যশোর সদরের চৌঘাটায় জমি নিয়ে সংঘর্ষে ভাংচুর ও লুটপাটের অভিযোগে মামলা গ্রেফতার-১

0
13

বিশেষ প্রতিনিধি
জমি জায়গা নিয়ে যশোর সদরের চৌঘাটা গ্রামে ভাই বোন, মামা ভাগ্নের মধ্যে হামলার ঘটনা ঘটেছে। হামলায় নগদ টাকা, স্বর্ণালংকর লুটপাট ভাংচুরের অভিযোগ আনা হয়েছে। এ ঘটনায় পরস্পর বিরোধী অভিযোগ তুলে দু’টি মামলা হয়েছে। মামলায় উভয় পক্ষের ৮ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা ৪/৫জন আসামী উল্লেখ করা হয়েছে। এ ঘটনায় পুলিশ মশিয়ার রহমান নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে। সে যশোর সদর উপজেলার সতীঘাটা চৌঘাটা গ্রামের মৃত আবু বক্কার সিদ্দিকের ছেলে। তাকে বুধবার আদালতে সোর্পদ করা হয়েছে। মামলায় উভয় পক্ষের আসামীরা হচ্ছে, কচুয়া গ্রামের সাবেক আলীর ছেলে রনি, মৃত আবু বক্কার সিদ্দিকের ছেলে নুরুল আলম, সহোদর নাজিম উদ্দীন, মশিয়ার রহমান, বোন মর্জিনা খাতুন, সাহিদা খাতুন ও অপর মামলায় ইসমাইল হোসেনের স্ত্রী রুবিয়া ইয়াসমিন ও তার মেয়ে রিংকু।
চৌঘাটা গ্রামের মৃত দুলাল উদ্দীনের ছেলে রেজওয়ান হাসান মঙ্গলবার বিকেলে বাদি হয়ে ৬ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা ৪/৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। মামলায় তিনি উল্লেখ করেন, গত ৫ এপ্রিল সোমবার রাতে তার মা রুবিয়া ইয়াসমিন মামা নাজিম উদ্দীনের বাড়ির উঠানে অবস্থান সময় রনি, নুরুল আলম, নাজিম উদ্দীন, মশিয়ার রহমান, মর্জিনা খাতুন, সাহিদা খাতুনসহ তাদের অজ্ঞাতনামা ৪/৫জ সন্ত্রাসী জমি জমা নিয়ে মারপিটের এক পর্যায় একটি চেয়ারে হাত পা বেঁধে সর্ব শরীরে মারপিট শুরু করে। পূর্ব শত্রুতার কারনে মারপিট করতে থাকলে বাড়ির কাজের মেয়ে নূর জাহান বেগম (৪৫) প্রতিবার জানালে তাকেও মারপিট করে। নগদ ৩২ হাজার টাকা ২২ হাজার টাকা মূল্যের স্মার্টফোন কেড়ে নেয়। রুবিয়া ইয়াসমিন ও কাজের মেয়ে নুর জাহান বেগমের চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে আসলে প্রাণ নাশের হুমকী দিয়ে চলে যায়। গুরুতর আহত অবস্থায় আহতদের যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এঘটনায় পুলিশ মশিয়ার রহমান নামে এক যুবককে গ্রেফতার করে।
অপরদিকে, মশিয়ার রহমানের স্ত্রী নাছিমা বেগম বাদি হয়ে মামলায় বলেছেন, সোমবার ৫ এপ্রিল সন্ধ্যা রাত সাড়ে ৭ টায় আসামী রুবিয়া ইয়াসমিন ও তার মেয়ে রিংকু বসত বাড়িতে ঢুকে গালিগালাজ শুরু করে। নাছিমা বেগম ও তার দুই মেয়ে গালিগালাজ করতে নিষেধ করে। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে নাছিমা বেগমের চুলের মুঠো ধরে। মারপিট করে নগদ ৬০ হাজার টাকা, কানের দুল, আংটি ও আসবাবপত্র ভাংচুর করে ৭২ হাজার টাকা ক্ষতি সাধণ করে। নাছিমা বেগমের চিৎকারে আশ পাশের লোকজন এগিয়ে এসে উদ্ধার করে। পরে তাকে যশোর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে দেয়।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here