যবিপ্রবিতে নানা আয়োজনে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন

0
45

সত্যপাঠ রিপোর্ট
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ম্যুরালে পুষ্পস্তবক অর্পণ, শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের মধ্যে দিনব্যাপী ক্রীড়া প্রতিযোগিতা, শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় দোয়া-মাহফিলসহ নানা আয়োজনে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন করেছে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ^বিদ্যালয় (যবিপ্রবি)।
স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর দিনব্যাপী কর্মসূচি শুরু হয় সূর্যোদয়ক্ষণে বিশ^বিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে জাতীয় পতাকা ও বিশ্ববিদ্যালয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে। সকাল সাড়ে ৭টায় যশোর শহরের বকুলতলায় অবস্থিত বঙ্গবন্ধুর ম্যুরালে শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সাথে নিয়ে যবিপ্রবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. আনোয়ার হোসেন পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এরপরে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা বঙ্গবন্ধুর ম্যুরালে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। একইসঙ্গে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ^বিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি, কর্মকর্তা সমিতি ও কর্মচারী সমিতির নেতৃবৃন্দ জাতির পিতার ম্যুরালে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। যবিপ্রবি সাংবাদিক সমিতিসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনও বঙ্গবন্ধুর ম্যুরালে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে। সকাল সাড়ে ৮টায় শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সাথে নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকে অবস্থিত বঙ্গবন্ধুর ম্যুরালে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন যবিপ্রবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. আনোয়ার হোসেন। অনুরূপভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যান্য সংগঠনসমূহও একইসময়ে বঙ্গবন্ধুর ম্যুরালে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে শান্তির প্রতীক পায়রা ও বেলুন উড়িয়ে সকাল ৯টায় ক্রীড়া প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন যবিপ্রবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. আনোয়ার হোসেন। এরপর শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের মধ্যকার বিভিন্ন ধরনের দৌঁড়, ভলিবল, ফুটবলসহ নানা প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। বিকেল ৫টার দিকে অনুষ্ঠিত হয় পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান।
বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন অধ্যাপক ড. আনোয়ার হোসেন। তিনি বলেন, ‘পৃথিবীতে কখনো আমদানিনির্ভর জনশক্তি দিয়ে টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয়। যদি এমন হতো তাহলে মধ্যপ্রাচ্য, আমেরিকা কিংবা জাপানের চেয়েও ধনী ও শক্তিশালী রাষ্ট্রে পরিণত হতো। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ভিশন বাস্তবায়ন করতে হলে দক্ষ জনশক্তি তৈরির কোনো বিকল্প নেই। এ দক্ষ জনশক্তি তৈরিতে যবিপ্রবির পুরো পরিবার কাজ করে যাচ্ছে। তিনি আরও বলেন, স্বাধীনতার এ ৫০ বছরে শহীদদের রক্তের ঋণের কাছে আমাদের শপথ নিতে হবে যেন, আমরা বাংলাদেশকে একটি ক্ষুধা, দারিদ্র মুক্ত উন্নত ও সমৃদ্ধশালী দেশ হিসেবে গড়ে তুলতে পারি।
দিনব্যাপী বিভিন্ন পর্বের অনুষ্ঠানে যবিপ্রবির কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক আব্দুল মজিদ, ডিনস কমিটির আহ্বায়ক ড. নাসিম রেজা, শিক্ষক সমিতির সভাপতি ড. মোহাম্মদ তোফায়েল আহাম্মদ, রেজিস্ট্রার প্রকৌশলী আহসান হাবীব, ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তরের পরিচালক ড. আলম হোসেন, কর্মকর্তা সমিতির সভাপতি ড. আব্দুর রউফ, কর্মচারী সমিতির সভাপতি মো. শওকত ইসলাম সবুজ, সাধারণ সম্পাদক মো. বদিউজ্জামান বাদল প্রমুখ। এ ছাড়া অনুষ্ঠানে যবিপ্রবির বিভিন্ন অনুষদের ডিন, চেয়ারম্যান, দপ্তর প্রধানগণ, শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীগণ উপস্থিত ছিলেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here