উপশহর পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জের সাথে চুক্তি অস্বীকার যশোর উপশহর পুলিশ ক্যাম্পের নীচে উপশহর বন্ধু আবাসিক হোটেলে দেহ ব্যবসা এখন তুঙ্গে !

0
54

এম আর রকি যশোর থেকে: করোনা ভাইরাসের মধ্যেও যশোর উপশহর পুলিশ ক্যাম্পের সহযোগীতায় ক্যাম্পের নীচে উপশহর বন্ধু আবাসিক হোটেলে চলছে দেহ ব্যবসা। প্রতিদিন সকাল থেকে পুরোদিন যৌনকর্মীকে রেখে চলছে দেহ ব্যবসা। যা নিয়ে বাস মালিক সমিতির মালিক শ্রমিকসহ স্থানীয় শ্রমিকদের মধ্যে শুরু হয়েছে চাপা ক্ষোভ ও নানা গুঞ্জন। খোদ পুলিশের মদদে দেহ ব্যবসা করে হোটেল মালিক রয়েছে বহাল তবিয়তে।
স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানান,যশোর উপশহর পুলিশ ক্যাম্প তৃতীয়তলা ভবনের দোতলায় উপশহর বন্ধু আবাসিক হোটেল। উক্ত দোতলা ভবনের কয়েকটি কক্ষ ভাড়া নিয়ে এসএম সাইদুর রহমান সোহেল লাখোপতি বনে গেছেন। তিনি তার ভাড়া নেওয়া হোটেলে মাঝে মধ্যে অবস্থান নেয়। হোটেল পরিচালনার জন্য মিজানুর রহমান ও জাকির নামে দু’জনকে রেখে দেহ ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। সূত্রগুলো বলেছে,মিজানুর রহমান ও জাকির সকাল থেকে হোটেলের গেটের সামনে অবস্থান নেয়। তারা তাদের নির্দিষ্ট খরিদ্দারদের মোবাইল ফোনের মাধ্যমে ডেকে নিয়ে তাদের হোটেলে থাকা যৌন কর্মীর কাছে হাজির করেন। হোটেল ম্যানেজার মিজানুর ও তার সহযোগী জাকির যৌনকর্মী নারীকে খুব সকালে হোটেলে তোলে একটি কক্ষে বাইরে থেকে তালা বদ্ধ করে রাখে। পরে খরিদ্দারদের নাম্বারে ফোন করে মিজানুর রহমান ও জাকির ডেকে আনে। পরে চুক্তিকরে যৌনকর্মীর কক্ষে ঢুকিয়ে আবার বাইরে থেকে তালাবদ্ধ করে দেয়। বাইরে থেকে দেখলে বোঝার উপায় নেই। এই হোটেলের উপরে আইন শৃঙ্খলার কাজে নিয়োজিত পুলিশ ক্যাম্প আর নীচে দেহ ব্যবসা। নাম প্রকাশ না করার শর্তে ভবনের নীচে ও উক্ত ভবনে ভাড়াটিয়া বাস মালিক সমিতি ও শ্রমিক সমিতির নেতৃবৃন্দ বলেন, পুলিশের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ সহযোগীতায় আবাসিক হোটেলে দেহ ব্যবসা একটি অবিশ^াস্য গল্প। চোখে না দেখলে কেউ বিশ^াস করবে না। সূত্রগুলো বলেছেন,হোটেল মালিক এসএম সাইদুর রহমান সোহেল আবাসিক হোটেল ব্যবসা পরিচালনা করে বিশাল অর্থবিত্তর মালিক বনে গেছেন। তিনি আবাসিক হোটেল ব্যবসার আড়ালে নিজেকে পত্র পত্রিকা ও বিভিন্ন নিউজ সংস্থার পরিচয় দিয়ে থাকেন। যশোর উপশহর বন্ধু আবাসিক হোটেল ছাড়াও খুলনার দৌলতপুর এলাকায় রয়েছে তার আরো একটি আবাসিক হোটেল। হোটেল ব্যবসা করে সে এখন ধনী বনে গেছেন বলে তার কর্মচারীরা দাবি করেছেন। তার আবাসিক হোটের কর্মচারী নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েকজন জানান, এসএম সাইদুর রহমান আবাসিক হোটেল ব্যবসার আড়ালে নিউজ সংস্থার পরিচয় দিয়ে নিজেকে সব সময় ধরা ছোয়ার বাইরে রাখতে চায়। উপশহর পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ এইচএমএ লতিফের সাথে মাসিক চুক্তিতে চলছে দেহ ব্যবসা। যার কারনে ওই ক্যাম্পে কর্মরত এএসআই ও কনস্টেবল জেনেও নিশ্চুপ থাকতে বাধ্য হয়। পুলিশের সাথে চুক্তি করে করোনা ভাইরাসের মধ্যে আবাসিক হোটেলে দেহব্যবসা উপশহর এলাকার ব্যবসায়ীদের মধ্যে নানা প্রশ্ন বিদ্ধ করে তুলেছে। উপশহর পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ এসআই এইচএমএ লতিফের কাছে সাংবাদিকরা জানতে চাইলে তিনি জানান,তার সাথে কোন চুক্তি নাই। তাছাড়া, উপশহর পুলিশ ক্যাম্পের নামে যদি কেউ টাকা নেই তাকে ধরিয়ে দেওয়ার জন্য অনুরোধ জানান। উপশহর পুলিশ ক্যাম্পের মদদে দেহ ব্যবসার বিষটি অস্বীকার করেন। এ ব্যাপারে খুলনা রেঞ্জের ডিআইজিসহ পুলিশের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন উপশহর এলাকার বিভিন্ন শ্রেনীর ব্যবসায়ীরা।


Warning: A non-numeric value encountered in /home/njybpvbk/public_html/wp-content/themes/Newspaper/includes/wp_booster/td_block.php on line 1009

Warning: Use of undefined constant TDC_PATH_LEGACY - assumed 'TDC_PATH_LEGACY' (this will throw an Error in a future version of PHP) in /home/njybpvbk/public_html/wp-content/plugins/td-composer/td-composer.php on line 109

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here