মণিরামপুরে করোনায় মৃতদের দাফন-কাফনে প্রস্তুত একদল স্বেচ্ছাসেবী

0
197

মণিরামপুর প্রতিনিধি : করোনাভাইরাসে আক্রান্ত কিংবা সন্দেহে মৃত্যুবরণকারীর দাফন-কাফন জানাযা শরিয়তসম্মত কার্যক্রম সম্পন করতে নিজেদের প্রস্তুত রেখেছেন মণিরামপুরের একদল স্বেচ্ছাসেবী। এই কঠিন বাস্তবতায় মণিরামপুরে সংগঠিত স্বেচ্ছাসেবীদের এ প্রত্যয় সর্বমহলে প্রশংসিত হচ্ছে।
উপজেলার বিভিন্ন এলাকার ১৯ যুবক ও এক নারীর সমন্বয়ে গঠিত এ স্বেচ্ছাসেবীদের আগ্রহের বিষয়টি প্রকাশ হলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রশংসার জোয়ার বয়ে চলেছে। শুধু এ উপজেলায় না, দেশের যে কোন প্রান্ত থেকে তাদের ডাক পড়লে সেখানে যেতে তারা প্রস্তুত আছেন।
খোঁজ-খবর নিয়ে জানা যায়, এ স্বেচ্ছাসেবী টীমের সবাই ধর্মীয় (মুসলিম) অনুশাসন মেনে চলেন। সায়্যেদাতুন নেছা যিনি নাজু আপা নামেই সমধিক পরিচিত। এলাকায় কোন নারী মারা গেলে গোসলসহ অন্য ধর্মীয় কাজ সম্পন্নে নাজু আপায় এগিয়ে আসেন। গর্ভবতী মায়ের সন্তান প্রসবেও তিনি কান্ডারী হয়ে এগিয়ে আসেন।
এ টীমের অন্যতম সমন্বয়ক নাছিম খান বলেন, বৈশ্বিক মহামারি করোনাভাইরাসে বিপর্যস্ত গোটা বিশ্ব। মিডিয়ার বদৌলতে জানতে পারেন-বাবা-মা, ভাই-বোনসহ অতি আপনজন এ রোগে আক্রান্ত মৃত্যুবরণকারীর সংস্পর্শে আসছেন না। এমনকি মৃতের (মুসলিম) জানাযাসহ দাফন-কাফনে অংশ নিচ্ছেন না। যা তাদের ব্যথিত করেছে। মূলতঃ এ তাগিদেই অনেকের আগ্রহে এ স্বেচ্ছাসেবীদল গঠন করা হয়েছে।
আরেক স্বেচ্ছাসেবী মাওঃ আশরাফ ইয়াসমিন জানান, তাদের আগ্রহের বিষয়টি প্রকাশ হলে ঢাকা থেকে একজন ৬টি পিপিই (পারসনাল প্র্রোটেক্টিভ ইকুইপমেন্ট) দিয়েছে। আর কোন দানশীল ব্যক্তি টীমের সবার সুরক্ষা জন্য আরো কিছু পিপিই (পারসনাল প্র্রোটেক্টিভ ইকুইপমেন্ট) দিলে তাদের জন্য ভাল হতো।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার আহসান উল্লাহ শরিফী এ ধরনের উদ্যোগকে ইতিবাচক হিসেবে অভিহিত করেছেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here