অবশেষে কপিলমুনি ফাঁড়ি ইনচার্জ সঞ্জয় দাশ ক্লোজ

0
77

কপিলমুনি প্রতিনিধি
অবশেষে খুলনার পাইকগাছায় কপিলমুনি ফাঁড়ি ইনচার্জ বহুল আলোচিত নিরস্ত্র পুলিশ পরিদর্শক সঞ্জয় কুমার দাশকে খুলনা জেলা পুলিশ লাইনে ক্লোজ ও কনস্টেবল মীর ফুরকান আলীকে দাকোপ থানায় বদলি করা হয়েছে। ২১ এপ্রিল খুলনা জেলা পুলিশ সুপার কার্যালয়ের মোহাম্মদ মাহবুব হাসান স্বাক্ষরিত খুলনা অফিস আদেশ নং-৬৪/২০২১ ও স্মারক নং-৯৬০-১(২৮)/সি এর আদেশ মোতাবেক জনস্বার্থে কপিলমুনি ফাঁড়ি ইনচার্জকে পুলিশ লাইনে ক্লোজ করা হয়েছে। দীর্ঘদিন কপিলমুনিতে অবস্থানকালে অন্যকে খুশি করতে বিভিন্ন জনের প্রতি করেছে অবিচার। পুলিশ সবার জন্য সমান, না ভেবে কিছু ব্যক্তির হয়ে কাজ করেছেন। যার ফলে সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জন করার বদলে ধিক্কার পান। সম্প্রতি তার অনিয়ম ও বিভিন্ন দুর্নীতি, ক্ষমতার অপব্যবহার, চাঁদা আদায়, দুর্নীতি, অশ্লীল ভাষা ব্যবহার, দখলবাজদের সহযোগিতা, সাধারণ মানুষের সাথে অসদাচারণসহ তার বিরুদ্ধে উঠে আসে নেপথ্যের নানা কাহিনী।

দুনীতিবাজ দুই পুলিশ সদস্যের বদলী খবরের প্রেক্ষিতে কপিলমুনি বাজার ব্যবসায়ী সমাজ, ভুক্তভোগী পরিবার ও এলাকার সচেতন মহল খুলনা জেলা পুলিশ সুপারকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন।

প্রসংগত, ১৫ এপ্রিল করোনাকালীন লকডাউন চলাকালীন তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র  করে কপিলমুনি বাজারের এক ব্যবসায়ী নেতাকে লাঞ্ছিত করেন কপিলমুনি ফাঁড়ি ইনচার্জ সঞ্জয় দাশ ও কনস্টেবল মীর ফুরকান আলী। একপর্যায়ে বিষয়টি প্রচার হলে ক্ষোভের দানা বাঁধে ব্যবসায়ী সমাজসহ বাজারের সর্বস্তরের জনসাধারণের মাঝে।

খোঁজ অন্তে উঠে আসতে থাকে ফাঁড়ি ইনচার্জ সঞ্জয় দাশ ও কনস্টেবল মীর ফুরকান আলীর বিরুদ্ধে অন্তগভীরে থাকা দুর্নীতির চিত্র। মহিলা লীগ নেত্রী সহ সাংবাদিকদের সাথে অশ্রাব্য ভাষা ব্যবহার ও প্রভাবশালী দখলবাজদের সহযোগিতার অভিযোগ উঠে আসে। পরবর্তীতে ঘটনার সার্বিক বিষয় নিয়ে স্থানীয় গণমাধ্যম কর্মীরা ধারাবাহিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেন। পর্যায়ক্রমে ধারাবাহিক প্রতিবেদন প্রিন্ট মিডিয়া, অনলাইন পোর্টাল ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক ওয়ালে ফলাওভাবে প্রকাশিত হয়।

এরপর বিষয়টি নিয়ে খবরের পাতাসহ এলাকার সাধারণ জনগণ, ব্যবসায়ী, সচেতন মহল ও ফেসবুক নেটিজেনদের মাঝে ব্যাপক সাড়া ফেলে। অনেকে নিজ নিজ প্রোফাইলে শেয়ার করে ধিক্কার জানান। আবার অনেকে সরাসরি কমেন্ট বক্সে এসে প্রতিবাদলিপি পেশ করতে দেখা গেছে। সবমিলিয়ে ঘটনার সূত্র ধরে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ও নিয়েছেন কঠোর পদক্ষেপ।

এব্যাপারে খুলনা জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মাহবুব হাসানকে সাধুবাদ জানিয়েছেন, ব্যবসায়ী সমাজ, ভুক্তভোগী পরিবার সহ সচেতন এলাকাবাসী।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here