করোনা: একশো তম দিনের রোজনামচা….

0
93
আবু নাসের অনীক
আবু নাসের অনীক: আমাদের যে দিনটি পার হচ্ছে তা শুধুই নৈরাশ্যময়। মনের মধ্যে অতি ক্ষীণভাবে উঁকি দিচ্ছে আগামী দিনটি হবে হয়তো আশার আলোয় স্নাত। কিন্তু দিন শেষে আবারো তমিস্রায় অবগাহন। শশীহীন এক নিশি অম্বর। প্রত্যেকটি দিন একটার পর একটা ভুল সিদ্ধান্ত আমাদেরকে মানসিকভাবে নির্বেদ করে তুলছে। সামষ্টিক একটি সমস্যা কে ব্যক্তিকেন্দ্রিক সমাধান প্রতিষ্ঠিত করার সরকারের এই আপ্রান অপপ্রয়াস সবকিছুকেই প্রশ্নবিদ্ধ করেছে।
বিশ্বের মধ্যে সংক্রমণের ও মৃত্যুর সংখ্যায় ব্রাজিল এখন দ্বিতীয়। দেশটি ঠিক যে কারণে আজকে এই অবস্থানে, বাংলাদেশের সাথে তার বৈশিষ্ট্যের মিল অন্তত ১০ টির মধ্যে ৮ টিতে। কয়েকটি মিলের উল্লেখযোগ্য বিষয় এখানে উল্লেখ করছি পাঠকদের বোঝার জন্য আমাদের চুড়ান্ত অবস্থা কোথায় যেয়ে দাঁড়াতে পারে সে বিষয়ে একটি ধারণা দেবার নিমিত্তে।
ব্রাজিল করোনা সংক্রমিত হওয়ার প্রথম দিকে অত্যন্ত দৃড়ভাবে ঘোষণা দিয়েছিল করোনা মোকাবেলায় তারা সম্পূর্ন প্রস্তুত (অথচ প্রকৃত অবস্থা ছিলো অন্তসারশূন্য), মনে আছেতো আমাদের মাননীয় গণ ঠিক একইভাবে বলেছেন এবং এখন আমরা দেখছি এটা কতোটা অন্তসারশূন্য বক্তব্য ছিলো। ব্রাজিল ক্রমাগতভাবে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশনা উপেক্ষা করেছে এবং এখনও করছে, আমরাও একই রকম করছি। তাদের সরকারের কাছে জীবনের চাইতে জীবিকার গুরুত্ব পেয়েছে অনেক বেশি, যেমন আমাদের সরকারের কাছে। ব্রাজিল তার সকল জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ গণের পরামর্শ ধারাবাহিকভাবে উপেক্ষা করেছে , যেমন আমরাও করেছি এবং এখনও করে যাচ্ছি। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পক্ষ থেকে ব্রাজিলকে পরিস্থিতি ঠেকানোর জন্য পূর্ণাঙ্গ লকডাউনের পরামর্শ দেওয়া হলেও তারা সেটা বাতিল করছে, আমরা পাশ কাটিয়ে ক্ষুদ্র অংশকে চিহ্নিত করে এটা বাস্তবায়নের পরিকল্পনা করছি।
ব্রাজিলের বর্তমান সংক্রমণের সংখ্যা ৮ লাখ ৬৯ হাজার ৯৫৬, মৃত্যু ৪৩ হাজার ৩৯৬, পরীক্ষা করেছে ১৬ লাখ ৪ হাজার ৭৮৪ এবং জনসংখ্যা ২১ কোটি ২৪ লাখ ৯২ হাজার ২২৬ জন। বাংলাদেশের সংক্রমণের সংখ্যা ৯০ হাজার ৬১৯, মৃত্যু ১ হাজার ২০৯, পরীক্ষা করেছে ৫ লাখ ১৯ হাজার ৫০৩, জনসংখ্যা ১৬ কোটি ৪৬ লাখ ১৩ হাজার ৯৮৮ (ওয়ার্ল্ডোমিটার)।
ব্রাজিলে প্রথম রোগী শনাক্ত হয় ২৬ ফেব্রুয়ারি আর বাংলাদেশে ৮ মার্চ। ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট কোভিড-১৯ সম্পর্কে বলেছিলেন, সামান্য ঠান্ডা জ্বর। অদ্ভুতভাবে আমাদের একজন মন্ত্রী একই বাক্য উচ্চারণ করেছিলেন, সেটাও নিশ্চয়ই আপনাদের মনে আছে। আমি অদ্ভুত শব্দটি উচ্চারন করলাম বটে, কিন্তু বিষয়টি আসলে অন্তমিল সম্পন্ন। উভয় দেশের শাষক গোষ্ঠীর জনগণ সম্পর্কিত ভাবনা এক। সরকার করোনা মোকাবেলায় কৌশল পরিবর্তন না করলে এটা নিশ্চিতভাবেই বলা যায় আমরা অচিরেই ব্রাজিলের পরিস্থিতি আমাদের দেশে দেখবো।
অধ্যাপক ডাঃ বেনজির আহমেদ বলেন,‘রোগী যদি বাড়ে তাহলে যতই চেষ্টাই করা হোক, সীমিত সম্পদ, সীমিত স্বাস্থ্য অবকাঠামো, সীমিত লোকবল দিয়ে সেটা ম্যানেজ করা যাবেনা। তাই প্রথম কাজ রোগী যেন না বাড়ে সে ব্যবস্থা নেওয়া। পাশাপাশি ব্যবস্থাপনায় বড় পরিবর্তন আনতে হবে’। আমরা কি রোগী না বাড়ার কোন আলামত দেখতে পাচ্ছি? ব্যবস্থাপনায় পরিবর্তনে কি দুরতম কোন আভাস মেলে? এই দুটি প্রশ্নের উত্তরে কোন কিছু না ভেবেই বলা যায় ‘না’। বরং দিন যতো যায় সংক্রমণের সংখ্যা ততোই বাড়ছে, শুধু বাড়ছেনা, লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে।
স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব জনাব হাবিবুর রহমান বলেন,‘বাস্তবতা সবারই স্বীকার করা উচিত। রোগী এভাবে বাড়লে বর্তমানে থাকা হাসপাতাল গুলোর বেডে সংকলন হবে না’। সবাই বাস্তবতা বুঝছেন, কিন্তু যেটা অবাক করা ব্যাপার সবকিছু বুঝেশুনে একটার পর একটা আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করছেন।
কোভিড-১৯ জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটি সরকারকে বলছে, পূর্ন লকডাউন করতে, না পারলে প্রাদুর্ভাব বিবেচনায় বড় এলাকা ভিত্তি করে করতে হবে। অতীতের মতো বিশেষজ্ঞ কমিটির সুপারিশ উপেক্ষা করে সরকার তার মতো করে সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তারা রেড জোন ঘোষণা করছে ওয়ার্ড ভিত্তিক। লকডাউন করবে ছোট এলাকায়। স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন,‘পুরো ওয়ার্ড না করে কোন ওয়ার্ডের যে অংশে কোভিড-১৯ এর সংক্রমণ বিপদজনক মাত্রায় পৌঁছেছে, শুধুমাত্র সেই এলাকায় লকডাউন করলে কাজের চাপ কম হবে’। কাজের চাপ কমানোর জন্য বিশেষজ্ঞদের মতামত উপেক্ষা করে তারা সিদ্ধান্ত গ্রহণ করছেন। অর্থাৎ রোগের বিস্তার ঠেকানো প্রধান ইস্যু নয়। একটা কিছু করতে হয় তাই করা। এবং একই রকম ভাবে তাদের এই তথাকথিত প্রচেষ্টা সম্পুর্ণভাবে ব্যর্থ হবে, যথারীতি নিয়মে সরকার বলবে আমরা চেষ্টা করেছি। এই ব্যর্থতার সকল দায়-দায়িত্ব জনগণের উপর চাপিয়ে দিবে, যা অতীতে করেছে। এর চেয়ে ট্রাজেডী আর কি হতে পারে!!
বর্তমানে সংক্রমণ যে পর্যায়ে রয়েছে এটা খুবই নিশ্চিতভাবে বলা যায়, পরীক্ষায় শনাক্ত হওয়া আক্রান্তের রোগীর বাইরে আরো অনেক মানুষ আক্রান্ত হয়ে আছেন। পরীক্ষার অপ্রতুলতার কারণে ঐ সমস্ত মানুষের সংক্রমণ হিসাবের বাইরে থেকে যাচ্ছে। সুতরাং যখন সরকার শুধুমাত্র শনাক্ত বিবেচনায় (পরীক্ষার মাধ্যমে) একটা ছোট এলাকা লকডাউন করবে তখন তার পার্শ্ববর্তী অন্য এলাকা আরো বেশি সংক্রমিত হতে থাকবে। কারণ সরকারের নজর সর্বাধিক থাকবে লকডাউনকৃত এলাকায়। ফলশ্রুতিতে পূর্বে যেমন ঈদে বাড়ি যেতে দিয়ে, অফিস, গণপরিবহন খুলে দিয়ে সংক্রমণ বাড়িয়ে নিয়েছে, এবার সংক্রমণ না কমে সেই ধারটিকে আরো বেশি বাড়িয়ে তুলবে। সিদ্ধান্তের ফলাফল শুধুমাত্র শূন্য হবে না, সাথে থাকবে মাইনাস চিহ্ন।
করোনা সংক্রমণে চিকিৎসক, নার্সসহ ৩ হাজার ১৬৪ স্বাস্থ্যকর্মী আক্রান্ত হয়েছেন এ পর্যন্ত। এর মধ্যে আক্রান্ত চিকিৎসকের সংখ্যা ১ হাজার ৩ জন (বিএমএ)। যা মোট আক্রান্তের হারের ৪ শতাংশ, বৈশ্বিক বিবেচনায় প্রথম। এর মধ্যে মৃত্যুবরণ করেছেন ৩৫ জন চিকিৎসক। অথচ চিকিৎসকের মৃত্যুসহ অন্য কোন মৃত্যু (কোভিড-১৯ আক্রান্ত) নিয়ে এখন পর্যন্ত কোন গবেষণা হচ্ছেনা। যেটা হওয়া ভিষনভাবে জরুরী। গবেষণা করলে বের হয়ে আসতো তারা কোন কারণে কি কি বৈশিষ্ট্য নিয়ে মৃত্যুবরণ করছেন। আর আক্রান্ত হওয়ার বিষয়টি জানা গেলে চিকিৎসাসেবা প্রদানে একটা আলাদা নির্দেশনা তৈরি করা সম্ভব হতো।
স্কয়ার,বিআরবি, ইমপালস হাসপাতালের আইসিইউ প্রধানেরা মারা গেছেন করোনায় আক্রান্ত হয়ে। ঢাকা মেডিকেলের আইসিইউ প্রধান করোনায় আক্রান্ত। একজন চিকিৎসক বিশেষজ্ঞ হয়ে ওঠেন ডাক্তার হওয়ার আরো ৩০/৩৫ বছর পর। দেশে যে হারে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক করোনায় মৃত্যুবরণ করছেন তাতে দেশ অচিরেই বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক সংকটে পড়বে। বছর বছর মেডিক্যাল কলেজ থেকে হয়তো ডাক্তার বের হবেন কিন্তু বিশেষজ্ঞ একজন চিকিৎসকের জন্য অপেক্ষা করতে হবে অনেক অনেক বছর। এসব বিষয়ে আমাদের সরকার বিকারহীন।
একই রকমভাবে পুলিশ বাহিনীর সদস্যদের আক্রান্ত হওয়ার সংখ্যা ৭ হাজার ১৯৭। মৃত্যুবরণ করেছেন ২৬ জন। এটিও একটি উদ্বেগজনক বিষয়। বাহিনীর সদস্য হিসাবে তাদের জীবনযাত্রা অনেক বেশি শৃঙ্খলা সম্পন্ন এবং তাদের খাদ্যাভ্যাসও অন্য পেশার মানুষদের তুলনায় অনেক বেশি উন্নত হবার পরও এতো বিপুল হারে আক্রান্ত হচ্ছেন, তার কারণ কি? বাহিনীর পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে , তাদের পর্যাপ্ত ব্যক্তিগত সুরক্ষা নিশ্চিত করা হচ্ছে, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর জন্য ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। তারপরেও তাদের এতো অধিক মাত্রায় আক্রান্ত হওয়া বাস্তবিক অর্থে প্রমাণ করে ব্যক্তিগত সুরক্ষার অভাবেই তারা আক্রান্ত হয়ে পড়ছেন। এমন অবস্থা চলতে থাকলে দেশের আইন-শৃঙ্খলা অবস্থা নাজুক হয়ে পড়বে।
দেশে বর্তমানে করোনাভাইরাসে আক্রান্তের যে সংখ্যা এটা সংক্রমণের দিক দিয়ে চীনকেও অতিক্রম করেছে। তথ্যানুসারে বিশ্বে সংক্রমিত দেশগুলোর তালিকায় বাংলদেশ ১৮ তম। মৃত্যুতে তার অবস্থান ৩১ তম। অন্যদিকে জনসংখ্যা অনুপাতে পরীক্ষায় বাংলাদেশের অবস্থান ১৪৯ তম। প্রতি ১০ লাখ মানুষের বিপরিতে পরীক্ষার পরিমান মাত্র ২ হাজার ৯৭৭ (ওয়ার্ল্ডোমিটার)। তুলনামূলক এতো অল্প পরীক্ষার বিপরিতে সংক্রমণের হার ও সংখ্যা যেখানে পৌঁছেছে সেটা কে ভিত্তি ধরে বলা যায়, আমরা বিপদ সংকেতে ঢুকে পড়েছি, যেকোন মুহুর্তে চুড়ান্ত বিপদ সংকেতের মধ্যে হারিয়ে যাবো।
দেশের জনগণকে রক্ষা করার দায়িত্ব সরকার শপথ গ্রহণের মাধ্যমে গ্রহণ করে। তারা প্রতিনিয়তো তাদের সেই শপথ ভঙ্গ করে চলছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বলছেন,‘করোনার ভয়ে তো আমরা মানুষকে না খাইয়ে মারতে পারিনা। তাদের বেঁচে থাকার ব্যবস্থাটা নিতে হবে’। অবশ্যই বেঁচে থাকার ব্যবস্থা নিতে হবে। এবং এই জন্য সরকার কে দায়িত্ব নিতে হবে ঐ সমস্ত প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর। গত এক দশক ধরে আমরা শুধু উন্নয়ন, প্রবৃদ্ধি, মাধা পিছু আয়ের রেকর্ড পরিমান বৃদ্ধি এসব গল্প শুনেছি। এতো প্রবৃদ্ধি অজর্ন করা একটা দেশ কেন জনগণের এক মাসের দায়িত্ব নিতে অপারগ হচ্ছে!! যে দেশের জনগণের এতো মাথাপিছু আয় বৃদ্ধি পেয়েছে তাহলে তো তার সঞ্চয় দিয়েই কয়েক মাস চলে যাওয়ার কথা! কারণ মাথা পিছু আয় বাড়লে সঞ্চয় হওয়া স্বাভাবিক, যদি না কিনা নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের উর্ধ্ব মূল্য না থাকে, অর্থাৎ জীবন-যাত্রা ব্যয় স্বাভাবিক থাকে। বোঝা যাচ্ছে সেটি ছিলো না।
এতো এতো উন্নয়ন!! উন্নয়নের মানে কি শুধুমাত্র মেগা প্রজেক্ট, বিদুৎ প্রকল্প আর পদ্মা সেতু!! যে উন্নয়ন দেশের প্রান্তিক মানুষের এমন দুর্যোগপূর্ণ সময়ে কয়েক মাসের দায়িত্ব নিতে পারেনা সেই উন্নয়ন অর্থহীন প্রলাপের নামান্তর। অর্থমন্ত্রী বলেছেন, দেশের অর্থনীতি কানাডা/ থাইল্যান্ডের সমান। খুবই আনন্দের সংবাদ! তাহলে এবার কানাডা সরকার সারা দেশ লকডাউন করে দেশের প্রত্যেক নাগরিকের বাসায় যেভাবে খাদ্য সহযোগিতা থেকে শুরু করে অন্য সকল সেবা বিনামূল্যে পৌঁছে দিয়েছিলো, তেমনিভাবে আপনারাও দেন। দেশে একযোগে লকডাউন করে মানুষকে রক্ষা করুন। জানি, সেটা আপনাদের পক্ষে সম্ভব নয়, কারণ যা বলেন, তা প্রলাপ ছাড়া অন্য কিছু নয়।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, আপনি আপনার পার্লামেন্টের দুজন সদস্যকে হারিয়ে শোকে কাতর হয়ে পড়েছেন, সেটাই স্বাভাবিক। ১ হাজার ২০৯ জনের পরিবারের কাছে এই শোক আরো বেশি কাতরতাময়। এদের মধ্যে চলে গেছেন এমন অনেক মানুষ যে হয়তো তার পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি ছিলেন। চলে গেছেন ৩৫ জন চিকিৎসক যারা দেশের শ্রেষ্ঠ সম্পদ। যে পরিস্থিতি বিদ্যমান এবং তার প্রেক্ষিতে যে ব্যবস্থা সরকার গ্রহণ করছে আজ দুজনের শোকে কাতর হচ্ছেন না জানি আরো কতো শোকে আপনাকে কাতর হতে হবে!!
মাননীয়, আপনি জীবনে বুলেট,বোমা অনেক কিছু মোকাবেলা করে এ পর্যন্ত এসেছেন, আপনি বলেন, আপনার জীবনে হারানোর কিছু নেই, আপনি মৃত্যুকে ভয় পাননা। কিন্তু এ দেশের ১৬ কোটি মানুষের মধ্যে অর্ধেকের বেশি মানুষের জীবনের কোন স্বপ্নই এখনও বাস্তবে রুপ পায়নি! প্রতিটি মানুষ মৃত্যুকে ভয় পায়, তার জীবনকে সবচেয়ে বেশি ভালোবাসে। হতে পারে তার চলে যাওয়া মানে তার পরিবারটি শেষ হয়ে যাওয়া!
নিজেকে দিয়ে নয়, বরং ১৬ কোটি মানুষের জায়গায় নিজেকে স্থাপন করুন, তাদের আকুতি শুনুন! তাদের জীবনকে রক্ষার জন্য বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ অনুযায়ি ব্যবস্থা গ্রহণ করুন। আপনি একদিকে মৃত্যুর খবর পান সাথে সাথে কাজও করতে অভ্যস্ত, কিন্তু আমরা মৃত্যুর সংবাদ শুনি এবং তারপর চিন্তা করি এবার কি আমার পালা!!

Warning: A non-numeric value encountered in /home/njybpvbk/public_html/wp-content/themes/Newspaper/includes/wp_booster/td_block.php on line 1009

Warning: Use of undefined constant TDC_PATH_LEGACY - assumed 'TDC_PATH_LEGACY' (this will throw an Error in a future version of PHP) in /home/njybpvbk/public_html/wp-content/plugins/td-composer/td-composer.php on line 109

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here