ঝিকরগাছায় পরকীয়া করে আপন ভাবি নিয়ে উধাও দেবর

0
202

বিশেষ প্রতিনিধি
যশোর ঝিকরগাছা উপজেলার শংকরপুর ইউনিয়নের শংকরপুর গ্রামের বাসিন্দা হেদায়েত উল্লাহর পুত্র হাফিজুর রহমানের সাথে ভাবী সুইটি হোসেন মায়ার পরকীয়া সম্পর্র্কের জেরেই সংসার ভাংতে বসেছে স্ত্রী লাইলী খাতুনের। স্বামী-সংসার ফিরে পেতে ন্যায্য বিচারের আশায় কন্যাকে নিয়ে শ্বশুরালয়ের দ্বারে ঘুরছেন পুত্রবধু।
ঘটনার বর্ননায় ভূক্তভোগী জানান, দীর্ঘ ১০ বছর পূর্বে পারিবারিক সন্মতিতেই সাতক্ষীরা জেলার কলারোয়া উপজেলার রামের ডাঙ্গা গ্রামের মৃত আবুবক্কর সিদ্দিকের কন্যা লাইলী খাতুনের সহিত বিয়ে হয় হাফিজুরের। দাম্পত্য জীবনে তাদের আনিসা জান্নাত(৮) নামের এক কন্যা সন্তান রয়েছে। সাংসারিক জীবনের প্রথম হতেই তার স্বামীর সহিত বড় ভাই হাসানুরের স্ত্রীর পরকীয়া সম্পর্কের কথা জানতে পারেন।
প্রতিবাদ জানিয়ে স্বামী সংসারে অনেক শারিরীক নির্যাতনের স্বীকার হতে হয়েছে লাইলী কে।কেবল মাত্র সন্তানের মুখ পানে চেয়ে স্বামীর লাম্পট্য জীবন মেনে নেন তিনি। সংসারিক অশান্তি এড়াতে চাকরির সুবাধে স্বামী ঢাকায় অবস্থান করায় লাইলী খাতুন বাপের বাড়ী থাকতেন। এই সুযোগে ধুরন্ধর ভাবী মায়া তার দেবর কে লাইলী খাতুনের সহিত বিবাহ বিচ্ছেদের পরামর্শ দেন ও নিজিস্ব লোক দ্বারা লাইলী খাতুন কে শ্বাসাতে থাকেন। কিন্তু তাদের পরিকল্পনায় বাধ সাধে গ্রামবাসী, এলাকার গনমান্য ব্যাক্তিবর্গ সহ স্থানীয় চেয়ারম্যন। একপর্যায়ে গ্রাম্য সালিস বৈঠকে শ্বশুর হেদায়েত উল্লাহর সন্মতিতে লম্পট হাফিজুর তার স্ত্রী লাইলী খাতুন কে নিজ ভিটায় বসবাস করবেন বলে সিদ্ধান্ত হয়। এই সিদ্ধান্তে ক্ষুদ্ধ হয়ে দুশচরিত্রা নারী সুইটি হোসেন মায়া নিজ দেবর কে নিয়ে পুনরায় পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় হাফিজুরের পিতা হেদায়েতউল্লাহ ও তার স্ত্রী রাবেয়াও গাঁ ঢাকা দেয়। এহেন পরিস্থিতিতে ভূক্তভোগী লাইলী খাতুন বিচারকদের দ্বারস্থ হলে তারা লাইলী খাতুন কে শ্বশুরবাড়ীর জমিতে ঘর তুলে বসবাসের নির্দেশনা দেন। সে মোতাবেক লাইলী খাতুন ঘর নির্মাণ করতে গেলে মায়ার লোকজন দ্বারা বাধা প্রয়োগ সহ লাইলী কে প্রানণাশের হুমকি দেন।
ঘটনার সত্যতা যাচায়ে সরেজমিনে গেলে লাইলী খাতুনের বড় জা সহ একাধিক প্রতিবেশী লাইলীর উপর নির্যাতন সহ দেবর-ভাবীর পরকীয়ার সম্পর্ক নিশ্চিত করেন। আইনের আশ্রয়ে যাচ্ছেন না কেন?এমন প্রশ্নে লাইলী ও তার শ্বশুরালয়ের স্বজনরা জানান, হাফিজুর তার স্ত্রী লাইলীর সহিত বসবাস করতে চাইলেও ভাবীয় পরকীয়ার টানে ভাবী মায়ার কথা মত সে লাইলী খাতুনের কাছে আসতে পারেনা। সন্মান সহ স্বামীর সাজার ভয়ে তারা পারিবারিক সমাধান নিশ্চিতের চেষ্ঠা চালাচ্ছেন বহু বছর ধরে। দীর্ঘ বছর ধরে হাফিজুর ও তার ভাবী মায়া অবৈধ্য সম্পর্কে জড়িয়ে সমাজবিরোধী পাপ কাজ করে আসছেন জানিয়ে তাদের দৃষ্টান্ত মূলক শ্বাস্তি দাবী করেন। বিষয়টি নিয়ে হাফিজুর ও তার ভাই হাসান এবং তার স্ত্রী সুইটি হোসেন মায়ার সহিত যোগাযোগের চেষ্ঠা করে সকলে অঙ্গাত স্থানে থাকায় বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নী। বর্তমানে লাইলী ও তার কন্যা শ্বশুরালয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছে। এদিকে ঝিকরগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুর রাজ্জাকের কাছে সাংবাদিকরা জানতে চাইলে তিনি বলেন এঘটনা আমার জানা নেই আপনার কাছে প্রথম শুনলাম।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here