বাধ্যতামূলক কোয়ারেন্টাইন নিয়ম বাতিল, উপসর্গ না থাকলে বাড়ি যেতে পারবে

0
69

বেনাপোল প্রতিনিধি : চিকিৎসা ব্যাবসা বানিজ্য, ও বেড়াতে যেয়ে ভারতে লকডাউনে আটকে পড়া পাসপোর্টযাত্রীদেওর বাধ্যতা মুলক প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইন নিয়ম উঠিয়ে দিয়ে যার যার বাড়িতে হোম কোয়রেন্টাইনে থাকার নির্দেশ দিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। সেই মোতাবেক আগতদের বাড়িতে পাঠানো হচ্ছে। তবে কারো শরীরে যদি করোনা উপসর্গ থাকে তাকে অবশ্য যেতে দেওয়া হবে না। সরকারী নির্দেশনা অনুযায়ী তার ব্যবসস্থা নেওয়া হবে। বৃহস্পতিবার থেকে বাধ্যতা মুলক নিয়ম বাতিল ঘোষনা করা হয়।
জানা যায়, এর আগে ভারত থেকে যারা ফিরছিলেন করোনা সংক্রমণ রোধে তাদেরকে নিজ নিজ বাড়িতে হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকার পরমর্শ দেওয়া হচ্ছিল। কিন্তু তারা নিয়ম না মানায় হোম কোয়ারেন্টাইন নিয়ম বাতিল করে সরকারী তত্বাবধানে প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইন চালু হয়। গত ০৬ মার্চ থেকে ভারত ফেরত যাত্রীরা সবাই বেনাপোল পৌর বিয়ে বাড়ি ও যশোর গাজীর দরগা প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনে ১৪ দিন অবস্থান করছিল। পরে ঝুকি মুক্ত হলে বাড়ি ফিরছিলেন। ১৩ মে, সরকারী নতুন নির্দেশনা জারীতে বলা হয়, পরবর্তী নির্দেশ না আসা পর্যন্ত কারো শরীরে করোনা উপস্বর্গ না থাকলে তারা নিজ বাড়িতে হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকবে। এতে সকলে বাড়িতে ফিরতে পারবে।
বেনাপোল ইমিগ্রেশন স্বাস্থ্য কেন্দ্রের মেডিকেল অফিসার আবু তাহের জানান, সরকারী নির্দেশনা মোতাবেক যাত্রীদের হোম ও প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইন নির্ধারণ করা হচ্ছে। গত ১৩ মে পর্যন্ত যারা ফিরেছেন তাদের কারো শরীরে করোনার কোন উপস্বর্গ না থাকলেও সবাইকে ১৪ দিনের জন্য প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনে রাখা হচ্ছিল। এখন সবাইকে নিজ বাড়িতে হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকার পরমর্শ দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হচ্ছে। তবে কেউ করোনার সন্দেহ জনক হলে তাকে প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনে থাকতে হবে। যারা হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকবেন তারা নিয়ম মানছেন কিনা তা নিয়মিত খোঁজ খবর নেওয়া হবে।
এদিকে দেশে বর্তমান করোনা পরিস্থিতি ভয়বহতার মধ্যে বাধ্যতামুলক প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাই বাতিলে সংক্রমণ আরো বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন সচেতন মহল।
উল্লেখ্য, গত ৩৬ দিনে বেনাপোল স্থলপথে ভারত থেকে ফিরেছেন নারী,পুরুষ ও শিশুসহ ৩ হাজার ৫’শ ২৪ জন। এরা সবাই ছিলেন প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনে। তবে ফেরার সময় এরা সবাই ছিল করোনা সংক্রমণ মুক্ত।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here