেশের মানুষের জন্য ক্ষতিকর বিদ্যুৎ প্রকল্পগুলোর বিরুদ্ধে কথা বলে আসছিলাম। দেশীয় বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নিয়ে সাশ্রয়ী ও পরিবেশের জন্য কম ক্ষতিকর বিদ্যুৎ উৎপাদনে বিকল্প পথের কথা বলে আসছি। আমাদের কথা শোনা হয়নি। জ্বালানি খাতের ভুলনীতি ও দুর্নীতি দেশের অর্থনীতিতে ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে চলেছে। এর জন্য দায়ীদের এক সময় জবাবদিহি করতে হবে।

আমরা দেশের স্বার্থে পুরো বিদ্যুৎ খাতে পরিকল্পনার পুনঃমূল্যায়ন ও দেশপ্রেমিক বিশেষজ্ঞদের মতামত নিয়ে পরিকল্পনা গ্রহণের আহ্বান জানাই। এ কাজে ব্যর্থতার দায় সরকারকেই নিতে হবে। জনগণের টাকায় দেশি বিদেশি বিশেষ গোষ্ঠীর স্বার্থ রক্ষা বন্ধ করতে হবে।

অপ্রয়োজনীয় কয়লাভিত্তিক বাঁশখালী বিদ্যুৎ প্রকল্পে রক্তের দাগ মুছে যাবে না। তবে দেশের অপ্রয়োজনীয় কয়লা প্রকল্প বন্ধ ও ভবিষ্যতের রক্তক্ষরণ বন্ধে আমাদের কণ্ঠ সোচ্চার থাকবে।

সম্পাদক, সিপিবি, কেন্দ্রীয় কমিটি।
(সাপ্তাহিক একতা’য় প্রকাশিত)

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here