হলুদ সাংবাদিক হাবিবুরের বিরুদ্ধে এন্তার অভিযোগ

0
118

কুয়াদা প্রতিনিধি : মণিরামপুর উপজেলার ব্যাগারিতলা কন্দর্পুর গ্রামের ফারুক হোসেনের স্ত্রী সম্পা নাজনীন ১৩/০৬/২০২০ ইং তারিখে সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে এক জনকে আসামী করে অভিযোগ করেন ১৯/০৬/২০১৭ ইং তারিখে আসামি হল মণিরামপুর উপজেলার চন্ডিপুর গ্রামের মৃত জোহর গাছির ছেলে প্রতারক হাবিবুর নিজ গ্রামে সাধারণ মানুষের সাথে প্রতারণার দায়ে ঠাই না পেয়ে কুয়াদা সিরাজসিঙ্গা মামার বাড়িতে উঠেন।
শুরু হয় কুয়াদা অঞ্চলসহ সাধারণ মানুষের সাথে চাকুরীর প্রলোভন দেখিয়ে প্রতারনা। বর্তমান প্রতারক হাবিবুর রহমান (নিপু) কুয়াদা দক্ষিণ মাথা আলতাপের বাসার ভাড়াটিয়া। বাদি সম্পা নাজনিনকে ৩ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা চুক্তিতে সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চাকুরীর প্রলোভন দেখিয়ে বহু আলোচিত প্রতারক হাবিবুর রহমান লিখিত ডেমির উপরে ৯৫ হাজার টাকা গ্রহণ করেন।
লিখিত থাকে যে, ১৯/০১/২০১৮ ইং তারিখের মধ্য চাকুরী দিয়া দিবে না দিতে পারলে ঐ তারিখের মধ্যেই টাকা ফেরত দিতে বাধ্য থাকিবে। চাকুরী বা টাকা না দিতে পারায় ভুক্ত ভুগিরা একের পর এক আইনের আশ্রয় নিচ্ছেন বলে জানা যায়। এদিকে জানা যায় কুয়াদা বাজুয়াডাঙ্গা গ্রামে হোসেন আলীর ছেলে জাহাঙ্গীর আলম পাইনকে বিজয় টিভির চাকুরীর প্রলোভন দেখিয়ে ২ লক্ষ টাকা গ্রহণ করেন লিখিত ২৫০ টাকার ষ্ট্যাম্প এর পরে।
এই বিষয়ে ভুক্ত ভুগি পাইন সদর ১১ নং রামনগর ইউনিয়ন পরিষদে একটি অভিযোগ দায়ের করে। শালিস বইঠকে ১০/০৯/২০১৮ ইং তারিখে তার টাকা ফেরত দেওয়ার কথা থাকে। সেটাতেও ভুক্ত ভুগিরা জানিয়েছেন প্রতারক হাবিব যখন কাউকে প্রলোভন দেখায় তখন বলে আমার নাম হাবিব চৌধুরী, পিতা- মৃত জোহরুল চৌধুরী, আমার ৪ শত বিঘা ঘের ভেড়ি আছে। ৮-১০ টি ট্রাক আছে। তার মধ্য ২ টি এন্টার ডিস্ট্রিক ট্রাক।
কুয়াদা এলাকায় দোতালা ফাউন্ডেশন বাড়ি আছে। এভাবেই সাধারণ মানুষের মগজ ধোলাই করে চাকুরীর প্রলোভন দেখিয়ে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে বলে জানা গেছে। আরও জানা যায় মণিরামপুর উপজেলার গ্রামের কাগজ পত্রিকার প্রতিনিধি সুন্দলী গ্রামে সামছুজ্জামান মন্টুকে বিজয় টিভির সাংবাদিকতার চাকুরী দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে ৬০ হাজার টাকা আত্মসাত করেছেন। একাধিক সাধারণ মানুষের সাথে প্রতারণার কারণে গত ৭ই জুন ৫ জন বাদি হয়ে বহুল আলোচিত চিটার বাটপার ভন্ড ভাটে হাবিবুর রহমানের বিরুদ্ধে যশোর জেলা পুলিশ সুপার ও যশোর জেলা ডিএসবি গয়েন্দা শাখায় একটি লিখিত অভিযোগ করেন। অভিযোাগ অনুযায়ী বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশে প্রতারক চক্রের হাবিবুর রহমান বিভিন্ন মহলে দোড় ঝাপ শুরু করে। এছাড়া দৈনিক সত্যপাঠ পত্রিকার সাংবাদিক এস.এম. টিটোকে দেখে নেওয়ার ও চোখ তুলে নেওয়ার হুমকি দেয়।
এছাড়া বিগত মাহে রমজান মাসে সদর উপজেলার ফতেপুর ইউনিয়ন পরিষদে আনসার ভিডিবিদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ কালে ৫-৭ টি টিভি চ্যানেলে ত্রাণ বিতরণ অনুষ্ঠান দেখানোর কথা বলে ২ হাজার টাকা হাতিয়ে নিয়ে এসেছে প্রতারক হাবিবুর। আরও জানা যায় কয়েক বছর আগে বেনাপোল সাদিপুর শারসা উপজেলা একটি কোচিং সেন্টার খুলে অল্প বয়সের নারিদের কোচিং সেন্টারে চাকুরীর নামে চোরাই ঘাট দিয়ে ভারতে নারী পাচার করতেন।
৯ই জুন পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশের পর সাধারণ জনগণের মাঝে আরও ভুক্তভোগী পাওয়া যাচ্ছে। তার মধ্য মণিরামপুর উপজেলার বোয়ালিয়া উত্তরপাড়া গ্রামের মৃত কালু গাজীর ছেলে সামাদ আলীকে আনসার ভিডিপির চাকুরীর কথা বলে ২৩ হাজার ৫০০ শত টাকা হাতিয়ে নিয়েছে প্রতারক হাবিবুর চক্র।
জানা যায় বর্তমানে কুয়াদা এলাকায় বাসষ্টান্ড মোড়ে সকাল থেকে রাত ১টা পর্যন্ত ভিন্ন প্রসাশনের সোর্সগিরি করার জন্য অবস্থান করে এবং ভুক্তভোগিদের-০১৯৩৭-৭৬৩৫৯০, ০১৮৫১-৭৯৪২৪৯ এই দুইটি সহ আরও অনেক নাম্বার থেকে হুমকি দিচ্ছে বলে জানিয়েছে। এবিষয়ে সাধারণ জনগন প্রতারক হাবিবুর চক্রকে চিহ্নিত করে দ্রুত গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনার জন্য প্রশাসনের উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের জোর দাবি জানিয়েছেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here