বসুন্দিয়ার পাশে আইন-শৃঙ্খলার অবনতি

0
57

বাড়ছে নেশ দ্রব্য : বাড়ছে চুরির ঘটনা

বসুন্দিয়া প্রতিনিধি॥ বাঘারপাড়া উপজেলার দুই ইউনিয়নের শেষ প্রান্তে বসুন্দিয়ার পাশের গ্রাম গুলোতে প্রতিদিনই ছোটখাট চুরির ঘটনা ঘটছে এলাকার সামাজিক আইন শৃঙ্খলার অবনতি। উপজেলার দক্ষিন প্রান্তে বাসুয়াড়ী,জামদিয়া ইউনিয়নের প্রত্যান্ত ভৈরব নদীর আশপাশে বিভিন্ন এলাকার লোকজনের আনাগোনা। অবৈধ অসামাজিক কার্যকলাপ, মাদক, জুয়ার আসর অহরহ, সামাজিক অবক্ষয়, প্রশাসনের নজরদারি কম। যারফলে প্রতিনিয়ত চুরি, ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটছে বলে সচেতন মহলের এমনটাই দাবী। গত একমাসের ভিতর দোকান চুরি, মটর বাইক চুরি, সাইকেল চুরি, কবুতর চুরি, টিউওবয়েলর মাথা চুরি, স্যালো ম্যাশিন চুরির ঘটনা ঘটেছে। আর এসবের পিছনে দায়ি অবৈধ জিনিস বিক্রেতারা কারন তাদের কারনেই বাইরে থেকে আসছে অচেনা মানুষ। সেই সাথে এলাকার স্কুল কলেজ পড়–য়া শিক্ষার্থীরা জড়িয়ে পড়ছে ভয়াবহ মরন নেশায়। নেশা দ্রব্য জোগাড় করতে টাকার প্রয়োজন, এই টাকার জোগান দিতে ছোট খাট চুরি,ডাকাতি,ছিনতাইয়ের সাথে জড়িয়ে পড়ছে বলে এলাকাবাসীর ধারনা। গত একমাস পূর্বে আলাদীপুর গ্রামের বদিয়ার কাজীর বাড়ীর ভিতর থেকে ৩ টি বিদেশী কবুতর চুরি করে নিয়ে গেছে যার মূল্য ছিল প্রায় ৩০ হাকাজ টাকা। আলাদীপুর বাজারের চা বিক্রেতা আবজাল হোেেনর দোকানের তালা ভেঙ্গে দামী ব্রান্ডের সিগারেট চুরি করে নিয়ে যায় যার মূল্য ছিল প্রায ১০ হাজার টাকা। আলাদীপুর গ্রামের জয়দেব রায় এর বাড়রি সামনে থেকে মটর সাইকেল দিনে দুপুরে চুরি করে নিয়ে যায়। আলাদীপুর বাজার থেকে গৌতম রায়ের বাইসাইকেল চুরি হয়ে যায়। বসুন্দিয়া পুলিশ ক্যাম্পের সামনে থেকে আফরা গ্রামের দই ভ্যান চালকের অটো ভ্যান চুরি হয়ে যায়। আফরা নতুন প্রাইমারি স্কুলের টিউওবয়েলের মাথা চুরি করে নিয়ে গেছে। বারভাগ মাঠের ভিতর এর টিউওবয়েলের মাথা খুলে চুরি করে নিয়ে গেছে। অবশেষে গত ৯ মার্চ রাতে বারভাগ গ্রামের বিলের ভিতর থেকে আব্দুর রাজ্জাকের স্যালো ম্যাশিন চুরি করে নিয়ে যায়। এছাড়া কলা, কচ,ু ঘের, পুকুরের মাছ চুরির ঘটনাতো নিত্যদিনের ব্যবহারের জিনিসের মত। এলাকার সচেতন মহলের অনেকে বলেন ভৈরব নদীর পাড়ে ৭ থেকে ১২ বছরের উঠতি ছেলে-মেয়েরা প্রশিক্ষন নিচ্ছে নেশা জাতীয় জুতার আঠা সেবনে। আবার একটু সচ্ছল পরিবারের সন্তানরা আঠা ছেড়ে দিয়ে ধরছে গাজা ফেনসিডিল অনেকে পরিবর্তন করছে নেশা দ্রব্য হাতে টাকা পয়সা আসলে চলে যাচ্ছে মরন নেশা ইয়াবা বড়িতে। তারপর অহরহ মিলছে আসপাশেই, এলাকার দুই মাটক স¤্রাট নড়াইলে মাদক মামলায় জাবজীবন সাজা হওয়্রপর রাস্তা পরিস্কার, এখন নিজেরাই মাদকের ডন সেজে কারবারি জোরালো ভাবে চালিয়ে যাচ্ছে। যারফলে নষ্ট হচ্ছে উঠতি বয়সের ছেলে-মেয়েরা, নেশার টাকা জোগাতে বিপদগামী হয়ে নানা অপকর্মে লিপ্ত হয়ে চুরি ছিনতাইয়ের সাথে জড়িয়ে পড়ছে বলে ভুক্তভোগি পরিবারের এমনটায় দাবী। প্রশাসন মাদকের উপর কড়া নজর না দিলে এলাকার পরিস্থিতি আরো ভয়াবহ আকারে করোনার মত বিস্তার ছড়িয়ে পড়বে। এব্যাপারে জরুরী ভাবে উর্ধ্বতন কতৃপক্ষের দৃষ্টি সহ আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার প্রত্যাশা কামনা করছেন এলাকার ভুক্তভোগী পরিবার ও সচেতন মহলের মানুষ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here