চৌগাছায় তিন নার্সসহ আরো ৪ জন করোনায় আক্রান্ত

0
158

শ্যামল দত্ত, চৌগাছা থেকে : যশোরের চৌগাছায় সরকারি হাসপাতালের প্রসূতি বিভাগের তিন নার্সসহ ৪ নারী নতুন করে করোনা শনাক্ত হয়েছেন। এদের মধ্যে হাসপাতালের প্রসূতি বিভাগের ৩ নার্স। অন্য শনাক্ত নারী শহরের ডিভাইন গার্মেন্টসের একজন কর্মী। মঙ্গলবার সকালে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. লুৎফুন্নাহার বিষয়টি নিশ্চিত করেন। এ নিয়ে চৌগাছায় করোনা রোগী হলো ১১ জন।
হাসপাতাল সূত্র জানা যায়, ২২ এপ্রিল উপজেলার বানুড়হুদা গ্রামের গর্ভবতী (২৮) হাসপাতালের প্রসূতি বিভাগে ভর্তি হন। করোনা উপসর্গ আছে মনে হলে ২৩ এপ্রিল তার নমুনা সংগ্রহ করে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের জিনোম সেন্টারে পাঠানো হয়। ওই নারী কৌশলে হাসপাতাল থেকে পালিয়ে যায়। ২৫ এপ্রিল তার করোনা পজেটিভ রিপোর্ট আসে। ২৭ এপ্রিল হাসপাতালে ওই নারীর সং¯পর্শে আসা স্টাফদের নমুনা সংগ্রহ করে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের জিনোম সেন্টারে পাঠানো হয়। ২৮ এপ্রিল ওই তিন নার্সের শরীরে করোনা ধরা পড়ে।
এদিকে রবিবার চৌগাছার ডিভাইন গ্রুপের দুটি গার্মেন্টেস খুলে দেয়া হয়। ওইদিন গার্মেন্টসে ঢোকার সময় স্কানারে ওই নারীকর্মী ও এক পুরুষ কর্মীর গায়ে জ্বর থাকায় তাদের ভিতরে ঢুকতে দেয়া হয়নি। ওই নারী কর্মী চৌগাছা হাসপাতালে এসে পরীক্ষার জন্য তার নমুনা দেন। মঙ্গলবার ওই নারী কর্মীর করোনা রিপোর্ট পজেটিভ আসে।
চৌগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. লুৎফুন্নাহার বলেন, হাসপাতাল থেকে পালিয়ে যাওয়া গর্ভবতী নারীর সং¯পর্শে আসা প্রসূতি বিভাগের ৩ জন নার্স করোনা পজেটিভ হয়েছেন। এছাড়া শহরের ডিভাইন গার্মেন্টসের এক নারী কর্মীর করোনা পজেটিভ হয়েছেন। তিনি আরো বলেন ডিভাইনের ওই গার্মেন্টস লকডাউন করা হবে।
উল্লেখ্য এর আগে ২২ এপ্রিল চৌগাছার প্রথম রোগী হিসেবে এক নারী ও এক কিশোর শনাক্ত হন। এরপর ২৫ এপ্রিল শনাক্ত হয় এক গর্ভবতী নারীর। ২৬ এপ্রিল শনাক্ত হন প্রথমদিন শনাক্ত নারীর স্বামী এবং স্কুলছাত্রকে চিকিৎসা দেয়া চৌগাছা উপজেলা হাসপাতালে জরুরি বিভাগের মেডিকেল অফিসার। ২৭ এপ্রিল শনাক্ত হয় স্কুলছাত্রের নানা ও নানী। ২৮ এপ্রিল শনাক্ত হলেন হাসপাতাল থেকে পালানো করোনা শনাক্ত নারীর সং¯পর্শে আসা প্রসূতি বিভাগের তিনজন নার্স এবং ডিভাইন গার্মেন্টসের ওই নারী কর্মী।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here