করোনায় আর্থিক ও সামাজিক সংকটে বেসরকারি অনার্স-মাস্টার্স শিক্ষক সমাজ

0
415

ডেক্স রিপোট : ১৯৯২সালের জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশেষ অধ্যাদেশ বলে ১৯৯৩ সালে প্রথম বেসর এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানে অনার্স-মাস্টার্স কোর্স চালু করা হয়। বিভিন্ন বিসস্ত সূত্র থেকে খোজ নিয়ে জানা যায়,তখন থেকে আজ পর্যন্ত ৫শতাধিক কলেজে এ কোর্স চালু আছে এবং এসব প্রতিষ্ঠান থেকে নতুন করে ২ শতাধিক অনার্স-কলেজ জাতীয়করণ আওতাভুক্ত হওয়ায় বাকি ৩শতাধিক কলেজে প্রায় ৪০০০শিক্ষক কর্মরত আছেন কিন্তু একই প্রতিষ্ঠানে এইচ এস সি ও ডিগ্রি শিক্ষকবৃন্দ এমপিওভুক্তির সুবিধা পেলেও একই পদ্ধতিতে নিয়োগ প্রাপ্ত এ শিক্ষকবৃন্দ এমপিও বঞ্চিত আছে দীর্ঘ ২৮বৎসর যাবতকাল।
এ ব্যাপারে দীর্ঘকাল এমপিওদাবি আদায়ে কাজ করা বাংলাদশে নিগৃহীত অনার্স-মাস্টার্স শিক্ষক পরিষদ’এর একজন শিক্ষক নেতা নীলনয়ন দাস আমাদের কে জানান, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ও শিক্ষামন্ত্রনালয়ের খামখেয়ালি এক নীতির জন্য তাঁরা এ দীর্ঘদিন জনবল ও এমপিও বহির্ভূত আছেন। তিনি প্রশ্ন তোলেন,একটি এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানে কোন যুক্তিতে এ স্তরের শিক্ষকবৃন্দের বেতন শিক্ষার্থী প্রদত্ত মাসিক বেতনের উপর ছেড়ে দেয়া হয়?
এ ব্যাপারে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক উক্ত সংগঠন আর একজন শিক্ষক নেতা জানান, করোনাকালীন এ বৈশ্বিক মহামারীতে প্রায় ৪মাস কলেজ বন্ধ থাকায় কলেজ প্রদত্ত যে যৎসামান্য মাসিক সম্মানি তা প্রপ্তিও অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ হয়েগেছে। তাছাড়া কলেজ খুলার পরও বর্তমান পরিস্থিতিতে শিক্ষার্থীরা হাজার-হাজার টাকা কিভাবে পরিশোধ করবে এবং সেটা সত্যি সম্ভব কতটা?
তিনি আরো জানান, বর্তমানে নন এমপিও শিক্ষকদের আর্থিক প্রণোদনা বিষয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর যে মানবিক প্রচেষ্টা সেটা প্রাপ্তির ক্ষেত্রেও এ শিক্ষকবৃন্দের অনেক বাঁধ পোহাতে হচ্ছে।”এ প্রণোদনা প্রাপ্তির বিষয়ে যতটা জানা যাচ্ছে, দেশের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে অনেক কলেজ অধ্যক্ষ/জিবি এ শিক্ষকবৃন্দের নাম ব্যানবেইস তথ্যে হালনাগাদ করতে অস্বীকৃতি জানাচ্ছে। শুধু তাই নয়, কোন -কোন ক্ষেত্রে এ শিক্ষকবৃন্দকে কলেজ প্রশাসন শিক্ষক হিসাবেই মানতে চায় না।
বর্তমানে এ প্রণোদনা বিষয়ে খুলনা,পাবনা,চট্টগ্রাম, গাজীপুর, ঢাকা সহ দেশের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলার বিভিন্ন কলেজের এ অসহযোগীতার চিত্র প্রায় একই রকম। যাইহোক, আমরা মনেকরি স্বাধীনতার ৪৮ বৎসর পরও দাসপ্রথা সম এমন নীতিহীন নীতি একটি দেশের উচ্চ শিক্ষা স্তরকে মেরুদণ্ডহীন করার জন্য যথেষ্ট। তাই এ শিক্ষকবৃন্দের সঙ্গে একাত্ম হয়েই এ করোনাকলীন মহা সংকটে তাঁদের অনতিদূর ভবিষ্যতের একটি স্থায়ী সমাধাম আমরাও দেখতে চাই।


Warning: A non-numeric value encountered in /home/njybpvbk/public_html/wp-content/themes/Newspaper/includes/wp_booster/td_block.php on line 1009

Warning: Use of undefined constant TDC_PATH_LEGACY - assumed 'TDC_PATH_LEGACY' (this will throw an Error in a future version of PHP) in /home/njybpvbk/public_html/wp-content/plugins/td-composer/td-composer.php on line 109

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here