বেনাপোলের প্রবেশদ্বার এলাকায় দেদারছে চলছে মাদক বেচাকেনা

0
49

বেনাপোল প্রতিনিধি
বেনাপোলে থেমে নেই মাদক ব্যবসা। একাধিক মাদক মামলার আসামিরা আইনের ফাঁকফোকর দিয়ে বেরিয়ে এসে দেদারছে চালিয়ে যাচ্ছে এ পেশা। ইতিমধ্যে একাধিক মাদক মামলার আসামি বেনাপোল পোর্ট থানার আমড়াখালী গ্রামের ইমান আলীর ছেলে বাবু মিয়া আমড়াখালি পৌর প্রবেশদ্বার গেটে গড়ে তুলেছে মাদক সিন্ডিকেট।
সে ফেনসিডিল ইয়াবা সহ বিভিন্ন মাদক পাইকারি ও খুচরা বিক্রি করে গড়ে তুলেছে আলীশান বাড়ি। আর তার সহযোগি হিসাবে রয়েছে শরিফুল ওরফে কানা শরিফুল। বর্তমানে অভিযোগ উঠেছে সে স্বর্ণ পাচারের সাথেও জড়িত।
বেনাপোল পোর্ট থানার ও শার্শা থানার সীমান্তবর্তী আমড়াখালী নামকস্থানে নির্মিত হয়েছে এশিয়া মহাদেশের সর্ববৃহৎ বেনাপোল পৌরসভার প্রবেশদ্বার। সেই প্রবেশদ্বারকে কেন্দ্র করে এখানে জমে উঠেছে দর্শনার্থীদের ভীড়। আর সেই সুযোগে বাবু ভারত থেকে ফেনসিডিল এবং মায়ানমার থেকে আসা ইয়াবা এনে বিক্রি করে এই গেট এলাকায়। তার সহযোগিরা হাতবদলের মধ্যে দিয়ে এসব মাদক তুলে দেয় ক্রেতাদের হাতে।
বর্তামানে আমড়াখালী গেটে প্রতিটি খুচরা মুল্যে ফেনসিডিল বিক্রি হয়ে থাকে এক হাজার থেকে এক হাজার দুইশত টাকায়। সন্ধ্যার সময় এই গেটে দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা পাইকারি ও খুচরা বিক্রেতারা আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের সামনে থেকে ফেনসিডিল ক্রয় করে চলে যায় গন্তব্য।
আমড়াখালী গেটের জনৈক ফিরোজ আহম্মেদ বলেন, টাকা হলে এই খানে সব ধরনের মাদক পাওয়া যায়। শুধু ইয়াবা ফেনসিডিল নয়। এখানে মেলে ভারতীয় মদ ও বেনাপোল ডিউটি ফ্রি সপ’র বিভিন্ন ব্র্যান্ডের মদ। এসব মাদক দ্রব্য বিক্রির মুল হোতা বাবু। আর তার বাড়িও এই গেটের পাশে যার ফলে তার এ ব্যবসা করতে সুবিধা। সে ইতিমধ্যে একটি আলীশান বাড়ি গড়ে তুলেছে যাতে প্রায় ৭০ লাখ টাকা খরছ হয়ে গেছে।
এ ব্যাপারে বাবু কে প্রশ্ন করলে সে বলে আগে টুক টাক ব্যবসা করতাম। এখোন কোন মাদক বা অন্য কোন ব্যবসা করি না।
বেনাপোল পোর্ট থানা সুত্র বলে আমরা বিষয়টি দেখছি। বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করা হচ্ছে আমড়াখালী গেট এলাকায় মাদক ব্যবাসায়িদের হাতে নাতে ধরার জন্য।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here