বেনাপোলে আ.লীগ নেতাকে পাকা বাড়ি উপহার দিলেন মেয়র লিটন

0
32

বেনাপোল প্রতিনিধি
স্কুল, কলেজ, মসজিদ, মাদ্রাসা, মন্দির, রাস্তাঘাট, ড্রেন কালভার্ড শিশুদের খেলাধুলা সহ নানা ধরনের উন্নয়ন মুলক সেবা দিয়ে জনগনের মনে স্থান করে নিয়েছেন যশোর জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক বেনাপোল পৌর মেয়র আশরাফুল আলম লিটন। এবার আরো একধাপ এগিয়ে নিজের পৌরসভার গন্ডি পেরিয়ে বেনাপোল পোর্ট থানার পুটখালী ইউনিয়নের একটি গৃহহীন পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছেন এই নেতা। তিনি তার সীমানা পেরিয়ে নিজ অর্থায়নে আওয়ামী লীগের একজন নিবেদিত কর্মী সাবেক পুটখালী ইউনিয়ন এর ৩ নং ওয়ার্ডের সহসভাপতি ত্যাগি নেতা ফজলুর রহমান (৬৪) কে তিন রুম বিশিষ্ট বাথরুম সহ একটি পাকা বাড়ি নির্মানের উদ্বোধন করেছেন।
শনিবার বেলা সাড়ে ১২ টার সময় মেয়র আশরাফুল আলম লিটন মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি সন্মান প্রদর্শন করে ডিহি ইউনিনের সাবেক আওয়ামী লীগ এর সাধারন সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা শওকত আলীকে দিয়ে ঘরটি নির্মানের উদ্বোধন করেন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন শার্শা উপজেলা আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক আজিবর রহমান, কৃষি ও সমবায় বিষয়ক সম্পাদক আব্দুর রহমান, যুব ও ক্রীড়া সম্পাদক কবির উদ্দিন তোতা, শ্রম বিষয়ক সম্পাদক শেখ কোরবান আলী, কোষাধ্যাক্ষ খোদাবক্স, উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতা বদিয়ার রহমান তরফদার, তবিবার রহমান বুলবুল, ভাইচ চেয়ারম্যান মেহেদী হাসান, বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল লতিফ, পুটখালী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল গফফার সরদার, বেনাপোল পৌর আওয়ামী যুবলীগের আহবায়ক সুকুমার দেবনাথ, শার্শা উপজেলা আওয়ামী যুবলীগের য্গ্মু আহবায়ক সেলিম রেজা বিপুল, বেনাপোল ৯ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক আশাদুজ্জামান আশা, পুটখালী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ নেতা দলিল উদ্দিন, মেম্বার মোক্তার আলী, আলমগীর হোসেন, আব্দুস ছাত্তার, হারুন অর রশিদ, নিজামপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ নেতা আশরাফুল আলম বাটুল, শার্শা উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক আকুল হোসাইন, দপ্তর সম্পাদক আরিফুর রহমান, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক এনামুল হক মুকুল, অর্থ বিষয়ক সম্পাদক ও পুটখালী ইউনিয়ন এর সাংগঠনিক সম্পাদক ফারুক হোসেন প্রমুখ সহ আওয়ামী লীগ এর অঙ্গসংগঠনের নেতা কর্মীরা।
এ বিষয় মেয়র আশরাফুল আলম লিটন বলেন, আমি শুনেছি পুটখালীর খলসী গ্রামের ফজলুর রহমান চাচা একজন নিবেদিত আওয়ামী লীগ এর লোক। তিনি বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে জাগ্রত করে ধরে রেখেছে। নিজে কষ্ট করে এই পড়ন্ত বয়সে রোজগার করে সংসার চালায়; তারপরও আদর্শচ্যুত হয়নি। এছাড়া তার দুই বিঘা জমি দান করেছে এলাকার শিক্ষার জন্য। সীমান্তের এই বড় মনের মানুষটিকে কিছু দিয়ে তার ঋন শোধ করা যাবে না। আমরা শুধু মাত্র মানবিক কারনে তার পাশে দাড়িয়েছি। যাতে তিনি শেষ জীবনে ভাল থাকতে পারে।
এ বিষয়ে পুটখালী ইউনিয়ন এর ৩ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের নিবেদিত ত্যাগি সাবেক এই সহসভাপতি ফজলুর রহমান বলেন, আমি বঙ্গবন্ধুর আদর্শে রাজনীতি করি। কিছু চাওয়া পাওয়ার জন্য রাজনীতি করি না। আমার পিতার দুই বিঘা জমি এই অবহেলিত জনপদের কথা ভেবে সরকারি স্কুলে দান করি। আর আমি মানবেতর জীবন যাপন করছি। আমাকে আমার দলীয় অনেক নেতা তার পোষ্য বাহিনী দিয়ে হয়রানি করেছে। আজ বেনাপোলের মেয়র আমার অসহায় অবস্থার কথা শুনে পরিবার পরিবারজন নিয়ে বসবাসের অনুপোযোগি ঘর এর কাহিনী শুনে ছুটে আসেন আমার বাড়িতে। আমাকে তিনি একটি পাকা বাড়ি নির্মান করে দিচ্ছেন আমার ছেলে মেয়েদের নিয়ে বসবাসের জন্য। জীবনের শেষ মুহুর্তে এসেও এরকম একজন মানবিক মানুষ শার্শা উপজেলায় দেখে আমি গর্বোবোধ করছি। আমি এই নেতাকে শুধু শার্শায় নয় এমন একজন মানবিক দানশীল মানুষকে শার্শা উপজেলার নেতৃত্ব দিতে দেখতে চাই। তাহলে বুঝব বঙ্গবন্ধুর আদর্শের কর্মী এখনো আমাদের পাশে আছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here